০৯:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী পদে আইজেনকটের পক্ষে ৬৭ আইনপ্রণেতা, সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত রোববার

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৮:৪৭:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬
  • ৯ বার পঠিত হয়েছে

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েলের খবরে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট হেরজগ জানান—৬৭ জন আইনপ্রণেতার প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলো আইজেনকটকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সমর্থন দিয়েছে। অন্যদিকে, ৪৬ জন আইনপ্রণেতার প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলো বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর পক্ষে সুপারিশ করেছে। ফলাফল স্পষ্ট হলেও সরকার গঠনের দায়িত্ব দেওয়ার আগে রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে আরও আলোচনা করবেন তিনি। আগামী রোববার এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা রয়েছে।

এদিকে, আইজেনকটকে দ্রুত সরকার গঠনের দায়িত্ব দিতে প্রেসিডেন্টের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে তাঁর দল ইয়াশার। দলটির দাবি, ২০১৫ সালের পর কোনো প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থীর পক্ষে এটিই সর্বোচ্চসংখ্যক আইনপ্রণেতার সুপারিশ।

তবে সংখ্যাগরিষ্ঠ আইনপ্রণেতার সমর্থন পেলেও সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় জোট তৈরি করা আইজেনকটের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে রয়েছে। নেতানিয়াহুবিরোধী ছয়টি দল দুটি শিবিরে বিভক্ত। চারটি ইহুদি-নেতৃত্বাধীন দলের জোটে রয়েছেন ৪৮ জন আইনপ্রণেতা। অন্যদিকে, দুটি আরব-নেতৃত্বাধীন দলের জোটে রয়েছেন ১৯ জন। ছয়টি দলই আইজেনকটকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সমর্থন করলেও ইহুদি-নেতৃত্বাধীন তিনটি দল এখন পর্যন্ত আরব দলগুলোর সঙ্গে সরকার গঠনে রাজি নয়।

গত সপ্তাহের নির্বাচনে নেতানিয়াহুর বিদায়ী জোট ৫৩টি আসন পেয়েছে। তবে সাত আসনের ইউনাইটেড তোরাহ জুদাইজম (ইউটিজে) নেতানিয়াহুকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সমর্থন জানায়নি। এতে দলটির ভবিষ্যতে আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন সরকারকে সমর্থন দেওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

এদিকে, ইসরায়েল বেইতেনু পার্টির চেয়ারম্যান আভিগদর লাইবারম্যান হারেদি বা অতি-ধর্মীয় ইহুদি দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠনে দীর্ঘদিনের আপত্তি থেকে সরে এসেছেন বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সম্প্রচারমাধ্যম চ্যানেল–১২ নিউজ। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরানোকে অগ্রাধিকার দিয়ে ইউটিজের সঙ্গে জোট গঠনের বিষয়টি বিবেচনা করছেন লাইবারম্যান।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আরব-নেতৃত্বাধীন দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠন কিংবা তাদের সমর্থনের ওপর নির্ভর করার চেয়ে হারেদি দলগুলোর সঙ্গে সরকার গঠনকে বেশি গ্রহণযোগ্য মনে করছেন লাইবারম্যান। সম্ভাব্য এ সরকারে আইজেনকট ও লাইবারম্যানের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী পদে পর্যায়ক্রমে দায়িত্ব পালনের সমঝোতা হতে পারে। পাশাপাশি হারেদি সম্প্রদায়ের সদস্যদের সামরিক বাহিনীতে বাধ্যতামূলক নিয়োগের বিষয়েও আলোচনা হতে পারে।

সরকার গঠন নিয়ে অচলাবস্থার মধ্যেই আগামী ১০ নভেম্বর শপথ নিতে যাচ্ছে নতুন নেসেট। শপথের পরপরই নতুন স্পিকার নির্বাচনের কথা রয়েছে। এতে ক্ষমতাসীন লিকুদ পার্টির বর্তমান স্পিকার আমির ওহানাকে সরিয়ে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। স্পিকার পার্লামেন্টীয় কার্যক্রম পরিচালনা এবং আইন প্রণয়নের এজেন্ডা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

বৃহস্পতিবার আরব দল রা’আম আনুষ্ঠানিকভাবে ইয়াশার, জয়েন্ট (আরব) লিস্ট, ইসরায়েল বেইতেনু এবং দ্য ডেমোক্র্যাটসের সঙ্গে দ্রুত নতুন স্পিকার নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে। বর্তমান স্পিকার ওহানা জানিয়েছেন, অন্তত ৬১ জন আইনপ্রণেতা আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন স্পিকার নির্বাচনের দাবি জানালে এ বিষয়ে পার্লামেন্টে বিতর্কের আয়োজন করবেন তিনি।

প্রেসিডেন্ট হেরজগের সঙ্গে বৈঠকে রা’আম পার্টির নেতা মানসুর আব্বাস হামাসকে স্পষ্টভাবে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে স্বীকৃতি দেননি। যদিও তিনি অতীতে বারবার সন্ত্রাসবাদ ও রাজনৈতিক সহিংসতার নিন্দা জানিয়েছেন এবং হামাসকে নিরস্ত্র করে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

আইজেনকট তাঁর সম্ভাব্য সরকারে যোগ দিতে আগ্রহী দলগুলোর জন্য হামাসকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়াকে অন্যতম শর্ত করেছেন। তবে আব্বাস আশা প্রকাশ করেছেন, আইজেনকট একটি ‘ভালো সরকার’ গঠন করতে পারবেন। ২০২১ সালে ইয়াইর লাপিদ ও নাফতালি বেনেতের সঙ্গে তাঁর গঠিত সরকারের প্রসঙ্গ টেনে আব্বাস বলেন, ওই সরকারের সবচেয়ে খারাপ দিনটিও নিরাপত্তা, জাতীয় ও ব্যক্তিগত সুরক্ষা এবং বেসামরিক বিষয়াদির দিক থেকে পুরোপুরি ডানপন্থী সরকারের চেয়ে অসীম গুণ ভালো ছিল।

রা’আম এমন কোনো সরকারের অংশ হতে পারবে কি না, যে সরকার সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কোনো সীমাবদ্ধতা ছাড়াই লড়াই করবে, প্রেসিডেন্ট হেরজগের এমন প্রশ্নের জবাবে আব্বাস বলেন, ‘কোনো সরকার বা মন্ত্রিসভাকে ইসরায়েলি নাগরিকদের রক্ষা করতে বাধা দেবে রা’আমের অংশগ্রহণ, এমন দাবি সঠিক নয়।’

রা’আম পার্টির দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা ইয়োভ সেগালোভিৎস ইসরায়েলের চলমান রাজনৈতিক আলোচনাকে ‘বিষাক্ত’ বলে মন্তব্য করেছেন। ইসলামপন্থী দলটির প্রথম ইহুদি প্রার্থী হিসেবে ইতিহাস গড়া সেগালোভিৎসের অভিযোগ, এ ধরনের রাজনৈতিক বক্তব্য ছড়ানোর নেতৃত্ব দিচ্ছেন নেতানিয়াহু।

জলপাই সংগ্রহে ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়ালেন ইসরায়েলের সাবেক জেনারেলরা

জলপাই সংগ্রহে ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়ালেন ইসরায়েলের সাবেক জেনারেলরা

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের হামলা ও নানা বিধিনিষেধের কারণে ফিলিস্তিনি কৃষকদের জলপাই সংগ্রহ কঠিন হয়ে উঠেছে। এমন পরিস্থিতিতে ফিলিস্তিনি কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়েছেন ইসরায়েলের সাবেক কয়েকজন সামরিক কর্মকর্তা।

ইরানকে ৯০টি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণব্যবস্থা দিচ্ছে রাশিয়া

ইরানকে ৯০টি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণব্যবস্থা দিচ্ছে রাশিয়া

ইউক্রেন যুদ্ধে রুশ বাহিনীর বহুল ব্যবহৃত উন্নত গাইডেড মিসাইল বা ক্ষেপণাস্ত্রের ৯০টি লঞ্চার ইরানকে সরবরাহ করতে সম্মত হয়েছে রাশিয়া। নিজস্ব যুদ্ধের চাহিদা ও সামরিক সংকটের মধ্যেও তেহরানকে অস্ত্র সরবরাহে মস্কোর এই উদ্যোগ দুই দেশের ক্রমবর্ধমান সামরিক সহযোগিতার নতুন প্রমাণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

গাজার অঙ্গ হারানো ১১৩৪ শিশুকে বিদেশে যেতে দিচ্ছে না ইসরায়েল

গাজার অঙ্গ হারানো ১১৩৪ শিশুকে বিদেশে যেতে দিচ্ছে না ইসরায়েল

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় অঙ্গহারা শিশুদের বিদেশে চিকিৎসা নেওয়ার ক্ষেত্রে বাধা দিচ্ছে ইসরায়েল। সীমান্ত ক্রসিং বন্ধ রাখা এবং ভ্রমণসংক্রান্ত বিধিনিষেধের কারণে শত শত শিশু বিশেষায়িত চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে জেনেভাভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ইউরো-মেড হিউম্যান রাইটস মনিটর।

জনপ্রিয় টার্গেট

এক দিনেই মার্কিন শেয়ারবাজার থেকে উধাও ২.৫ ট্রিলিয়ন ডলার, নেপথ্যে কিসের আশঙ্কা

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী পদে আইজেনকটের পক্ষে ৬৭ আইনপ্রণেতা, সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত রোববার

প্রকাশ: ০৮:৪৭:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েলের খবরে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট হেরজগ জানান—৬৭ জন আইনপ্রণেতার প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলো আইজেনকটকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সমর্থন দিয়েছে। অন্যদিকে, ৪৬ জন আইনপ্রণেতার প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলো বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর পক্ষে সুপারিশ করেছে। ফলাফল স্পষ্ট হলেও সরকার গঠনের দায়িত্ব দেওয়ার আগে রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে আরও আলোচনা করবেন তিনি। আগামী রোববার এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা রয়েছে।

এদিকে, আইজেনকটকে দ্রুত সরকার গঠনের দায়িত্ব দিতে প্রেসিডেন্টের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে তাঁর দল ইয়াশার। দলটির দাবি, ২০১৫ সালের পর কোনো প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থীর পক্ষে এটিই সর্বোচ্চসংখ্যক আইনপ্রণেতার সুপারিশ।

তবে সংখ্যাগরিষ্ঠ আইনপ্রণেতার সমর্থন পেলেও সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় জোট তৈরি করা আইজেনকটের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে রয়েছে। নেতানিয়াহুবিরোধী ছয়টি দল দুটি শিবিরে বিভক্ত। চারটি ইহুদি-নেতৃত্বাধীন দলের জোটে রয়েছেন ৪৮ জন আইনপ্রণেতা। অন্যদিকে, দুটি আরব-নেতৃত্বাধীন দলের জোটে রয়েছেন ১৯ জন। ছয়টি দলই আইজেনকটকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সমর্থন করলেও ইহুদি-নেতৃত্বাধীন তিনটি দল এখন পর্যন্ত আরব দলগুলোর সঙ্গে সরকার গঠনে রাজি নয়।

গত সপ্তাহের নির্বাচনে নেতানিয়াহুর বিদায়ী জোট ৫৩টি আসন পেয়েছে। তবে সাত আসনের ইউনাইটেড তোরাহ জুদাইজম (ইউটিজে) নেতানিয়াহুকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সমর্থন জানায়নি। এতে দলটির ভবিষ্যতে আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন সরকারকে সমর্থন দেওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

এদিকে, ইসরায়েল বেইতেনু পার্টির চেয়ারম্যান আভিগদর লাইবারম্যান হারেদি বা অতি-ধর্মীয় ইহুদি দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠনে দীর্ঘদিনের আপত্তি থেকে সরে এসেছেন বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সম্প্রচারমাধ্যম চ্যানেল–১২ নিউজ। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরানোকে অগ্রাধিকার দিয়ে ইউটিজের সঙ্গে জোট গঠনের বিষয়টি বিবেচনা করছেন লাইবারম্যান।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আরব-নেতৃত্বাধীন দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠন কিংবা তাদের সমর্থনের ওপর নির্ভর করার চেয়ে হারেদি দলগুলোর সঙ্গে সরকার গঠনকে বেশি গ্রহণযোগ্য মনে করছেন লাইবারম্যান। সম্ভাব্য এ সরকারে আইজেনকট ও লাইবারম্যানের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী পদে পর্যায়ক্রমে দায়িত্ব পালনের সমঝোতা হতে পারে। পাশাপাশি হারেদি সম্প্রদায়ের সদস্যদের সামরিক বাহিনীতে বাধ্যতামূলক নিয়োগের বিষয়েও আলোচনা হতে পারে।

সরকার গঠন নিয়ে অচলাবস্থার মধ্যেই আগামী ১০ নভেম্বর শপথ নিতে যাচ্ছে নতুন নেসেট। শপথের পরপরই নতুন স্পিকার নির্বাচনের কথা রয়েছে। এতে ক্ষমতাসীন লিকুদ পার্টির বর্তমান স্পিকার আমির ওহানাকে সরিয়ে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। স্পিকার পার্লামেন্টীয় কার্যক্রম পরিচালনা এবং আইন প্রণয়নের এজেন্ডা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

বৃহস্পতিবার আরব দল রা’আম আনুষ্ঠানিকভাবে ইয়াশার, জয়েন্ট (আরব) লিস্ট, ইসরায়েল বেইতেনু এবং দ্য ডেমোক্র্যাটসের সঙ্গে দ্রুত নতুন স্পিকার নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে। বর্তমান স্পিকার ওহানা জানিয়েছেন, অন্তত ৬১ জন আইনপ্রণেতা আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন স্পিকার নির্বাচনের দাবি জানালে এ বিষয়ে পার্লামেন্টে বিতর্কের আয়োজন করবেন তিনি।

প্রেসিডেন্ট হেরজগের সঙ্গে বৈঠকে রা’আম পার্টির নেতা মানসুর আব্বাস হামাসকে স্পষ্টভাবে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে স্বীকৃতি দেননি। যদিও তিনি অতীতে বারবার সন্ত্রাসবাদ ও রাজনৈতিক সহিংসতার নিন্দা জানিয়েছেন এবং হামাসকে নিরস্ত্র করে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

আইজেনকট তাঁর সম্ভাব্য সরকারে যোগ দিতে আগ্রহী দলগুলোর জন্য হামাসকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়াকে অন্যতম শর্ত করেছেন। তবে আব্বাস আশা প্রকাশ করেছেন, আইজেনকট একটি ‘ভালো সরকার’ গঠন করতে পারবেন। ২০২১ সালে ইয়াইর লাপিদ ও নাফতালি বেনেতের সঙ্গে তাঁর গঠিত সরকারের প্রসঙ্গ টেনে আব্বাস বলেন, ওই সরকারের সবচেয়ে খারাপ দিনটিও নিরাপত্তা, জাতীয় ও ব্যক্তিগত সুরক্ষা এবং বেসামরিক বিষয়াদির দিক থেকে পুরোপুরি ডানপন্থী সরকারের চেয়ে অসীম গুণ ভালো ছিল।

রা’আম এমন কোনো সরকারের অংশ হতে পারবে কি না, যে সরকার সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কোনো সীমাবদ্ধতা ছাড়াই লড়াই করবে, প্রেসিডেন্ট হেরজগের এমন প্রশ্নের জবাবে আব্বাস বলেন, ‘কোনো সরকার বা মন্ত্রিসভাকে ইসরায়েলি নাগরিকদের রক্ষা করতে বাধা দেবে রা’আমের অংশগ্রহণ, এমন দাবি সঠিক নয়।’

রা’আম পার্টির দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা ইয়োভ সেগালোভিৎস ইসরায়েলের চলমান রাজনৈতিক আলোচনাকে ‘বিষাক্ত’ বলে মন্তব্য করেছেন। ইসলামপন্থী দলটির প্রথম ইহুদি প্রার্থী হিসেবে ইতিহাস গড়া সেগালোভিৎসের অভিযোগ, এ ধরনের রাজনৈতিক বক্তব্য ছড়ানোর নেতৃত্ব দিচ্ছেন নেতানিয়াহু।

জলপাই সংগ্রহে ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়ালেন ইসরায়েলের সাবেক জেনারেলরা

জলপাই সংগ্রহে ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়ালেন ইসরায়েলের সাবেক জেনারেলরা

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের হামলা ও নানা বিধিনিষেধের কারণে ফিলিস্তিনি কৃষকদের জলপাই সংগ্রহ কঠিন হয়ে উঠেছে। এমন পরিস্থিতিতে ফিলিস্তিনি কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়েছেন ইসরায়েলের সাবেক কয়েকজন সামরিক কর্মকর্তা।

ইরানকে ৯০টি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণব্যবস্থা দিচ্ছে রাশিয়া

ইরানকে ৯০টি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণব্যবস্থা দিচ্ছে রাশিয়া

ইউক্রেন যুদ্ধে রুশ বাহিনীর বহুল ব্যবহৃত উন্নত গাইডেড মিসাইল বা ক্ষেপণাস্ত্রের ৯০টি লঞ্চার ইরানকে সরবরাহ করতে সম্মত হয়েছে রাশিয়া। নিজস্ব যুদ্ধের চাহিদা ও সামরিক সংকটের মধ্যেও তেহরানকে অস্ত্র সরবরাহে মস্কোর এই উদ্যোগ দুই দেশের ক্রমবর্ধমান সামরিক সহযোগিতার নতুন প্রমাণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

গাজার অঙ্গ হারানো ১১৩৪ শিশুকে বিদেশে যেতে দিচ্ছে না ইসরায়েল

গাজার অঙ্গ হারানো ১১৩৪ শিশুকে বিদেশে যেতে দিচ্ছে না ইসরায়েল

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় অঙ্গহারা শিশুদের বিদেশে চিকিৎসা নেওয়ার ক্ষেত্রে বাধা দিচ্ছে ইসরায়েল। সীমান্ত ক্রসিং বন্ধ রাখা এবং ভ্রমণসংক্রান্ত বিধিনিষেধের কারণে শত শত শিশু বিশেষায়িত চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে জেনেভাভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ইউরো-মেড হিউম্যান রাইটস মনিটর।