রাষ্ট্রপতি নিয়ে সংসদে বিতর্ক

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৯:২৬:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • ৮৮ বার পঠিত হয়েছে

জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির পদ ও মর্যাদা ঘিরে ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলের মধ্যে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সংসদের সাম্প্রতিক অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামের বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেন।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি কোনো ব্যক্তিগত পরিচয়ের বিষয় নয়, বরং এটি একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে রাষ্ট্রপতির প্রতি সম্মান দেখানো প্রত্যেকের দায়িত্ব। অতীতে শপথ গ্রহণের সময় রাষ্ট্রপতির কাছ থেকেই দায়িত্ব নিয়েছিলেন বিরোধীদলীয় নেতারা এ বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, তখন যে সম্মান প্রদর্শন করা হয়েছিল, বর্তমানে সেই একই অবস্থান থেকে সরে আসা গ্রহণযোগ্য নয়।

অর্থমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা রক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যক্তি বা রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও সাংবিধানিক পদগুলোকে সম্মান করা উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ব্যাংক খাত নিয়েও তিনি বিরোধী দলগুলোর দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, কিছু রাজনৈতিক গোষ্ঠীর সঙ্গে ব্যাংক মালিকানার সম্পর্ক রয়েছে, যা দেশের মানুষ ভালোভাবেই জানে। তিনি দাবি করেন, নির্দিষ্ট কিছু দল নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী ব্যাংকের শীর্ষ পদে নিয়োগ দিয়েছে এবং অপছন্দের ব্যক্তিদের সরিয়ে দিয়েছে। তবে বিএনপির এমন কোনো সুযোগ নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এছাড়া অন্তর্বর্তী সরকারের শপথ অনুষ্ঠানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সেই সময় বর্তমান বিরোধী দলের নেতারা সামনের সারিতে উপস্থিত ছিলেন, যেখানে ক্ষমতাসীনদের অনেকেই পেছনে বসতে বাধ্য হয়েছিলেন। এ বাস্তবতার পরও এখন ভিন্ন অবস্থান নেওয়া যুক্তিসঙ্গত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

পুরো বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী মূলত সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের প্রতি সম্মান বজায় রাখার আহ্বান জানান এবং রাজনৈতিক অবস্থান নির্বিশেষে রাষ্ট্রীয় কাঠামোর প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

রাষ্ট্রপতি নিয়ে সংসদে বিতর্ক

প্রকাশ: ০৯:২৬:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির পদ ও মর্যাদা ঘিরে ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলের মধ্যে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সংসদের সাম্প্রতিক অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামের বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেন।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি কোনো ব্যক্তিগত পরিচয়ের বিষয় নয়, বরং এটি একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে রাষ্ট্রপতির প্রতি সম্মান দেখানো প্রত্যেকের দায়িত্ব। অতীতে শপথ গ্রহণের সময় রাষ্ট্রপতির কাছ থেকেই দায়িত্ব নিয়েছিলেন বিরোধীদলীয় নেতারা এ বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, তখন যে সম্মান প্রদর্শন করা হয়েছিল, বর্তমানে সেই একই অবস্থান থেকে সরে আসা গ্রহণযোগ্য নয়।

অর্থমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা রক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যক্তি বা রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও সাংবিধানিক পদগুলোকে সম্মান করা উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ব্যাংক খাত নিয়েও তিনি বিরোধী দলগুলোর দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, কিছু রাজনৈতিক গোষ্ঠীর সঙ্গে ব্যাংক মালিকানার সম্পর্ক রয়েছে, যা দেশের মানুষ ভালোভাবেই জানে। তিনি দাবি করেন, নির্দিষ্ট কিছু দল নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী ব্যাংকের শীর্ষ পদে নিয়োগ দিয়েছে এবং অপছন্দের ব্যক্তিদের সরিয়ে দিয়েছে। তবে বিএনপির এমন কোনো সুযোগ নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এছাড়া অন্তর্বর্তী সরকারের শপথ অনুষ্ঠানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সেই সময় বর্তমান বিরোধী দলের নেতারা সামনের সারিতে উপস্থিত ছিলেন, যেখানে ক্ষমতাসীনদের অনেকেই পেছনে বসতে বাধ্য হয়েছিলেন। এ বাস্তবতার পরও এখন ভিন্ন অবস্থান নেওয়া যুক্তিসঙ্গত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

পুরো বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী মূলত সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের প্রতি সম্মান বজায় রাখার আহ্বান জানান এবং রাজনৈতিক অবস্থান নির্বিশেষে রাষ্ট্রীয় কাঠামোর প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।