রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানায়, গত জানুয়ারিতে ইরানের বিভিন্ন শহরে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে যোগ দিয়েছিলেন দুই বোন। অভিযোগ রয়েছে, বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার প্রায় এক মাস পর গভীর রাতে মুখোশধারী কয়েক ব্যক্তি তাঁদের বাড়িতে ঢুকে তুলে নিয়ে যায়। পরে জানা যায়, মুখোশধারী ওই ব্যক্তিরা ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) সদস্য ছিলেন।
প্রায় চার মাস ধরে হাসপাতাল ও বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে খোঁজ করেও মেয়েদের কোনো সন্ধান পাননি তারানেহ ও রোমিনার মা মারজিয়েহ নুরমোহাম্মাদি। পরে তাঁকে জানানো হয়, তাঁর দুই মেয়েকে কারাগারে রাখা হয়েছে।
গত মে মাসে ইসফাহানের দৌলতাবাদ কারাগারে মেয়েদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে ভয়াবহ দৃশ্য দেখেন মা। যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী তাঁদের চাচাতো ভাই মাসউদ নুরমোহাম্মাদির দাবি, মারধরের কারণে দুই বোনের মুখ ফুলে গিয়েছিল, শরীরজুড়ে ছিল আঘাতের চিহ্ন। চুল ধরে টেনে এক সেল থেকে অন্য সেলে নেওয়ায় তাদের মাথার বিভিন্ন অংশে চুল উঠে গিয়েছিল। তাদের কনুই, আঙুলের গাঁট ও পায়েও গুরুতর আঘাত ছিল বলে পরিবারের দাবি।
তারানেহ আদালতে অভিযোগ করেন, নির্যাতনের মাধ্যমে তাঁর কাছ থেকে স্বীকারোক্তি নেওয়া হয়েছে। এমনকি স্বীকারোক্তিতে সই না করলে তাঁর চোখের সামনে রোমিনাকে কারারক্ষীরা ধর্ষণ করবে—এমন হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন। তাঁদের বিচারে মা উপস্থিত থাকতে পারেননি। বিক্ষোভে সহিংসতায় জড়িত থাকার কোনো প্রমাণও পরিবার বা আইনজীবীদের সামনে উপস্থাপন করা হয়নি বলে দাবি করা হয়েছে।
দুই বোনের শাস্তির ব্যবধানের কারণও স্পষ্ট নয়। তাঁদের চাচাতো ভাইয়ের ভাষ্য, ইরানে সাম্প্রতিক মৃত্যুদণ্ডের অনেক মামলায় আপিলের সুযোগ গ্রহণের আগেই সাজা কার্যকর করা হচ্ছে।
এদিকে চলতি বছরে ইরানে ৫০০-এর বেশি মানুষের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে জানুয়ারির সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্তত ২৯ জন রয়েছেন। অন্তত ১৬ জন নারীও মৃত্যুদণ্ডের শিকার হয়েছেন। ইসফাহানেই ৭০-এর বেশি বিক্ষোভকারী মৃত্যুদণ্ডের মুখোমুখি বলে জানা গেছে।
গত মাসে যুক্তরাজ্যসহ ৩১টি দেশ জানুয়ারির বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ডের নিন্দা জানিয়ে যৌথ বিবৃতি দিয়েছে। দেশগুলোর মতে, এসব মৃত্যুদণ্ড ভিন্নমত দমনের উদ্দেশে দেওয়া হচ্ছে।
তারানেহ ও রোমিনার পরিবারের সদস্যদের দাবি, এই দুই বোনের বিরুদ্ধে নেওয়া ব্যবস্থা শুধু তাদের শাস্তি নয়; বরং ইরানের সাধারণ মানুষকে ভয় দেখানোরও একটি কৌশল।
কলকাতায় চিকিৎসা পর্যটনে ধস নামার পর পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং রোগীদের নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করতে বিশেষ পদক্ষেপ নিয়েছে কলকাতার বড় হাসপাতালগুলো। বাংলাদেশে দল পাঠানো থেকে শুরু করে সংলগ্ন এলাকার বৈধ হোটেলগুলোর সঙ্গে চুক্তি—হরেক রকমের উদ্যোগ নিচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
ভারতের মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের সাগর জেলায় বিষাক্ত মদ পানে অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও দশজনেরও বেশি মানুষ।
মাদকসংক্রান্ত অপরাধের দায়ে মিসরের টেলিভিশন উপস্থাপক সারা খলিফাসহ ১১ জনকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংবাদপত্র আল-আহরাম-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাঁরা একটি অপরাধী চক্রের সদস্য ছিলেন।
দৈনিক টার্গেট 


























