রণধীর জয়সওয়াল বলেন, জাপানের সঙ্গে ভারতের ‘অত্যন্ত শক্তিশালী অংশীদারত্ব’ রয়েছে। উত্তর-পূর্ব ভারত ও জাপানকে সম্পৃক্ত করে দুই দেশের বেশ কয়েকটি উদ্যোগ চলমান রয়েছে। এসব সংযোগ আরও জোরদার করতে চায় নয়াদিল্লি। তিনি জানান, এসব উদ্যোগের অংশ হিসেবে উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলোর কর্মজীবী জনগোষ্ঠীকে জাপানি ভাষা শেখানো হচ্ছে। তাঁর মতে, এ সহযোগিতা ভারতের অভ্যন্তরে ভারত-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্বকেও আরও গতিশীল করবে। বৃহত্তর দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা কাঠামোর আওতায় উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলো জাপানের কাছ থেকে সহায়তাও পাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের টোকিও সফরে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে স্বাক্ষরিত একাধিক চুক্তির অন্যতম লক্ষ্য মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা শিল্পাঞ্চলের উন্নয়ন এগিয়ে নেওয়া। সফরকালে তারেক রহমান জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি এবং দেশটির শীর্ষস্থানীয় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
জাপানের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, মাতারবাড়ী বন্দরের সঙ্গে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সংযোগ স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। এর মাধ্যমে শিল্পাঞ্চলটির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রথম গভীর সমুদ্রবন্দরটির কার্যকর ব্যবহার বাড়ানো সম্ভব হবে বলে মনে করছে দেশটি।
বর্তমানে বড় আকারের জাহাজ পরিচালনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের বন্দরগুলোর ওপর নির্ভরশীল। মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিত শিল্পাঞ্চলটির উন্নয়ন এবং ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন এ পরিস্থিতিতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অভিন্ন সমৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘বিগ-বি (বে অব বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ বেল্ট) ’ উদ্যোগের ভিত্তিতে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরকে কেন্দ্র করে মাতারবাড়ী-মহেশখালী এলাকাকে সরবরাহ ও পণ্য পরিবহন, জ্বালানি এবং শিল্পের একটি প্রধান কেন্দ্রে পরিণত করতে দুই দেশ যৌথভাবে কাজ করবে।

দৈনিক টার্গেট 


-greets-Gautam-Adani-5f9f06-256x144.webp)
























