আওয়ামী লীগের সঙ্গেই থাকতে চান সাকিব

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০১:০৫:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৩৬ বার পঠিত হয়েছে

দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে জাতীয় দলের তারকা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান আপাতত মাঠের ক্রিকেটেই মনোযোগী থাকছেন। যদিও অতীতে তিনি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই অধ্যায় সাময়িকভাবে স্থগিত রেখেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

একটি জাতীয় দৈনিককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সাকিব বলেন, দলীয় কার্যক্রম বন্ধ থাকায় তিনি এখন পুরোপুরি ক্রিকেট নিয়েই ব্যস্ত। তবে ভবিষ্যতে রাজনৈতিক কার্যক্রম আবার শুরু হলে সেখানে ফেরার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি তিনি। তার মতে, রাজনীতি দীর্ঘ সময় ধরে করা সম্ভব হলেও একজন খেলোয়াড় হিসেবে ক্যারিয়ার সীমিত সময়ের মধ্যেই শেষ হয়ে যায়—এই কারণেই আপাতত ক্রিকেটকেই প্রাধান্য দিচ্ছেন।

মানুষের জন্য কাজ করার ইচ্ছা থেকেই রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছিলেন বলে জানান এই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার। সেই লক্ষ্য এখনো আছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তবে বর্তমান সময়ে নিজের পেশাগত দায়িত্বকে এগিয়ে রাখাই তার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

দেশে ফিরতে না পারার প্রসঙ্গে সাকিব জানান, দীর্ঘদিন দেশের বাইরে থাকায় স্বাভাবিকভাবেই দেশের প্রতি টান অনুভব করেন। দ্রুত আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে দেশে ফেরার আশা প্রকাশ করেন তিনি। তার ভাষায়, বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে এবং ইতিবাচক ফল পাওয়ার ব্যাপারে তিনি আশাবাদী।

বাংলাদেশ দলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স ও বিশ্বকাপে অংশ নিতে না পারা নিয়েও কথা বলেন সাকিব। তিনি মনে করেন, এই পরিস্থিতি তৈরিতে সংশ্লিষ্ট সময়ের সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তার মতে, এমন কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যার কারণে দল বিশ্বকাপে অংশ নিতে পারেনি।

ক্রিকেট ক্যারিয়ার নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিষয়ে সাকিব বলেন, খেলার প্রতি তার আগ্রহ এখনো আগের মতোই রয়েছে। যতদিন এই আগ্রহ থাকবে, ততদিন মাঠে থাকার চেষ্টা চালিয়ে যাবেন। তবে যেদিন মনে হবে আর আগের মতো উৎসাহ নেই, সেদিন নিজ থেকেই সরে দাঁড়াবেন।

উল্লেখ্য, গত বছরের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় তার নীরবতা নিয়ে সমালোচনা তৈরি হয়েছিল। অনেক ভক্ত ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সে সময় ক্ষোভও দেখা যায়। এমনকি পরবর্তী সময়েও তার দেশে ফেরা নিয়ে কিছু মহলে আপত্তির কথাও শোনা গেছে।

সব মিলিয়ে, বর্তমান বাস্তবতায় সাকিব আল হাসান ক্রিকেটকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছেন, তবে সুযোগ এলে রাজনীতিতে ফেরার ইচ্ছাও যে তার রয়েছে—তা স্পষ্ট করেই জানিয়েছেন এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।

আওয়ামী লীগের সঙ্গেই থাকতে চান সাকিব

প্রকাশ: ০১:০৫:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে জাতীয় দলের তারকা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান আপাতত মাঠের ক্রিকেটেই মনোযোগী থাকছেন। যদিও অতীতে তিনি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই অধ্যায় সাময়িকভাবে স্থগিত রেখেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

একটি জাতীয় দৈনিককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সাকিব বলেন, দলীয় কার্যক্রম বন্ধ থাকায় তিনি এখন পুরোপুরি ক্রিকেট নিয়েই ব্যস্ত। তবে ভবিষ্যতে রাজনৈতিক কার্যক্রম আবার শুরু হলে সেখানে ফেরার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি তিনি। তার মতে, রাজনীতি দীর্ঘ সময় ধরে করা সম্ভব হলেও একজন খেলোয়াড় হিসেবে ক্যারিয়ার সীমিত সময়ের মধ্যেই শেষ হয়ে যায়—এই কারণেই আপাতত ক্রিকেটকেই প্রাধান্য দিচ্ছেন।

মানুষের জন্য কাজ করার ইচ্ছা থেকেই রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছিলেন বলে জানান এই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার। সেই লক্ষ্য এখনো আছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তবে বর্তমান সময়ে নিজের পেশাগত দায়িত্বকে এগিয়ে রাখাই তার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

দেশে ফিরতে না পারার প্রসঙ্গে সাকিব জানান, দীর্ঘদিন দেশের বাইরে থাকায় স্বাভাবিকভাবেই দেশের প্রতি টান অনুভব করেন। দ্রুত আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে দেশে ফেরার আশা প্রকাশ করেন তিনি। তার ভাষায়, বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে এবং ইতিবাচক ফল পাওয়ার ব্যাপারে তিনি আশাবাদী।

বাংলাদেশ দলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স ও বিশ্বকাপে অংশ নিতে না পারা নিয়েও কথা বলেন সাকিব। তিনি মনে করেন, এই পরিস্থিতি তৈরিতে সংশ্লিষ্ট সময়ের সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তার মতে, এমন কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যার কারণে দল বিশ্বকাপে অংশ নিতে পারেনি।

ক্রিকেট ক্যারিয়ার নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিষয়ে সাকিব বলেন, খেলার প্রতি তার আগ্রহ এখনো আগের মতোই রয়েছে। যতদিন এই আগ্রহ থাকবে, ততদিন মাঠে থাকার চেষ্টা চালিয়ে যাবেন। তবে যেদিন মনে হবে আর আগের মতো উৎসাহ নেই, সেদিন নিজ থেকেই সরে দাঁড়াবেন।

উল্লেখ্য, গত বছরের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় তার নীরবতা নিয়ে সমালোচনা তৈরি হয়েছিল। অনেক ভক্ত ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সে সময় ক্ষোভও দেখা যায়। এমনকি পরবর্তী সময়েও তার দেশে ফেরা নিয়ে কিছু মহলে আপত্তির কথাও শোনা গেছে।

সব মিলিয়ে, বর্তমান বাস্তবতায় সাকিব আল হাসান ক্রিকেটকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছেন, তবে সুযোগ এলে রাজনীতিতে ফেরার ইচ্ছাও যে তার রয়েছে—তা স্পষ্ট করেই জানিয়েছেন এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।