ইরানের হামলায় উপসাগরীয় চার দেশে মার্কিন স্থাপনায় ক্ষতি ১৮৪ মিলিয়ন ডলার

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০১:৫৫:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩ বার পঠিত হয়েছে

পেন্টাগনের ইন্সপেক্টর জেনারেলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরাক, কুয়েত, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে মার্কিন স্থাপনাগুলো এ হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার পর ইন্সপেক্টর জেনারেলের কার্যালয় থেকে এটি প্রথম প্রকাশিত প্রতিবেদন।

প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে ইরাকে। সেখানে ক্ষতির পরিমাণ ১৫৭ মিলিয়ন ডলারের বেশি। এরপর কুয়েতে ১৪ মিলিয়ন ডলারের বেশি এবং সৌদি আরবে প্রায় ১১ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হয়েছে। ইউএইতে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক স্থাপনায় ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক ১ লাখ ২৫ হাজার ডলার। ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের মিশনেই ইরানের ৬০০ টির বেশি হামলা হয়েছে।

২৮ ফেব্রুয়ারি ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরুর পর থেকে ইরানের বাহিনী উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক ও গোয়েন্দা স্থাপনাগুলো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৯ জুন পর্যন্ত যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় প্রায় ৩৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার বলে হিসাব করেছে পেন্টাগন। তবে ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো মেরামতের খরচ এই হিসাবের মধ্যে ধরা হয়নি।

জুলাইয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ সিনেটরদের জানিয়েছিলেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের আনুমানিক ব্যয় বেড়ে ৩৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। তবে কয়েকজন বিশেষজ্ঞ বলেছেন, প্রকৃত ব্যয় এর চেয়ে বেশি হতে পারে।

মার্কিন কংগ্রেসের নির্দলীয় বাজেট বিশ্লেষক সংস্থা কংগ্রেসনাল বাজেট অফিস (সিবিও) জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে ছয় মাস ধরে চলা যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের এখন পর্যন্ত ৩৮ বিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে। প্রতি মাসে এই ব্যয় আরও ৩ বিলিয়ন ডলার করে বাড়তে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

যুদ্ধের বাড়তে থাকা ব্যয় যুক্তরাষ্ট্রের অবনতিশীল আর্থিক অবস্থার ওপরও চাপ তৈরি করছে। আগস্টে দেশটির মোট সরকারি ঋণের পরিমাণ ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান যুদ্ধের সঙ্গে ১১ সেপ্টেম্বর ২০০১-এর হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের ইরাক ও আফগানিস্তানে চালানো সামরিক অভিযানের তুলনা করেন।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের আট বছরব্যাপী যুদ্ধে সর্বোচ্চ পর্যায়ে এক লাখের বেশি স্থলসেনা মোতায়েন ছিল এবং ওই যুদ্ধে প্রায় ২ ট্রিলিয়ন ডলার খরচ হয়।

অন্য দিকে, আফগানিস্তানে দুই দশক ধরে চলা যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধে সবচেয়ে তীব্র সময়ে এক লাখের বেশি সেনা মোতায়েন ছিল। ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘কস্টস অব ওয়ার’ প্রকল্পের তথ্য অনুযায়ী, ওই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় হয়েছে ২ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন ডলার।

ভক্তদের বিশ্বাস, মন্দিরের মেহেদি পরলে এক বছরের মধ্যেই বিয়ে হয়ে যাবে। আর এই বিশ্বাস থেকে মেহেদি নিতে মানুষের ঢল নামল ভারতের জয়পুরের বিখ্যাত মোতি ডুংরি গণেশ মন্দিরে। মাত্র তিন ঘণ্টাতেই শেষ হয়ে যায় প্রায় তিন হাজার ৫০০ কেজি মেহেদি।

ব্রিকস সম্মেলনে বিশ্বনেতাদের জন্য শুধু নিরামিষ খাবারের আয়োজন করে ভারত নিরামিষ খাবারের মানদণ্ড চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নয়া দিল্লিতে আয়োজিত ওই নৈশভোজে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানসহ বিশ্বনেতারা অংশ নেন। সেখানে ১০ টিরও বেশি নিরামিষ…

ইসরায়েলকে ২ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারের একটি অস্ত্র প্যাকেজ দিতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এই অস্ত্রের অর্থের পুরোটা মার্কিন করদাতাদের বহন করতে হবে। প্যাকেজে ২ হাজার পাউন্ড ওজনের বোমাও থাকছে। মার্কিন এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট।

জনপ্রিয় টার্গেট

স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হঠাৎ এমপি, প্রধান ফটকে তালা—বেড়া টপকে ঢুকে যা দেখলেন

ইরানের হামলায় উপসাগরীয় চার দেশে মার্কিন স্থাপনায় ক্ষতি ১৮৪ মিলিয়ন ডলার

প্রকাশ: ০১:৫৫:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পেন্টাগনের ইন্সপেক্টর জেনারেলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরাক, কুয়েত, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে মার্কিন স্থাপনাগুলো এ হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার পর ইন্সপেক্টর জেনারেলের কার্যালয় থেকে এটি প্রথম প্রকাশিত প্রতিবেদন।

প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে ইরাকে। সেখানে ক্ষতির পরিমাণ ১৫৭ মিলিয়ন ডলারের বেশি। এরপর কুয়েতে ১৪ মিলিয়ন ডলারের বেশি এবং সৌদি আরবে প্রায় ১১ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হয়েছে। ইউএইতে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক স্থাপনায় ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক ১ লাখ ২৫ হাজার ডলার। ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের মিশনেই ইরানের ৬০০ টির বেশি হামলা হয়েছে।

২৮ ফেব্রুয়ারি ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরুর পর থেকে ইরানের বাহিনী উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক ও গোয়েন্দা স্থাপনাগুলো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৯ জুন পর্যন্ত যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় প্রায় ৩৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার বলে হিসাব করেছে পেন্টাগন। তবে ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো মেরামতের খরচ এই হিসাবের মধ্যে ধরা হয়নি।

জুলাইয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ সিনেটরদের জানিয়েছিলেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের আনুমানিক ব্যয় বেড়ে ৩৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। তবে কয়েকজন বিশেষজ্ঞ বলেছেন, প্রকৃত ব্যয় এর চেয়ে বেশি হতে পারে।

মার্কিন কংগ্রেসের নির্দলীয় বাজেট বিশ্লেষক সংস্থা কংগ্রেসনাল বাজেট অফিস (সিবিও) জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে ছয় মাস ধরে চলা যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের এখন পর্যন্ত ৩৮ বিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে। প্রতি মাসে এই ব্যয় আরও ৩ বিলিয়ন ডলার করে বাড়তে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

যুদ্ধের বাড়তে থাকা ব্যয় যুক্তরাষ্ট্রের অবনতিশীল আর্থিক অবস্থার ওপরও চাপ তৈরি করছে। আগস্টে দেশটির মোট সরকারি ঋণের পরিমাণ ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান যুদ্ধের সঙ্গে ১১ সেপ্টেম্বর ২০০১-এর হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের ইরাক ও আফগানিস্তানে চালানো সামরিক অভিযানের তুলনা করেন।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের আট বছরব্যাপী যুদ্ধে সর্বোচ্চ পর্যায়ে এক লাখের বেশি স্থলসেনা মোতায়েন ছিল এবং ওই যুদ্ধে প্রায় ২ ট্রিলিয়ন ডলার খরচ হয়।

অন্য দিকে, আফগানিস্তানে দুই দশক ধরে চলা যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধে সবচেয়ে তীব্র সময়ে এক লাখের বেশি সেনা মোতায়েন ছিল। ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘কস্টস অব ওয়ার’ প্রকল্পের তথ্য অনুযায়ী, ওই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় হয়েছে ২ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন ডলার।

ভক্তদের বিশ্বাস, মন্দিরের মেহেদি পরলে এক বছরের মধ্যেই বিয়ে হয়ে যাবে। আর এই বিশ্বাস থেকে মেহেদি নিতে মানুষের ঢল নামল ভারতের জয়পুরের বিখ্যাত মোতি ডুংরি গণেশ মন্দিরে। মাত্র তিন ঘণ্টাতেই শেষ হয়ে যায় প্রায় তিন হাজার ৫০০ কেজি মেহেদি।

ব্রিকস সম্মেলনে বিশ্বনেতাদের জন্য শুধু নিরামিষ খাবারের আয়োজন করে ভারত নিরামিষ খাবারের মানদণ্ড চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নয়া দিল্লিতে আয়োজিত ওই নৈশভোজে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানসহ বিশ্বনেতারা অংশ নেন। সেখানে ১০ টিরও বেশি নিরামিষ…

ইসরায়েলকে ২ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারের একটি অস্ত্র প্যাকেজ দিতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এই অস্ত্রের অর্থের পুরোটা মার্কিন করদাতাদের বহন করতে হবে। প্যাকেজে ২ হাজার পাউন্ড ওজনের বোমাও থাকছে। মার্কিন এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট।