১০:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডাকযোগে ভোট কঠিন করতে চেয়েছিলেন ট্রাম্প, ঠেকিয়ে দিল আদালত

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১০:৪২:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৬৮ বার পঠিত হয়েছে

মার্চে ট্রাম্প মেইল ভোটের নিয়ম আরও কঠোর করার লক্ষ্যে একটি নির্বাহী আদেশে সই করার পর মার্কিন ডাক পরিষেবা বা ইউএস পোস্টাল সার্ভিস নতুন নিয়মটি গ্রহণ করে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, অঙ্গরাজ্যগুলোকে ব্যালট পাঠানোর জন্য নির্ধারিত ভোটারদের একটি তালিকা ডাক পরিষেবাকে দিতে হতো। একই সঙ্গে ডাক পরিষেবা আগে অনুমোদন করেছে, এমন ধরনের ব্যালটের খাম ব্যবহার করতে হতো।

নতুন মানদণ্ড মেনে না চললে অথবা নিবন্ধিত ভোটারদের তালিকায় থাকা ব্যক্তিদের সঙ্গে ব্যালটের সম্পর্ক না থাকলে ডাক পরিষেবা ওই ব্যালট প্রত্যাখ্যান করতে পারত। তবে জেলা জজ ইন্দিরা তালওয়ানি এই নিয়মের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেন। তিনি বলেন, নিয়মটি সম্ভবত মার্কিন সংবিধান লঙ্ঘন করছে। এ ছাড়া মধ্যবর্তী নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় নিয়মটি বাস্তবে প্রয়োগ করাও অসম্ভব হয়ে পড়বে।

এর কিছুদিন পর ট্রাম্প প্রশাসন জরুরি ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টের কাছে আবেদন করে। প্রশাসন আদালতকে নিয়মটি কার্যকর করার অনুমতি দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলে, এটি মেইলকে ভোট জালিয়াতির কাজে ব্যবহার থেকে রক্ষার জন্য একটি ‘গুরুত্বপূর্ণ ফেডারেল নীতি’।

বিচারপতি স্যামুয়েল আলিটো ও বিচারপতি ক্ল্যারেন্স থমাস সংখ্যাগরিষ্ঠের সিদ্ধান্তের সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করেন। আলিটো তাঁর ভিন্নমত পোষণকারী মতামতে লেখেন, কিছু বাদীর এই মামলা করার আইনগত অধিকার বা ‘স্ট্যান্ডিং’ নেই। আর বাকি বাদীরা এমন একটি দাবি নিয়ে এগোচ্ছেন, যেটিকে আদালত সম্প্রতি ‘হেইল মেরি পাস’ বলে অভিহিত করেছিল। ‘হেইল মেরি পাস’ বলতে সাধারণত শেষ মুহূর্তের অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ প্রচেষ্টাকে বোঝানো হয়।

ট্রাম্পের নিয়োগ দেওয়া বিচারপতি ব্রেট কাভানাও প্রশাসনের বিরুদ্ধে সংখ্যাগরিষ্ঠের সঙ্গে ভোট দিয়েছেন। তবে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, পরবর্তী কোনো পর্যায়ে তিনি এই নীতিকে সমর্থন করতে পারেন।

সমালোচকেরা সতর্ক করে বলেছেন, এই বিধিনিষেধ হাজার হাজার ব্যালটের ডাকযোগে পৌঁছানো ব্যাহত করতে পারে। এতে মেইল ভোটের ওপর নির্ভরশীল বিভিন্ন গোষ্ঠী ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতে পারে। কিছু অঙ্গরাজ্যে, বিশেষ করে যেগুলো সাধারণত ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন করে, ভোটারদের বড় একটি অংশ ডাকযোগে ভোট দেন।

নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে আলাবামা, নর্থ ক্যারোলাইনা ও উইসকনসিন ইতোমধ্যে ভোটারদের কাছে ব্যালট পাঠানো শুরু করেছে। ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই ডাকযোগে ভোটের নিরাপত্তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে আসছেন। তিনি নির্বাচনে ব্যাপক জালিয়াতির বিষয়ে এমন সব দাবি বারবার করেছেন, যেগুলো ইতোমধ্যে ভিত্তিহীন বা মিথ্যা হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। তবে একই সময়ে ট্রাম্প নিজেও ডাকযোগে ভোট দিয়েছেন, যার মধ্যে ২০২৪ সালের নির্বাচনও রয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল সোমবার আবারও বলেছেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে চায়। তাঁর এই মন্তব্যে কূটনৈতিক সমঝোতার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ছে এবং বৈশ্বিক তেল সরবরাহ হুমকির মুখে পড়েছে।

ইসরায়েল ইঙ্গিত দিয়েছে, ইয়েমেনের হুতিদের বিরুদ্ধে আরও বড় ধরনের সামরিক ভূমিকা নিতে তারা প্রস্তুত। তবে ওয়াশিংটন সরাসরি হস্তক্ষেপে অনাগ্রহী হলেও সৌদি আরব ইসরায়েলের সহায়তা গ্রহণ করবে, এমন সম্ভাবনা কম। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে…

মার্কিন ম্যাগাজিন ‘দ্য পিপল’ জানায়, গত ১৭ আগস্ট তাঁর মৃত্যু হয়। তবে তাঁর মৃত্যুর সঠিক কারণ পরিবার বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি। কয়েকটি সংবাদমাধ্যম অবশ্য জানিয়েছে, হৃদ্‌যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।

জনপ্রিয় টার্গেট

ডাকযোগে ভোট কঠিন করতে চেয়েছিলেন ট্রাম্প, ঠেকিয়ে দিল আদালত

প্রকাশ: ১০:৪২:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মার্চে ট্রাম্প মেইল ভোটের নিয়ম আরও কঠোর করার লক্ষ্যে একটি নির্বাহী আদেশে সই করার পর মার্কিন ডাক পরিষেবা বা ইউএস পোস্টাল সার্ভিস নতুন নিয়মটি গ্রহণ করে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, অঙ্গরাজ্যগুলোকে ব্যালট পাঠানোর জন্য নির্ধারিত ভোটারদের একটি তালিকা ডাক পরিষেবাকে দিতে হতো। একই সঙ্গে ডাক পরিষেবা আগে অনুমোদন করেছে, এমন ধরনের ব্যালটের খাম ব্যবহার করতে হতো।

নতুন মানদণ্ড মেনে না চললে অথবা নিবন্ধিত ভোটারদের তালিকায় থাকা ব্যক্তিদের সঙ্গে ব্যালটের সম্পর্ক না থাকলে ডাক পরিষেবা ওই ব্যালট প্রত্যাখ্যান করতে পারত। তবে জেলা জজ ইন্দিরা তালওয়ানি এই নিয়মের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেন। তিনি বলেন, নিয়মটি সম্ভবত মার্কিন সংবিধান লঙ্ঘন করছে। এ ছাড়া মধ্যবর্তী নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় নিয়মটি বাস্তবে প্রয়োগ করাও অসম্ভব হয়ে পড়বে।

এর কিছুদিন পর ট্রাম্প প্রশাসন জরুরি ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টের কাছে আবেদন করে। প্রশাসন আদালতকে নিয়মটি কার্যকর করার অনুমতি দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলে, এটি মেইলকে ভোট জালিয়াতির কাজে ব্যবহার থেকে রক্ষার জন্য একটি ‘গুরুত্বপূর্ণ ফেডারেল নীতি’।

বিচারপতি স্যামুয়েল আলিটো ও বিচারপতি ক্ল্যারেন্স থমাস সংখ্যাগরিষ্ঠের সিদ্ধান্তের সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করেন। আলিটো তাঁর ভিন্নমত পোষণকারী মতামতে লেখেন, কিছু বাদীর এই মামলা করার আইনগত অধিকার বা ‘স্ট্যান্ডিং’ নেই। আর বাকি বাদীরা এমন একটি দাবি নিয়ে এগোচ্ছেন, যেটিকে আদালত সম্প্রতি ‘হেইল মেরি পাস’ বলে অভিহিত করেছিল। ‘হেইল মেরি পাস’ বলতে সাধারণত শেষ মুহূর্তের অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ প্রচেষ্টাকে বোঝানো হয়।

ট্রাম্পের নিয়োগ দেওয়া বিচারপতি ব্রেট কাভানাও প্রশাসনের বিরুদ্ধে সংখ্যাগরিষ্ঠের সঙ্গে ভোট দিয়েছেন। তবে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, পরবর্তী কোনো পর্যায়ে তিনি এই নীতিকে সমর্থন করতে পারেন।

সমালোচকেরা সতর্ক করে বলেছেন, এই বিধিনিষেধ হাজার হাজার ব্যালটের ডাকযোগে পৌঁছানো ব্যাহত করতে পারে। এতে মেইল ভোটের ওপর নির্ভরশীল বিভিন্ন গোষ্ঠী ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতে পারে। কিছু অঙ্গরাজ্যে, বিশেষ করে যেগুলো সাধারণত ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন করে, ভোটারদের বড় একটি অংশ ডাকযোগে ভোট দেন।

নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে আলাবামা, নর্থ ক্যারোলাইনা ও উইসকনসিন ইতোমধ্যে ভোটারদের কাছে ব্যালট পাঠানো শুরু করেছে। ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই ডাকযোগে ভোটের নিরাপত্তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে আসছেন। তিনি নির্বাচনে ব্যাপক জালিয়াতির বিষয়ে এমন সব দাবি বারবার করেছেন, যেগুলো ইতোমধ্যে ভিত্তিহীন বা মিথ্যা হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। তবে একই সময়ে ট্রাম্প নিজেও ডাকযোগে ভোট দিয়েছেন, যার মধ্যে ২০২৪ সালের নির্বাচনও রয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল সোমবার আবারও বলেছেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে চায়। তাঁর এই মন্তব্যে কূটনৈতিক সমঝোতার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ছে এবং বৈশ্বিক তেল সরবরাহ হুমকির মুখে পড়েছে।

ইসরায়েল ইঙ্গিত দিয়েছে, ইয়েমেনের হুতিদের বিরুদ্ধে আরও বড় ধরনের সামরিক ভূমিকা নিতে তারা প্রস্তুত। তবে ওয়াশিংটন সরাসরি হস্তক্ষেপে অনাগ্রহী হলেও সৌদি আরব ইসরায়েলের সহায়তা গ্রহণ করবে, এমন সম্ভাবনা কম। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে…

মার্কিন ম্যাগাজিন ‘দ্য পিপল’ জানায়, গত ১৭ আগস্ট তাঁর মৃত্যু হয়। তবে তাঁর মৃত্যুর সঠিক কারণ পরিবার বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি। কয়েকটি সংবাদমাধ্যম অবশ্য জানিয়েছে, হৃদ্‌যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।