১. নামাজের প্রতি অবিচলতা: অন্তিম মুহূর্তে মারাত্মক শ্বাসকষ্টের মধ্যেও রাসুল (সা.)-এর মুখে একটি কথাই বারবার উচ্চারিত হচ্ছিল—‘সালাত, সালাত’ (অর্থাৎ তোমরা নিয়মিত নামাজ আদায় করবে)। (মুসনাদে আহমদ: ২৬৬৮৪)
২. অধীনদের সঙ্গে সদাচরণ ও মানবতা: তিনি অসিয়ত করে গেছেন, ‘তোমাদের দাস-দাসী ও অধীনদের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করো।’ অর্থাৎ তাদের সঙ্গে সর্বদা সদ্ব্যবহার ও ন্যায়সংগত আচরণ করবে। (ইবনে হিব্বান: ৬৬০৫)
৩. জীবন পরিচালনায় কোরআন ও সুন্নাহর অনুসরণ: বিদায় হজের ঐতিহাসিক ময়দানে তিনি ইরশাদ করেন, ‘আমি তোমাদের মাঝে দুটি জিনিস রেখে যাচ্ছি; যতক্ষণ তোমরা এ দুটিকে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরে রাখবে, কখনোই পথভ্রষ্ট হবে না—আল্লাহর কিতাব (কোরআন) এবং তাঁর নবীর সুন্নাহ।’ (মুসনাদে হাকেম: ৩১৮)
৪. আমানতদারি রক্ষা: বিদায় হজের মঞ্চে তিনি সুস্পষ্ট ভাষায় নির্দেশ দিয়ে গেছেন, ‘সাবধান! কারও কাছে যদি অন্যের কোনো আমানত রক্ষিত থাকে, তবে সে যেন তা যথাসময়ে প্রকৃত আমানতদাতার কাছে ফেরত দেয়।’ (মুসনাদে আহমদ: ২০৬৯৫)
৫. তাওহিদের সুরক্ষা ও শিরকের পথ রুদ্ধ করা: অন্তিম রোগশয্যায় রাসুল (সা.) সতর্ক করে বলেন, ‘ইহুদিদের প্রতি আল্লাহর অভিশাপ, কারণ তারা তাদের নবীদের কবরগুলোকে উপাসনালয়ে পরিণত করেছিল।’ (সহিহ মুসলিম: ৫২৯)
৬. অর্থনৈতিক শোষণের অবসান ও সুদ বর্জন: বিদায় হজের ভাষণে রাসুল (সা.) ঘোষণা করেন, ‘আজ থেকে জাহেলি যুগের সব ধরনের সুদ প্রথা সম্পূর্ণ বাতিল ঘোষণা করা হলো।’ (সহিহ মুসলিম: ১২১৮)
৭. নারীর অধিকার ও সম্মান প্রদর্শন: তিনি বিদায় হজে বলেন, ‘তোমরা নারীদের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করো। কারণ, তোমরা আল্লাহর অঙ্গীকারের মাধ্যমে তাদের নিজের জীবনে গ্রহণ করেছ এবং তাঁর নির্দেশেই তাদের ওপর অধিকার লাভ করেছ।’ (সহিহ মুসলিম: ১২১৮)
ইউনুস (আ.) নিনুওয়া শহরের অধিবাসীদের কাছে সুদীর্ঘকাল দাওয়াত পৌঁছে দেন। তবে তাঁর জাতি অবাধ্যতায় লিপ্ত থাকে এবং ইসলামের বাণী গ্রহণে অস্বীকৃতি জানায়। দীর্ঘদিনের বিফলতায় কষ্ট পেয়ে একপর্যায়ে তিনি আল্লাহর স্পষ্ট নির্দেশ বা অনুমতির অপেক্ষা না করেই এলাকা ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নেন।
দোয়া ইবাদতের মূল। দোয়াকারীকে আল্লাহ তাআলা ভালোবাসেন। অনেকের অভিযোগ, ‘দোয়া করি, কিন্তু কবুল হয় না।’ বস্তুত দোয়া কবুল হওয়ারও কিছু নিয়মনীতি রয়েছে। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আমাকে ডাকো।
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
দৈনিক টার্গেট 

























