প্রথম ম্যাচে চীনকে হারাতে পারলে পরের ধাপের পথ কিছুটা সহজ হবে বলে মনে করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাহমুদ হাসান। তাই স্বাগতিকদের বিপক্ষে জয় দিয়েই অভিযান শুরু করতে চান তাঁরা। মাহমুদ বলেন, ‘সবার লক্ষ্য একটাই, আমাদের জিততে হবে, ওয়ার্ল্ড কাপ কোয়ালিফাই করতে হবে। এখন চীনের সঙ্গে যদি আমরা জিততে পারি, দেখা যাবে যে আমাদের পরের ম্যাচগুলা একটু সুবিধা হবে। আমাদের কোয়ালিফাইং যে স্টেজটা পড়বে, সেটাতে একটু আমরা সহজ দল পাব। তো আমাদের সবার টার্গেট একটাই যে, আমরা কালকে জিতে বের হব।’
টুর্নামেন্টের প্রস্তুতির জন্য কয়েক দিন আগেই চীনে পৌঁছেছে বাংলাদেশ দল। মকির আবহাওয়া ও মাঠের কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে অনুশীলনের পাশাপাশি জাপানের বিপক্ষে একটি প্রস্তুতি ম্যাচও খেলেছে তারা। আজ শেষ অফিশিয়াল অনুশীলন সেশন শেষ করেছে দল। স্বস্তির খবর, স্কোয়াডের সবাই পুরোপুরি ফিট এবং কোনো খেলোয়াড়ের চোট নেই।
বাংলাদেশের প্রস্তুতি অন্য দলগুলোর তুলনায় কম হওয়ায় চীনের বিপক্ষে ম্যাচটিকে কঠিনই দেখছেন দক্ষিণ আফ্রিকান কোচ জাইলস বোনেট। স্বাগতিকদের লক্ষ্য যেখানে শিরোপা, সেখানে বাংলাদেশের লক্ষ্য বিশ্বকাপে জায়গা করে নেওয়া। তাই দলগত কাঠামো ঠিক রেখে যতক্ষণ সম্ভব চীনের সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যেতে চান তিনি।
চীন থেকে পাঠানো ভিডিও বার্তায় কোচ বলেন, ‘অন্যান্য দলের তুলনায় আমাদের প্রস্তুতি একেবারেই ভিন্ন। তাই ম্যাচটি খুবই কঠিন হতে যাচ্ছে। চীন এসেছে এই টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হতে, আর আমরা এসেছি কোয়ালিফাই করতে। ভালো ফলাফল পেতে আমাদের নিজেদের দলগত কাঠামোর ওপর পুরোপুরি নির্ভর করতে হবে। চীনের বিপক্ষে যত দীর্ঘ সময় সম্ভব লড়াই বজায় রাখার চেষ্টা করব আমরা।’
শক্তির বিচারে চীনের চেয়ে পিছিয়ে বাংলাদেশ। এশিয়ায় বাংলাদেশের র্যাঙ্কিং সপ্তম, যেখানে চীন, পাকিস্তান ও মালয়েশিয়া রয়েছে এগিয়ে। ফলে আগামীকালের ম্যাচে নিজেদের আন্ডারডগ হিসেবেই দেখছেন বোনেট। তবে অসম্ভব প্রত্যাশা না করে নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী লড়াই করাই তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, ‘‘স্বাভাবিক সমীকরণ অনুযায়ী চীনেরই জেতা উচিত। সেটাই স্বাভাবিক ফল। আপনি যদি ভাবেন বাংলাদেশ এক লাফেই বড় ফল পেয়ে যাবে, তবে সেটা হবে চরম অবাস্তব চিন্তাভাবনা। এশিয়ায় আমাদের র্যাঙ্কিং ৭ম। র্যাঙ্কিং পয়েন্টের দিক থেকে আমরা মালয়েশিয়া, পাকিস্তান ও চীনের পেছনে আছি। তাই আমরা এই ম্যাচে 'আন্ডারডগ' বা পিছিয়ে থাকা দল হিসেবেই নামছি। আমরা মাঠে লড়াই করতে চাই, তবে আমাদের বাস্তববাদী হতে হবে।’’
আর্জেন্টিনার সঙ্গে লিওনেল মেসির সম্পর্ক শেষ হলেও আলোচনা তো থামার নয়। সামাজিক মাধ্যমে ভক্ত-সমর্থকদের আবেগঘন পোস্ট, সতীর্থ ও পরিবারের সদস্যদের বার্তা, আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) বিশেষ পরিকল্পনা—যা যা দরকার সবই হয়েছে মেসির সম্মানে। অবসরের ঘোষণা দেওয়ার পর সামাজিক মাধ্যমে এবার বিশেষ এক পোস্ট
আর্জেন্টিনা দলের সঙ্গে সম্পর্কের ইতি টেনেছেন লিওনেল মেসি। সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট দিয়ে অবসরের ঘোষণা দেওয়ার তিন দিন পেরিয়ে গেছে। কিন্তু দীর্ঘ ২১ বছরে যা অর্জন করেছেন, ভক্ত-সমর্থকদের মনে রাখার মতো অসংখ্য মুহূর্ত উপহার দিয়েছেন—সেটা তো চাইলেও কেউ ভুলতে পারবেন না। বিশ্বকাপজয়ী তারকার বিদায় উপলক্ষে আর্জেন্টি
দৈনিক টার্গেট 

























