দেশে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৬০৬৫৫৫ কোটি টাকা, কমেছে ৩ শতাংশ

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০২:১০:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৮ বার পঠিত হয়েছে

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংক খাতের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরার বিষয়ে গুরুত্ব দেয়। এর ফলে আগে গোপন থাকা বা পুনঃতফসিলের মাধ্যমে আড়াল করা অনেক ঋণের প্রকৃত অবস্থা সামনে আসে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর শেষে শ্রেণিকৃত ঋণের পরিমাণ ছিল ৬ লাখ ৪ হাজার ৫১৫ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৩৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ। চলতি বছরের জুনে শ্রেণিকৃত ঋণের পরিমাণ সামান্য বেড়ে ৬ লাখ ৬ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকা হলেও মোট ঋণের তুলনায় এর অনুপাত কমেছে।

সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ব্যাংক খাতের হিসাব পরিষ্কার করার প্রক্রিয়ায় স্বল্পমেয়াদে কিছু চাপ তৈরি হতে পারে। তবে এর মাধ্যমে দীর্ঘ মেয়াদে আরও শক্তিশালী ও স্থিতিশীল ব্যাংকিং ব্যবস্থা গড়ে উঠবে। এ জন্য পেশাদার ব্যবস্থাপনা, যথাযথ ঋণ মূল্যায়ন এবং কার্যকর ঋণ আদায় ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সমস্যাগ্রস্ত ব্যাংকগুলোর জন্য সংস্কার কাঠামোও জোরদার করেছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিবেদনের মানদণ্ড আইএফআরএস-৯ অনুযায়ী প্রত্যাশিত ঋণক্ষতি (ইসিএল) হিসাব চালু হলে সম্ভাব্য ঋণঝুঁকি আগেভাগে চিহ্নিত করার সুযোগ বাড়বে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

পেট্রোবাংলা সূত্র জানায়, জাতীয় গ্যাস সঞ্চালন পাইপলাইনে মঙ্গলবার সরবরাহ আগের দিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এদিন বিকেল ৪টায় জাতীয় গ্রিডে ২৬০ দশমিক ৬ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়। আগের দিন একই সময়ে সরবরাহের পরিমাণ ছিল ২৩৪ দশমিক ৫৩ কোটি ঘনফুট।

বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) দীর্ঘদিনের সিদ্ধান্তহীনতার জট কাটছে, একই সঙ্গে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমুখী সিদ্ধান্তে গতি ফিরতে শুরু করেছে। নির্বাচিত সরকারের সাত মাসের মাথায় একদিকে বড় অবকাঠামোর পাশাপাশি রেল, সড়ক, স্বাস্থ্য, বিদ্যুৎ, পানি ও ভূমি ব্যবস্থাপনা ইস্যুতে এডিপিতে নেওয়া নতুন প্রকল্প দ্রুত

বাংলাদেশের সার্বভৌম ঋণমানের পূর্বাভাস ‘নেতিবাচক’ থেকে এগিয়ে আবার ‘স্থিতিশীল’ করেছে আন্তর্জাতিক ঋণমান নির্ধারণকারী সংস্থা মুডিস রেটিংস। রাজনৈতিক ও বহিঃখাতের চাপ কমে আসা, বৈদেশিক মুদ্রার মজুত বা রিজার্ভ বৃদ্ধি এবং প্রবাসী আয়ের রেকর্ড প্রবাহকে এর কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।

জনপ্রিয় টার্গেট

একনেকে ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন, সবচেয়ে বেশি সড়ক পরিবহনের

দেশে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৬০৬৫৫৫ কোটি টাকা, কমেছে ৩ শতাংশ

প্রকাশ: ০২:১০:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংক খাতের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরার বিষয়ে গুরুত্ব দেয়। এর ফলে আগে গোপন থাকা বা পুনঃতফসিলের মাধ্যমে আড়াল করা অনেক ঋণের প্রকৃত অবস্থা সামনে আসে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর শেষে শ্রেণিকৃত ঋণের পরিমাণ ছিল ৬ লাখ ৪ হাজার ৫১৫ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৩৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ। চলতি বছরের জুনে শ্রেণিকৃত ঋণের পরিমাণ সামান্য বেড়ে ৬ লাখ ৬ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকা হলেও মোট ঋণের তুলনায় এর অনুপাত কমেছে।

সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ব্যাংক খাতের হিসাব পরিষ্কার করার প্রক্রিয়ায় স্বল্পমেয়াদে কিছু চাপ তৈরি হতে পারে। তবে এর মাধ্যমে দীর্ঘ মেয়াদে আরও শক্তিশালী ও স্থিতিশীল ব্যাংকিং ব্যবস্থা গড়ে উঠবে। এ জন্য পেশাদার ব্যবস্থাপনা, যথাযথ ঋণ মূল্যায়ন এবং কার্যকর ঋণ আদায় ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সমস্যাগ্রস্ত ব্যাংকগুলোর জন্য সংস্কার কাঠামোও জোরদার করেছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিবেদনের মানদণ্ড আইএফআরএস-৯ অনুযায়ী প্রত্যাশিত ঋণক্ষতি (ইসিএল) হিসাব চালু হলে সম্ভাব্য ঋণঝুঁকি আগেভাগে চিহ্নিত করার সুযোগ বাড়বে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

পেট্রোবাংলা সূত্র জানায়, জাতীয় গ্যাস সঞ্চালন পাইপলাইনে মঙ্গলবার সরবরাহ আগের দিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এদিন বিকেল ৪টায় জাতীয় গ্রিডে ২৬০ দশমিক ৬ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়। আগের দিন একই সময়ে সরবরাহের পরিমাণ ছিল ২৩৪ দশমিক ৫৩ কোটি ঘনফুট।

বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) দীর্ঘদিনের সিদ্ধান্তহীনতার জট কাটছে, একই সঙ্গে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমুখী সিদ্ধান্তে গতি ফিরতে শুরু করেছে। নির্বাচিত সরকারের সাত মাসের মাথায় একদিকে বড় অবকাঠামোর পাশাপাশি রেল, সড়ক, স্বাস্থ্য, বিদ্যুৎ, পানি ও ভূমি ব্যবস্থাপনা ইস্যুতে এডিপিতে নেওয়া নতুন প্রকল্প দ্রুত

বাংলাদেশের সার্বভৌম ঋণমানের পূর্বাভাস ‘নেতিবাচক’ থেকে এগিয়ে আবার ‘স্থিতিশীল’ করেছে আন্তর্জাতিক ঋণমান নির্ধারণকারী সংস্থা মুডিস রেটিংস। রাজনৈতিক ও বহিঃখাতের চাপ কমে আসা, বৈদেশিক মুদ্রার মজুত বা রিজার্ভ বৃদ্ধি এবং প্রবাসী আয়ের রেকর্ড প্রবাহকে এর কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।