গলফ খেলতে বলুন, এশিয়া কাপের ট্রফি বিতর্কে কপিল

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০১:২৫:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪ বার পঠিত হয়েছে

রোববার দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে নারী টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপের শিরোপা জেতে ভারত। তবে ম্যাচ শেষে ট্রফি প্রদান অনুষ্ঠান নিয়ে তৈরি হয় অস্বাভাবিক পরিস্থিতি। এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) সভাপতি মহসিন নাকভির কাছ থেকে ট্রফি নিতে ভারতীয় দলের খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফরা মাঠে আসেননি। নাকভি একই সঙ্গে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান।

নাভা রায়পুর ওপেন ২০২৬ গলফ টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ ঘটনা নিয়ে কপিলকে প্রশ্ন করা হয়। পেশাদার গলফ ট্যুর অব ইন্ডিয়ার সভাপতি কপিল তখন বলেন, ‘সবাইকে গলফ খেলতে বলুন।’ ভারতের ট্রফি গ্রহণ না করার সিদ্ধান্তের প্রসঙ্গেই এই মন্তব্য করেন তিনি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রফি প্রদান অনুষ্ঠানের প্রটোকল আগে থেকেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল। বিজয়ী ভারতীয় দলের জন্য ট্রফিও প্রস্তুত ছিল। কিন্তু নাকভি থাকায় খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফরা ট্রফি না নিয়ে ড্রেসিংরুমে ফিরে যান।

অন্যদিকে রানার্সআপ শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক চামারি আতাপাত্তু নাকভির কাছ থেকে পুরস্কারের অর্থের চেক গ্রহণ করেন। এসিসির সূত্র জানিয়েছে, ভারতীয় দলের ট্রফি তাদের জন্য রাখা হয়েছে।

শিরোপা জয়ের পর ভারতীয় খেলোয়াড়রা আলাদাভাবে উদযাপন করেন। দলের প্রধান কোচ আমোল মুজুমদার খেলোয়াড়দের অভিনন্দন জানান। পরে বিসিসিআইয়ের সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া ও সহসভাপতি রাজীব শুক্লা সেই উদযাপনে যোগ দেন এবং খেলোয়াড়দের পদক তুলে দেন।

এবারের ঘটনার সঙ্গে ২০২৫ সালের পুরুষদের এশিয়া কাপ ফাইনালেরও মিল রয়েছে। দুবাইয়ে পাকিস্তানকে পাঁচ উইকেটে হারিয়ে ভারত শিরোপা জেতার পর নাকভির কাছ থেকে ট্রফি গ্রহণ করেনি ভারতীয় দল।

দুই গোলের লিড ধরে রাখতে পারেনি রিয়াল মাদ্রিদ। শেষ পর্যন্ত ৯১তম মিনিটে কার্লোস এস্পির গোলে লা লিগায় এলচেকে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়েছে তারা। ম্যাচের শেষ দিকে একসঙ্গে একাধিক আক্রমণাত্মক খেলোয়াড় মাঠে নামিয়ে বড় ঝুঁকি নিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন রিয়াল কোচ জোসে মরিনিও।

চীনের জুনিয়র এশিয়া কাপ হকিতে প্রথম চার ম্যাচে চার জয়। চায়নিজ তাইপের বিপক্ষে ৭-০, পাকিস্তানের বিপক্ষে ৫-১, কাজাখস্তানের বিপক্ষে ৪-০, হংকংয়ের বিপক্ষে ৬-০, চ্যালেঞ্জার পুলে বাংলাদেশের মেয়েদের দাপটটা এমনই ছিল। চার ম্যাচে ২২ গোল করে পুলসেরা হয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা দলটির আক্রমণভাগে বারবার সামনে এসেছে এক

জনপ্রিয় টার্গেট

‘চেয়ারম্যান হলে গাঁজা-ইয়াবা ফ্রি দেব’—পোস্টার ঘিরে চাঞ্চল্য

গলফ খেলতে বলুন, এশিয়া কাপের ট্রফি বিতর্কে কপিল

প্রকাশ: ০১:২৫:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রোববার দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে নারী টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপের শিরোপা জেতে ভারত। তবে ম্যাচ শেষে ট্রফি প্রদান অনুষ্ঠান নিয়ে তৈরি হয় অস্বাভাবিক পরিস্থিতি। এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) সভাপতি মহসিন নাকভির কাছ থেকে ট্রফি নিতে ভারতীয় দলের খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফরা মাঠে আসেননি। নাকভি একই সঙ্গে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান।

নাভা রায়পুর ওপেন ২০২৬ গলফ টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ ঘটনা নিয়ে কপিলকে প্রশ্ন করা হয়। পেশাদার গলফ ট্যুর অব ইন্ডিয়ার সভাপতি কপিল তখন বলেন, ‘সবাইকে গলফ খেলতে বলুন।’ ভারতের ট্রফি গ্রহণ না করার সিদ্ধান্তের প্রসঙ্গেই এই মন্তব্য করেন তিনি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রফি প্রদান অনুষ্ঠানের প্রটোকল আগে থেকেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল। বিজয়ী ভারতীয় দলের জন্য ট্রফিও প্রস্তুত ছিল। কিন্তু নাকভি থাকায় খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফরা ট্রফি না নিয়ে ড্রেসিংরুমে ফিরে যান।

অন্যদিকে রানার্সআপ শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক চামারি আতাপাত্তু নাকভির কাছ থেকে পুরস্কারের অর্থের চেক গ্রহণ করেন। এসিসির সূত্র জানিয়েছে, ভারতীয় দলের ট্রফি তাদের জন্য রাখা হয়েছে।

শিরোপা জয়ের পর ভারতীয় খেলোয়াড়রা আলাদাভাবে উদযাপন করেন। দলের প্রধান কোচ আমোল মুজুমদার খেলোয়াড়দের অভিনন্দন জানান। পরে বিসিসিআইয়ের সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া ও সহসভাপতি রাজীব শুক্লা সেই উদযাপনে যোগ দেন এবং খেলোয়াড়দের পদক তুলে দেন।

এবারের ঘটনার সঙ্গে ২০২৫ সালের পুরুষদের এশিয়া কাপ ফাইনালেরও মিল রয়েছে। দুবাইয়ে পাকিস্তানকে পাঁচ উইকেটে হারিয়ে ভারত শিরোপা জেতার পর নাকভির কাছ থেকে ট্রফি গ্রহণ করেনি ভারতীয় দল।

দুই গোলের লিড ধরে রাখতে পারেনি রিয়াল মাদ্রিদ। শেষ পর্যন্ত ৯১তম মিনিটে কার্লোস এস্পির গোলে লা লিগায় এলচেকে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়েছে তারা। ম্যাচের শেষ দিকে একসঙ্গে একাধিক আক্রমণাত্মক খেলোয়াড় মাঠে নামিয়ে বড় ঝুঁকি নিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন রিয়াল কোচ জোসে মরিনিও।

চীনের জুনিয়র এশিয়া কাপ হকিতে প্রথম চার ম্যাচে চার জয়। চায়নিজ তাইপের বিপক্ষে ৭-০, পাকিস্তানের বিপক্ষে ৫-১, কাজাখস্তানের বিপক্ষে ৪-০, হংকংয়ের বিপক্ষে ৬-০, চ্যালেঞ্জার পুলে বাংলাদেশের মেয়েদের দাপটটা এমনই ছিল। চার ম্যাচে ২২ গোল করে পুলসেরা হয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা দলটির আক্রমণভাগে বারবার সামনে এসেছে এক