ঝিনাইদহ হামলায় জামায়াতকে দুষলেন রাশেদ

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৭:৫১:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
  • ৬৪ বার পঠিত হয়েছে

শুক্রবার জুমার নামাজকে কেন্দ্র করে ঝিনাইদহ শহরের পুরাতন ডিসি কোর্ট এলাকার কাছে এ ঘটনা ঘটে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের এনসিপিতে যোগদানের একটি কর্মসূচিতে অংশ নিতে সেখানে যান নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। নামাজ আদায়ের জন্য তিনি জেলা কালেক্টরেট মসজিদে প্রবেশ করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদের সঙ্গে তার কথা হয়। এ সময় হঠাৎ কিছু যুবক পেছন দিক থেকে ডিম নিক্ষেপ করে এবং উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে ধাক্কাধাক্কি ও হামলার ঘটনায় এনসিপির কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন।

ঘটনার পর বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন নিজের ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন, ঝিনাইদহ-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াত নেতা আলী আজম মো. আবু বকর কিংবা ছাত্রশিবির সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম—কেউই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে আসেননি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, শুরুতে শিবিরের কয়েকজন কর্মী ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকলেও পরবর্তীতে তারা সরে যান।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ঘটনার সময় এনসিপির অল্প কয়েকজন স্থানীয় কর্মী ছাড়া বড় ধরনের কোনো রাজনৈতিক সহায়তা দেখা যায়নি। একই সঙ্গে এনসিপি নেতা তারেক রেজার ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রাশেদ খাঁন। তার দাবি, পুরো পরিস্থিতিতে তারেক রেজা নীরব অবস্থান বজায় রেখেছেন।

রাশেদ খাঁন তার পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কিছু বক্তব্য নিয়েও আপত্তি জানান। বিশেষ করে ঘটনাস্থলকে ‘আইনমন্ত্রীর এলাকা’ হিসেবে উল্লেখ করাকে তিনি বিভ্রান্তিকর দাবি করে বলেন, ঝিনাইদহ সদর আসন এবং আইনমন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকা এক নয়। তার মতে, আইনমন্ত্রীর আসন শৈলকূপা এলাকায়, যা ঘটনাস্থল থেকে বেশ দূরে অবস্থিত।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ঝিনাইদহের সাম্প্রতিক এই ঘটনা স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। যদিও বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও বড় ধরনের সংঘাতের পরিবেশ এখনো তৈরি হয়নি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

পোস্টের শেষাংশে রাশেদ খাঁন রাজনৈতিক দলগুলোকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, মিথ্যাচার, ব্যক্তিগত আক্রমণ ও সংঘাতনির্ভর রাজনীতি দেশের জন্য ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে না।

ঝিনাইদহ হামলায় জামায়াতকে দুষলেন রাশেদ

প্রকাশ: ০৭:৫১:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

শুক্রবার জুমার নামাজকে কেন্দ্র করে ঝিনাইদহ শহরের পুরাতন ডিসি কোর্ট এলাকার কাছে এ ঘটনা ঘটে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের এনসিপিতে যোগদানের একটি কর্মসূচিতে অংশ নিতে সেখানে যান নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। নামাজ আদায়ের জন্য তিনি জেলা কালেক্টরেট মসজিদে প্রবেশ করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদের সঙ্গে তার কথা হয়। এ সময় হঠাৎ কিছু যুবক পেছন দিক থেকে ডিম নিক্ষেপ করে এবং উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে ধাক্কাধাক্কি ও হামলার ঘটনায় এনসিপির কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন।

ঘটনার পর বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন নিজের ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন, ঝিনাইদহ-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াত নেতা আলী আজম মো. আবু বকর কিংবা ছাত্রশিবির সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম—কেউই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে আসেননি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, শুরুতে শিবিরের কয়েকজন কর্মী ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকলেও পরবর্তীতে তারা সরে যান।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ঘটনার সময় এনসিপির অল্প কয়েকজন স্থানীয় কর্মী ছাড়া বড় ধরনের কোনো রাজনৈতিক সহায়তা দেখা যায়নি। একই সঙ্গে এনসিপি নেতা তারেক রেজার ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রাশেদ খাঁন। তার দাবি, পুরো পরিস্থিতিতে তারেক রেজা নীরব অবস্থান বজায় রেখেছেন।

রাশেদ খাঁন তার পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কিছু বক্তব্য নিয়েও আপত্তি জানান। বিশেষ করে ঘটনাস্থলকে ‘আইনমন্ত্রীর এলাকা’ হিসেবে উল্লেখ করাকে তিনি বিভ্রান্তিকর দাবি করে বলেন, ঝিনাইদহ সদর আসন এবং আইনমন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকা এক নয়। তার মতে, আইনমন্ত্রীর আসন শৈলকূপা এলাকায়, যা ঘটনাস্থল থেকে বেশ দূরে অবস্থিত।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ঝিনাইদহের সাম্প্রতিক এই ঘটনা স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। যদিও বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও বড় ধরনের সংঘাতের পরিবেশ এখনো তৈরি হয়নি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

পোস্টের শেষাংশে রাশেদ খাঁন রাজনৈতিক দলগুলোকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, মিথ্যাচার, ব্যক্তিগত আক্রমণ ও সংঘাতনির্ভর রাজনীতি দেশের জন্য ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে না।