নবীজি (সা.)-কে ভালোবাসার প্রকৃত অর্থ কী

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৭:২১:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪ বার পঠিত হয়েছে

পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসুলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।’ (সুরা আল-আহজাব: ২১)। রবের ভালোবাসার পথও রাসুল (সা.)-এর অনুসরণের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। আল্লাহ তাআলা সুরা আলে ইমরানের ৩১ নম্বর আয়াতে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন—যদি মানুষ আল্লাহকে ভালোবাসতে চায়, তবে যেন রাসুল (সা.)-এর অনুসরণ করে; তবে আল্লাহও বান্দাকে ভালোবাসবেন এবং তার গুনাহ মার্জনা করবেন।

নবীপ্রেমের প্রথম ও প্রধান দাবি হলো—নিজের ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে প্রিয় নবী (সা.)-এর সুন্নতগুলো জীবন্ত করে তোলা। কথাবার্তা, পোশাকপরিচ্ছদ, আচার-ব্যবহার, লেনদেন ও ইবাদতে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর অনুকরণ করা। নফসের অন্যায় খেয়ালখুশি পরিহার করে সর্বদা সুন্নাহকে অগ্রাধিকার দেওয়া। দ্বিতীয়ত, পরিবার ও সমাজে নবীজি (সা.)-এর সুন্নতের প্রচার ও প্রসারে নিরলস চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া, যেন সাধারণ মানুষের মধ্যে তাঁর সুন্নাহ অনুসরণের স্বতঃস্ফূর্ত আগ্রহ ও অভ্যাস গড়ে ওঠে।

রাসুলুল্লাহ (সা.) ছিলেন দয়া, বিনয়, সত্যবাদিতা, আমানতদারি ও ক্ষমাশীলতার অনন্য প্রতীক। তাই সত্যিকারের নবীপ্রেম আমাদের মিথ্যা পরিহার করতে শেখায়, আমানত রক্ষা করতে উৎসাহিত করে, মা-বাবার সেবা ও মানুষের দুঃখ লাঘব করতে শেখায়। রাসুল (সা.)-এর শেখানো সালাম, ইনসাফ ও মানবিক আদর্শকে দৈনন্দিন জীবনে রূপ দেওয়ার মাধ্যমেই নবীপ্রেমের দাবি সার্থক হয়।

ইসলামি ধারার লেখকদের জাতীয় সংগঠন বাংলাদেশ ইসলামি লেখক ফোরামের ২০২৬-২০২৮ সেশনের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন লেখক ও সাংবাদিক আমিন ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন নকীব মাহমুদ। এর আগে আমিন ইকবাল সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এবং নকীব মাহমুদ সাহিত্য…

মক্কা নগরী থেকে মাত্র তিন মাইল দূরের এক ঐতিহাসিক উপত্যকা ‘আল-মুগাম্মাস’। ইতিহাসের পাতায় এই স্থানটি চিরস্মরণীয় হয়ে আছে। কারণ, এখানেই কাবা শরিফ ধ্বংসের উদ্দেশ্যে আসা আবরাহার হস্তীবাহিনী তাদের চূড়ান্ত ঘাঁটি গেড়ে ছিল। আর এখানেই ঘটেছিল অলৌকিক সেই ঘটনা—অসীম শক্তিশালী হাতি ‘মাহমুদ’ কাবাগৃহের দিকে…

পার্থিব জীবনে মানুষের আবেগ ও ভালোবাসা ক্ষণস্থায়ী হতে পারে; কিন্তু মহান আল্লাহ ও তাঁর প্রিয় রাসুল (সা.)-এর প্রতি হৃদয়ের সুগভীর ভালোবাসা মুমিনের জন্য দুনিয়া ও আখিরাতে পরম কল্যাণের দ্বার উন্মুক্ত করে দেয়।

জনপ্রিয় টার্গেট

ডেঙ্গুতে ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১২৩৩

নবীজি (সা.)-কে ভালোবাসার প্রকৃত অর্থ কী

প্রকাশ: ০৭:২১:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসুলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।’ (সুরা আল-আহজাব: ২১)। রবের ভালোবাসার পথও রাসুল (সা.)-এর অনুসরণের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। আল্লাহ তাআলা সুরা আলে ইমরানের ৩১ নম্বর আয়াতে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন—যদি মানুষ আল্লাহকে ভালোবাসতে চায়, তবে যেন রাসুল (সা.)-এর অনুসরণ করে; তবে আল্লাহও বান্দাকে ভালোবাসবেন এবং তার গুনাহ মার্জনা করবেন।

নবীপ্রেমের প্রথম ও প্রধান দাবি হলো—নিজের ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে প্রিয় নবী (সা.)-এর সুন্নতগুলো জীবন্ত করে তোলা। কথাবার্তা, পোশাকপরিচ্ছদ, আচার-ব্যবহার, লেনদেন ও ইবাদতে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর অনুকরণ করা। নফসের অন্যায় খেয়ালখুশি পরিহার করে সর্বদা সুন্নাহকে অগ্রাধিকার দেওয়া। দ্বিতীয়ত, পরিবার ও সমাজে নবীজি (সা.)-এর সুন্নতের প্রচার ও প্রসারে নিরলস চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া, যেন সাধারণ মানুষের মধ্যে তাঁর সুন্নাহ অনুসরণের স্বতঃস্ফূর্ত আগ্রহ ও অভ্যাস গড়ে ওঠে।

রাসুলুল্লাহ (সা.) ছিলেন দয়া, বিনয়, সত্যবাদিতা, আমানতদারি ও ক্ষমাশীলতার অনন্য প্রতীক। তাই সত্যিকারের নবীপ্রেম আমাদের মিথ্যা পরিহার করতে শেখায়, আমানত রক্ষা করতে উৎসাহিত করে, মা-বাবার সেবা ও মানুষের দুঃখ লাঘব করতে শেখায়। রাসুল (সা.)-এর শেখানো সালাম, ইনসাফ ও মানবিক আদর্শকে দৈনন্দিন জীবনে রূপ দেওয়ার মাধ্যমেই নবীপ্রেমের দাবি সার্থক হয়।

ইসলামি ধারার লেখকদের জাতীয় সংগঠন বাংলাদেশ ইসলামি লেখক ফোরামের ২০২৬-২০২৮ সেশনের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন লেখক ও সাংবাদিক আমিন ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন নকীব মাহমুদ। এর আগে আমিন ইকবাল সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এবং নকীব মাহমুদ সাহিত্য…

মক্কা নগরী থেকে মাত্র তিন মাইল দূরের এক ঐতিহাসিক উপত্যকা ‘আল-মুগাম্মাস’। ইতিহাসের পাতায় এই স্থানটি চিরস্মরণীয় হয়ে আছে। কারণ, এখানেই কাবা শরিফ ধ্বংসের উদ্দেশ্যে আসা আবরাহার হস্তীবাহিনী তাদের চূড়ান্ত ঘাঁটি গেড়ে ছিল। আর এখানেই ঘটেছিল অলৌকিক সেই ঘটনা—অসীম শক্তিশালী হাতি ‘মাহমুদ’ কাবাগৃহের দিকে…

পার্থিব জীবনে মানুষের আবেগ ও ভালোবাসা ক্ষণস্থায়ী হতে পারে; কিন্তু মহান আল্লাহ ও তাঁর প্রিয় রাসুল (সা.)-এর প্রতি হৃদয়ের সুগভীর ভালোবাসা মুমিনের জন্য দুনিয়া ও আখিরাতে পরম কল্যাণের দ্বার উন্মুক্ত করে দেয়।