গত ৯ সেপ্টেম্বর থেকে এ ছুটি কার্যকর হয়েছে। তবে শিক্ষার্থীদের ছুটি দেওয়া হলেও বিদ্যালয়গুলোর দাপ্তরিক কার্যক্রম চালু থাকবে বলে জানানো হয়েছে। শিক্ষকদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
চকরাজাপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও পলাশি ফতেপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রায় ৬০০ শিক্ষার্থী পানিবন্দী। বিদ্যালয়ে যাতায়াতের ব্যবস্থা না থাকায় জেলা শিক্ষা অফিসের নির্দেশে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস বিদ্যালয় দুটি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
চৌমাদিয়া, আতারপাড়া, পশ্চিম চর কালিদাসখালী, পলাশি ফতেপুর, লক্ষ্মীনগর ও চর কালিদাসখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও বিদ্যালয়ে যেতে না পারায় স্কুল ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
পলাশি, চকরাজাপুর ও পূর্ব চকরাজাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্যাকবলিত না হওয়ায় এসব প্রতিষ্ঠানে পাঠদান কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মীর মামুনুর রহমান বলেন, পদ্মার চরে নয়টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ছয়টিতে শিক্ষার্থীদের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। বাকি তিনটি বিদ্যালয়ে পাঠদান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাফর আলী বলেন, চকরাজাপুর ও পলাশি ফতেপুর উচ্চ বিদ্যালয় বন্ধ রাখার বিষয়টি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরকে জানানো হয়েছে।
চকরাজাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সোহেল রানা বলেন, ‘এক সপ্তাহ ধরে পানির মধ্যে বসবাস করছি। ঘর থেকে বাইরে বের হতে পারছি না। ঘরের মধ্যে মাচা করে বসবাস করছি। এমন অবস্থায় কীভাবে স্কুলে যাব? তাই স্যারেরা স্কুল ছুটি দিয়েছেন।’
চৌমাদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সোহেল রানা বলেন, শিক্ষকরা নিয়মিত বিদ্যালয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু শিক্ষার্থীরা পানির কারণে বিদ্যালয়ে আসতে পারছে না।
আজ সোমবার পদ্মার পানি কিছুটা কমলেও চরবাসীর দুর্ভোগ কমেনি। বিশেষ করে গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন তাঁরা। বন্যার পানিতে আতারপাড়া, চৌমাদিয়া, দিয়াড়কাদিপুর, উত্তর ও দক্ষিণ কালিদাসখালী, পশ্চিম ও পূর্ব চকরাজাপুর, দাদপুর, পলাশি ফতেপুর, নিচ পলাশি ফতেপুর, জোতাশী, লক্ষ্মীনগর, কালিদাসখালী, আমবাগান ও কলাবাগানসহ বিভিন্ন এলাকার ফসলের মাঠ তলিয়ে গেছে।
চকরাজাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জগলু শিকদার বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১০০টি পানিবন্দী পরিবারের মধ্যে পরিবারপ্রতি ১৫ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কার্যালয়ের পক্ষ থেকে ১০০ পরিবারের মধ্যে শুকনো খাবার, চিড়া, মুড়ি, আখের গুড়, খাবার স্যালাইন, প্রাথমিক চিকিৎসার ওষুধ ও বিশুদ্ধ পানি বিতরণ করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তকী ফয়সাল তালুকদার বলেন, ‘বন্যাকবলিত এলাকার পরিস্থিতি বিবেচনা করে শিক্ষা কর্মকর্তারা সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। চরাঞ্চলের মানুষ চরম দুর্দশার মধ্যে বসবাস করছেন। তাঁদের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হয়েছে।’ সমাজের সামর্থ্যবান ও সুহৃদ ব্যক্তিদেরও চরাঞ্চলের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (মমেক) নতুন ভবনে আগুন লেগেছে। এ ঘটনায় হাসপাতালে রোগী ও সদরদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক বিরাজ করছে। আজ সোমবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে হাসপাতালের নতুন ভবনের ৮ম তলায় অগ্নিকাণ্ডের এ ঘটনা ঘটে।
মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে রোগীর সংখ্যা বেড়ে গেছে। ৪০ শয্যার বিপরীতে বর্তমানে হাসপাতালটিতে ১৫৭ শিশু ভর্তি রয়েছে। শয্যাসংকটে একই বিছানায় একাধিক শিশু ও তাদের মায়েদের থাকতে হচ্ছে, অনেকে থাকছেন মেঝেতে। জনবলসংকটে চিকিৎসাসেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের সামনে অবস্থিত পাঁচটি দোকান দীর্ঘ সময় ধরে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। নজরুল হলের শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে ওই দোকানগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছে হস্তান্তরের দাবি জানিয়ে আসছিল।
দৈনিক টার্গেট 




















