বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিবিসি জানিয়েছে, গতকাল বুধবার স্পেনের সামুদ্রিক উদ্ধারকারী দল গ্রান ক্যানারিয়া দ্বীপের উপকূলীয় শহর আরগুইনেগুইনের প্রায় ৬৫ নটিক্যাল মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে নৌযানটির সন্ধান পায়। নৌযানটিতে জীবিত থাকা ৪৪ জনই সাব-সাহারান আফ্রিকার পুরুষ বলে জানিয়েছে স্প্যানিশ মেরিটাইম রেসকিউ কর্তৃপক্ষ।
মানবাধিকারকর্মী ও স্প্যানিশ দাতব্য সংস্থা ‘কামিনান্দো ফ্রন্তেরাস’-এর প্রতিষ্ঠাতা হেলেনা মালেনো গারসন জানিয়েছেন, এই যাত্রায় অন্তত ৮৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে একটি শিশুও রয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
নৌযানটি পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়া থেকে আগস্টের শুরুর দিকে যাত্রা করেছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। যাত্রার সময় এতে ১২৭ জন যাত্রী ছিলেন বলে জানা গেছে। তবে নৌযানটি উদ্ধারের সময় ঠিক কতজন যাত্রী ছিলেন, তা নিশ্চিত করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।
উদ্ধারকারী দল জানিয়েছে, নৌযানটিতে পাওয়া পাঁচটি মরদেহ তীরে নিয়ে আসা সম্ভব হয়নি। কারণ এ সময় সাগর ছিল অত্যন্ত উত্তাল। ঘণ্টায় প্রায় ২০ নটিক্যাল মাইল বেগে বাতাস এবং প্রায় আড়াই মিটার উচ্চতার ঢেউয়ের কারণে মরদেহগুলো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁদের হেলিকপ্টারে করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। অন্যদের সমুদ্রপথে গ্রান ক্যানারিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়। বৃহস্পতিবার ভোরে তারা সেখানে পৌঁছান।
পশ্চিম আফ্রিকা থেকে ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে যাওয়ার আটলান্টিক রুটটি বিশ্বের অন্যতম প্রাণঘাতী অভিবাসনপথ হিসেবে পরিচিত। প্রতিবছর হাজার হাজার অভিবাসী স্পেনের ভূখণ্ডে পৌঁছানোর আশায় এই বিপজ্জনক সমুদ্রপথ পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেন। দীর্ঘ দূরত্ব, প্রবল স্রোত এবং বৈরী আবহাওয়ার কারণে এ পথে প্রায়ই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।
নেপাল ও তিব্বতে হিমবাহ ধসে সৃষ্ট বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৭৩ জনে। আজ বৃহস্পতিবার নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এনডিআরআরএমএ) জানিয়েছে, দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ২৫২টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন ৪ হাজার ২১৬ জনেরও বেশি।
ইরানে কী হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র সবই দেখতে পায় বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘ইরানের সব যুক্তরাষ্ট্রের নজরদারির আওতায় রয়েছে। আমাদের চোখ এড়িয়ে তারা বাথরুমেও যেতে পারে না।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মুখসংবলিত ছবিসহ বিশেষ ১ ডলারের একটি মুদ্রা বাজারে ছেড়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির ২৫০ তম জন্মবার্ষিকী উদ্যাপন উপলক্ষে এই মুদ্রাটি আনা হয়েছে। গতকাল বুধবার থেকে এই মুদ্রাটি বিক্রি শুরু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মিন্ট আরও জানিয়েছে, সোনালি রঙের মুদ্রাটির এক পাশ…
দৈনিক টার্গেট 

























