আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যর্থ: গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৯:৩০:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩ বার পঠিত হয়েছে

আজ শনিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাব সামনে আয়োজিত সমাবেশে এ অভিযোগ করেন যুক্তফ্রন্টের নেতারা। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল জাতীয় প্রেসক্লাব এলাকা প্রদক্ষিণ করে।

সমাবেশে নেতারা বলেন, রংপুরের হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্তের পরিবর্তে দ্রুত ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। এ ঘটনায় মনগড়া গল্প তৈরি করে সরকার প্রমাণ করেছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে তাদের সদিচ্ছার অভাব রয়েছে।

সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্কাফী রতন বলেন, দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ক্রমাবনতি, বিচারহীনতা, হত্যা, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, সন্ত্রাস ও নানা ধরনের সামাজিক অপরাধ সাধারণ মানুষের জীবনকে চরম অনিরাপদ করে তুলেছে। রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকর ভূমিকার অভাব এবং অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনতে ব্যর্থতার কারণে অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।

কমিউনিস্ট পার্টির এ নেতা অভিযোগ তুলে বলেন, রংপুরে গণপতি চক্রবর্তী পরিবারের সদস্যদের নৃশংস হত্যাকাণ্ড অত্যন্ত মর্মান্তিক ও উদ্বেগজনক। একটি পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার মতো ভয়াবহ ঘটনায় প্রকৃত কারণ এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সব ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে নানা গড়িমসি করা হয়েছে।

দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং গণপতি চক্রবর্তী পরিবারের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবিতে আগামী ৭ সেপ্টেম্বর গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের নেতারা রংপুরে যাবেন বলে ঘোষণা দেন আবদুল্লাহ ক্কাফী রতন।

সমাবেশে অন্যান্য বক্তারা বলেন, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দেওয়া রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণে সাধারণ মানুষ আজ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও অপরাধ দমন ছাড়া গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন—বাংলাদেশ জাসদের স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. মুশতাক হোসেন, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জুলফিকার আলী, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড মোশরেফা মিশু, বাসদ (মাহবুব)-এর সাধারণ সম্পাদক কমরেড হারুনার রশীদ ভূইয়া, বাসদ (মার্কসবাদী)-এর কেন্দ্রীয় নির্বাহী ফোরামের সদস্য সীমা দত্ত, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

গণমানুষের রায়ের সঙ্গে বেইমানি করে সরকার টিকতে পারবে না। রাষ্ট্র সংস্কারের যে গণ-আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে, তা অর্জনে আমরা দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলব। জনগণের এই ঐতিহাসিক রায় বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করতে রাজপথের আন্দোলন ও জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই। সব গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল

আকাশ থেকে কালো বজ্রপাত নামলেও আমরা আপনাদের সঙ্গে এই দেশেই থাকব। আমরা রাস্তায় নেমেছি কোনো দলীয় দাবি নিয়ে নয়। রাস্তায় নেমেছি, কারণ নতুন করে ফ্যাসিবাদের প্রতিধ্বনি শুনতে পাচ্ছি। সাড়ে ১৫ বছরের ফ্যাসিবাদ তাড়াতে অনেক জীবন দিতে হয়েছে। এখন চোখ রাঙানো হয়…

জনপ্রিয় টার্গেট

১১ দলীয় জোটের লংমার্চ জনগণ গ্রহণ করেনি: পানিসম্পদমন্ত্রী

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যর্থ: গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট

প্রকাশ: ০৯:৩০:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আজ শনিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাব সামনে আয়োজিত সমাবেশে এ অভিযোগ করেন যুক্তফ্রন্টের নেতারা। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল জাতীয় প্রেসক্লাব এলাকা প্রদক্ষিণ করে।

সমাবেশে নেতারা বলেন, রংপুরের হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্তের পরিবর্তে দ্রুত ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। এ ঘটনায় মনগড়া গল্প তৈরি করে সরকার প্রমাণ করেছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে তাদের সদিচ্ছার অভাব রয়েছে।

সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্কাফী রতন বলেন, দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ক্রমাবনতি, বিচারহীনতা, হত্যা, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, সন্ত্রাস ও নানা ধরনের সামাজিক অপরাধ সাধারণ মানুষের জীবনকে চরম অনিরাপদ করে তুলেছে। রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকর ভূমিকার অভাব এবং অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনতে ব্যর্থতার কারণে অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।

কমিউনিস্ট পার্টির এ নেতা অভিযোগ তুলে বলেন, রংপুরে গণপতি চক্রবর্তী পরিবারের সদস্যদের নৃশংস হত্যাকাণ্ড অত্যন্ত মর্মান্তিক ও উদ্বেগজনক। একটি পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার মতো ভয়াবহ ঘটনায় প্রকৃত কারণ এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সব ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে নানা গড়িমসি করা হয়েছে।

দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং গণপতি চক্রবর্তী পরিবারের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবিতে আগামী ৭ সেপ্টেম্বর গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের নেতারা রংপুরে যাবেন বলে ঘোষণা দেন আবদুল্লাহ ক্কাফী রতন।

সমাবেশে অন্যান্য বক্তারা বলেন, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দেওয়া রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণে সাধারণ মানুষ আজ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও অপরাধ দমন ছাড়া গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন—বাংলাদেশ জাসদের স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. মুশতাক হোসেন, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জুলফিকার আলী, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড মোশরেফা মিশু, বাসদ (মাহবুব)-এর সাধারণ সম্পাদক কমরেড হারুনার রশীদ ভূইয়া, বাসদ (মার্কসবাদী)-এর কেন্দ্রীয় নির্বাহী ফোরামের সদস্য সীমা দত্ত, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

গণমানুষের রায়ের সঙ্গে বেইমানি করে সরকার টিকতে পারবে না। রাষ্ট্র সংস্কারের যে গণ-আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে, তা অর্জনে আমরা দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলব। জনগণের এই ঐতিহাসিক রায় বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করতে রাজপথের আন্দোলন ও জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই। সব গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল

আকাশ থেকে কালো বজ্রপাত নামলেও আমরা আপনাদের সঙ্গে এই দেশেই থাকব। আমরা রাস্তায় নেমেছি কোনো দলীয় দাবি নিয়ে নয়। রাস্তায় নেমেছি, কারণ নতুন করে ফ্যাসিবাদের প্রতিধ্বনি শুনতে পাচ্ছি। সাড়ে ১৫ বছরের ফ্যাসিবাদ তাড়াতে অনেক জীবন দিতে হয়েছে। এখন চোখ রাঙানো হয়…