সংগঠনটির প্রধান পরিচালক হুমায়ুন কবির শাবিব জানান, ৫ থেকে ১৫ বছর বয়সী যেকোনো শিশু-কিশোর এতে অংশ নিতে পারবে। আগ্রহীদের ‘ও মদিনার বুলবুলি তোমার নামের ফুল তুলি, যতন করে হৃদয় মাঝে একা একা নিরিবিলি’ অথবা পছন্দমতো যেকোনো নাতে রাসুল খালি গলায় গেয়ে ভিডিও ধারণ করে পাঠাতে হবে। অডিও কিংবা ভিডিওতে কোনো ধরনের এডিটিং গ্রহণ করা হবে না বলে তিনি জানান।
আগ্রহীদের আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে নির্ধারিত অনলাইন ফরম বা ইমেইলের মাধ্যমে ভিডিও পাঠাতে হবে। ভিডিওর সঙ্গে প্রতিযোগীর নাম, অভিভাবকের নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য ২০০ টাকা ফি প্রদান করে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হবে। একজন প্রতিযোগী একটি মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে কেবল একবারই নিবন্ধনের সুযোগ পাবেন।
‘স্বপ্নসিঁড়ি’র এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জনকারীর জন্য থাকছে পবিত্র ওমরাহ পালনের সুবর্ণ সুযোগ। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীর জন্য রয়েছে যথাক্রমে একটি ডেস্কটপ ও একটি ল্যাপটপ। এ ছাড়া সেরা ১০ বিজয়ীর হাতে তুলে দেওয়া হবে বিশেষ স্মারক ও পুরস্কার।
প্রতিযোগিতা-সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য ও আপডেট স্বপ্নসিঁড়ির অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে পাওয়া যাবে।
পবিত্র ধূলির ধরণিতে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর বরকতময় আগমন থেকে শুরু করে মহান রবের পানে প্রস্থান—সুদীর্ঘ এই পুরো জীবনপরিক্রমায় যে কয়জন ধন্য মানুষ তাঁকে সবচেয়ে কাছ থেকে দেখার ও পরম মায়ায় আগলে রাখার সৌভাগ্য লাভ করেছিলেন, তাঁদের অনন্য উচ্চতায় হজরত উম্মে আইমান (রা.)।
‘দায়েমি’ শব্দের শাব্দিক অর্থ নিরবচ্ছিন্ন, চিরন্তন, সার্বক্ষণিক বা সর্বদা পালনীয়। সাধারণ সামাজিক বা ব্যক্তিগত জীবনে এমন কিছু বিধান রয়েছে, যেগুলো নির্দিষ্ট কোনো সময় বা ইবাদতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে পালন করা আবশ্যক।
‘দোয়া’ একটি আরবি শব্দ, যার শাব্দিক অর্থ আহ্বান করা, সাহায্য প্রার্থনা করা বা সম্বোধন করা। আর ইসলামি পরিভাষায় দোয়া হলো—বান্দা কর্তৃক চরম বিনীত ও আকুলচিত্তে নিজের অক্ষমতা প্রকাশ করে মহান রবের নিকট কল্যাণ কামনা ও সাহায্য প্রার্থনা করা।
দৈনিক টার্গেট 






















