দ্বিতীয় যমুনা ও পদ্মা সেতু নির্মাণে সম্ভাব্যতা সমীক্ষায় চুক্তি

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৭:৩৭:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১০ বার পঠিত হয়েছে

আজ বুধবার বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সম্মেলন কক্ষে ‘কনসালটেন্সি সার্ভিসেস ফর ফিজিবিলিটি স্টাডি ফর কনস্ট্রাকশন অব ২য় যমুনা অ্যান্ড ২য় পদ্মা ব্রিজ’ শীর্ষক এ চুক্তি সই হয়।

সেতু বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দ্বিতীয় যমুনা সেতুর জন্য বর্তমান যমুনা সেতুর আশপাশে একাধিক রুট বিবেচনা করা হচ্ছে। এর মধ্যে বালাসী ঘাট এলাকাও রয়েছে। আর দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর সম্ভাব্য স্থান হিসেবে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথের এলাকা বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। তবে চূড়ান্ত স্থান সম্ভাব্যতা সমীক্ষার পর নির্ধারণ করা হবে।

চুক্তিতে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পক্ষে প্রধান প্রকৌশলী মো. আবুল হোসেন এবং পরামর্শক প্রতিষ্ঠান সার্ম অ্যাসোসিয়েট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও অথরাইজড সিগনেটরি প্রকৌশলী মিয়া মোহাম্মদ কাইয়ুম স্বাক্ষর করেন।

সম্ভাব্যতা সমীক্ষায় যমুনা ও পদ্মা নদীর ওপর দ্বিতীয় যমুনা ও দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর জন্য সম্ভাব্য স্থান ও অ্যালাইনমেন্ট চিহ্নিত করা হবে। একই সঙ্গে সেতুর কারিগরি ও কাঠামোগত নকশার বিকল্প, নির্মাণের অর্থনৈতিক ও আর্থিক সম্ভাব্যতা এবং পরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাব পর্যালোচনা করা হবে। এসব বিশ্লেষণের ভিত্তিতে সেতু নির্মাণের জন্য সবচেয়ে উপযোগী বিকল্পের সুপারিশ করবে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান।

সমীক্ষার কাজে নেপালের এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট কনসালট্যান্ট (ইআরএমসি), সুইডেনের সুইডিশ ন্যাশনাল রোড কনসালটিং এবি (সুইরোড), দক্ষিণ কোরিয়ার দাসান কনসালট্যান্টস কোম্পানি লিমিটেড, বাংলাদেশের দেশ উপদেশ লিমিটেড ও সার্ম অ্যাসোসিয়েটস লিমিটেড যৌথভাবে কাজ করবে। সাব-কনসালট্যান্ট হিসেবে থাকবে বাংলাদেশের টিলার।

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

দীর্ঘদিনের গ্যাস-সংকট ও আমদানিনির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসতে পাঁচ দফা কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার। এর মধ্যে রয়েছে দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন বাড়ানো, সাইসমিক জরিপ, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানিকে (বাপেক্স) শক্তিশালী করা, উৎপাদন অংশীদারি চুক্তি (পিএসসি) ও বিডিং এবং এলএনজি

মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান আরএমপিতে কর্মরত থাকার সময় কামরুজ্জামান নামে এক ব্যক্তিকে পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) পদে চাকরি দেওয়ার শর্তে ১৭ লাখ টাকা দাবি করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৫ সালের ৬ আগস্ট, ১৮ আগস্ট ও ২২ সেপ্টেম্বর ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের একটি হিসাবে মোট আড়াই লাখ টাকা এবং বিভিন্ন সময়ে বিকাশের

জনপ্রিয় টার্গেট

খুলনা মেডিকেলে কাতরাচ্ছেন কয়রার সাবেক ইউপি সদস্য মাহফুজা

দ্বিতীয় যমুনা ও পদ্মা সেতু নির্মাণে সম্ভাব্যতা সমীক্ষায় চুক্তি

প্রকাশ: ০৭:৩৭:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আজ বুধবার বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সম্মেলন কক্ষে ‘কনসালটেন্সি সার্ভিসেস ফর ফিজিবিলিটি স্টাডি ফর কনস্ট্রাকশন অব ২য় যমুনা অ্যান্ড ২য় পদ্মা ব্রিজ’ শীর্ষক এ চুক্তি সই হয়।

সেতু বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দ্বিতীয় যমুনা সেতুর জন্য বর্তমান যমুনা সেতুর আশপাশে একাধিক রুট বিবেচনা করা হচ্ছে। এর মধ্যে বালাসী ঘাট এলাকাও রয়েছে। আর দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর সম্ভাব্য স্থান হিসেবে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথের এলাকা বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। তবে চূড়ান্ত স্থান সম্ভাব্যতা সমীক্ষার পর নির্ধারণ করা হবে।

চুক্তিতে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পক্ষে প্রধান প্রকৌশলী মো. আবুল হোসেন এবং পরামর্শক প্রতিষ্ঠান সার্ম অ্যাসোসিয়েট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও অথরাইজড সিগনেটরি প্রকৌশলী মিয়া মোহাম্মদ কাইয়ুম স্বাক্ষর করেন।

সম্ভাব্যতা সমীক্ষায় যমুনা ও পদ্মা নদীর ওপর দ্বিতীয় যমুনা ও দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর জন্য সম্ভাব্য স্থান ও অ্যালাইনমেন্ট চিহ্নিত করা হবে। একই সঙ্গে সেতুর কারিগরি ও কাঠামোগত নকশার বিকল্প, নির্মাণের অর্থনৈতিক ও আর্থিক সম্ভাব্যতা এবং পরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাব পর্যালোচনা করা হবে। এসব বিশ্লেষণের ভিত্তিতে সেতু নির্মাণের জন্য সবচেয়ে উপযোগী বিকল্পের সুপারিশ করবে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান।

সমীক্ষার কাজে নেপালের এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট কনসালট্যান্ট (ইআরএমসি), সুইডেনের সুইডিশ ন্যাশনাল রোড কনসালটিং এবি (সুইরোড), দক্ষিণ কোরিয়ার দাসান কনসালট্যান্টস কোম্পানি লিমিটেড, বাংলাদেশের দেশ উপদেশ লিমিটেড ও সার্ম অ্যাসোসিয়েটস লিমিটেড যৌথভাবে কাজ করবে। সাব-কনসালট্যান্ট হিসেবে থাকবে বাংলাদেশের টিলার।

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

দীর্ঘদিনের গ্যাস-সংকট ও আমদানিনির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসতে পাঁচ দফা কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার। এর মধ্যে রয়েছে দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন বাড়ানো, সাইসমিক জরিপ, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানিকে (বাপেক্স) শক্তিশালী করা, উৎপাদন অংশীদারি চুক্তি (পিএসসি) ও বিডিং এবং এলএনজি

মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান আরএমপিতে কর্মরত থাকার সময় কামরুজ্জামান নামে এক ব্যক্তিকে পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) পদে চাকরি দেওয়ার শর্তে ১৭ লাখ টাকা দাবি করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৫ সালের ৬ আগস্ট, ১৮ আগস্ট ও ২২ সেপ্টেম্বর ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের একটি হিসাবে মোট আড়াই লাখ টাকা এবং বিভিন্ন সময়ে বিকাশের