সোমবার তেনেরিফের ঘরের মাঠে এফসি আন্দোরার বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্র হওয়া ম্যাচের যোগ করা সময়ে দুর্ঘটনাটি ঘটে। সতীর্থের বাড়ানো লম্বা পাস ধরতে মাঝমাঠ দিয়ে ছুটছিলেন মিগুয়েল। এ সময় নিজের এলাকা ছেড়ে বেরিয়ে আসা আন্দোরার গোলরক্ষকের সঙ্গে তাঁর সংঘর্ষ হয়।
সংঘর্ষের পরই মাঠে লুটিয়ে পড়েন মিগুয়েল। তাঁর হৃদ্যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলেও পরদিন সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
মিগুয়েলের মৃত্যুর ঘটনায় সংঘর্ষের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছে স্প্যানিশ পুলিশ। সংঘর্ষটি অনিচ্ছাকৃত হত্যাকাণ্ডের আওতায় পড়ে কি না, তা-ও তদন্তের অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। মামলাটি বিচারিক তত্ত্বাবধানে রয়েছে। স্পেনের আইন অনুযায়ী, দুর্ঘটনাসহ অস্বাভাবিক কারণে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু হলে তদন্ত করা বাধ্যতামূলক।
২০২৫ সালে তেনেরিফে যোগ দেওয়ার পরও গোলের ধারাবাহিকতা ধরে রাখেন মিগুয়েল। তৃতীয় বিভাগে প্রথম ৫ ম্যাচেই করেন ৬ গোল। মৌসুম শেষে তাঁর গোলসংখ্যা দাঁড়ায় ১১-তে। মিগুয়েলের পারফরম্যান্সে তেনেরিফেরও উন্নতি হয়।
সতীর্থদের কাছে ‘দেমি’ নামে পরিচিত ছিলেন দে মিগুয়েল। তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন সাবেক সতীর্থ ফার্নান্দো রোমান। সামাজিক মাধ্যমে বন্ধুকে স্মরণ করে তিনি লিখেছেন, ‘দে মিগুয়েল ছিলেন বিনয়ী, পরিশ্রমী এবং সর্বোপরি একজন ভালো মানুষ।’
শোকা জানিয়ে তেনেরিফের সভাপতি ফেলিপে মিনিয়ামব্রেস বলেন, ‘দেমি যে সম্মান পাওয়ার যোগ্য, আমাদের তাঁকে সেই সম্মান জানাতে হবে। এরপর থেকে সব সময় তাঁকে আমাদের হৃদয়ে ধারণ করব।’
মৃত্যুকালে দে মিগুয়েল রেখে গেছেন গত বছর জন্ম নেওয়া এক কন্যাসন্তান ও তার মা। পরিবারের অনুরোধে তাঁর মরদেহ টলেডো প্রদেশের নাভাহেরমোসায় নেওয়া হবে। সেখানে শেষ বিদায়ে উপস্থিত থাকবেন তাঁর সতীর্থ ও ক্লাব কর্মকর্তারা।

দৈনিক টার্গেট 
























