তিন বিচারক হলেন—চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুজাহিদুর রহমান, সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-১-এর বিচারক পলাশ বর্ধন এবং সদর সিনিয়র সিভিল জজ আদালতের বিচারক শম্পা ইসলাম।
মানববন্ধনে সভাপতির বক্তব্যে জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট শামছুল ইসলাম মন্টু বলেন, এই কর্মসূচি শুধু আইনজীবীদের জন্য নয়, বিচারপ্রার্থীদেরও। আমরা বার ও বেঞ্চের মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে নিতে চাই। কিন্তু প্রায় পাঁচ মাস ধরে বার ও বেঞ্চের মধ্যে কোনো সম্পর্ক নেই। এ কারণেই আইনজীবীরা ক্ষোভ প্রকাশ করতে মাঠে নেমেছেন।
সভাপতি আরও বলেন, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে বিচারকদের বিষয়ে একাধিকবার আলোচনা করা হলেও তিনি আইনজীবীদের বক্তব্যে কর্ণপাত করেননি বরং নিজেদের ইচ্ছেমতো বিচারকার্য পরিচালনা করছেন।
কয়েকজন বিচারকের বিরুদ্ধে আইনজীবীদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করেন শামছুল ইসলাম মন্টু। তিনি বলেন, কোনো হুমকিতে আইনজীবীরা আন্দোলন থেকে পিছপা হবেন না। আমাদের দাবি মানা না হলে প্রয়োজনে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে। যেসব বিচারক হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন, প্রয়োজনে তাঁদের আদালতও বর্জনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আগামী বুধবার বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি রয়েছে বলেও জানান তিনি।
আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন তালুকদার ফয়সালের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট সেলিম আকবর, আহসান হাবীব, কামাল উদ্দিন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এমরান হোসেন, জসিম মেহেদী, সিনিয়র আইনজীবী ওমর ফারুক টিটো, তাফাজ্জল হোসেন, জসিম উদ্দিন, জহির উদ্দিন সরকার, জাবের হোসেন, সুপ্তা, আবু সায়েম, তৌহিদুল ইসলাম তরুন, মানসুরী, শাহ আলম ফরাজী ও শেখ জাহাঙ্গীর আলম।
বক্তারা বলেন, আইনজীবী ও বিচারকদের মধ্যে সমন্বয় না থাকলে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা কঠিন। বিচারকদের পাশাপাশি আদালতের বেঞ্চ সহকারী ও পেশকারদের বিরুদ্ধেও বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি করেন তাঁরা। তাঁদের অভিযোগ, আদালতের বিভিন্ন কাজের ক্ষেত্রে অর্থ আদায়কে কেউ কেউ নিয়মে পরিণত করেছেন। ঘুষ ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদেরও প্রত্যাহারের দাবি জানান তাঁরা।
এর আগে গতকাল রোববার তিন বিচারকের প্রত্যাহারের দাবিতে আদালত প্রাঙ্গণে প্রতিবাদ সভা করেন আইনজীবীরা। তারও আগে গত ৯ সেপ্টেম্বর জেলা আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে প্রায় সাড়ে ৪০০ আইনজীবীর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত জরুরি সাধারণ সভায় তিন বিচারকের আদালত বর্জনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
গণ-অভ্যুত্থানের পর স্থানীয়দের আন্দোলনের মুখে যশোরের মনিরামপুরের রাজগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ থেকে বিতাড়িত হন অধ্যক্ষ আব্দুল লতিফ। এরপর দুই বছরের বেশি কেটে গেলেও তিনি কলেজে ফিরতে পারেননি। গতকাল রোববার হঠাৎ কলেজে এসে নিজ চেয়ারে বসেন আব্দুল লতিফ।
বরিশালের মুলাদীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে প্রায় ৭০০ কেজি ওষুধ মেশানো পোয়া মাছ জব্দ করা হয়েছে। পরে জব্দ করা মাছ মাটিচাপা দিয়ে ধ্বংস করা হয়। এ সময় মজিবুর রহমান নামের এক মাছ ব্যবসায়ীকে আটক করেছে প্রশাসন।
সম্প্রতি সেরাল গ্রামে জনগণের মনে আতঙ্ক এবং ভীতি সৃষ্টি করতে সড়কে মিছিলের প্রস্তুতি নেয়। এতে আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাতসহ নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা অংশ নেয়। পরে এ ঘটনায় থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়। সেই মামলায় অজ্ঞাত আসামি হিসেবে আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাতকে…
দৈনিক টার্গেট 




















