সমাবেশে বক্তব্য দেন অস্ট্রেলিয়া বিএনপি সভাপতি এ এইচ এম তৌহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হায়দার আলী, স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক অমি ফেরদৌস। স্বাগত বক্তব্য দেন ভিক্টোরিয়া বিএনপি সিনিয়র আহ্বায়ক ওমর শরীফ শিহান। সভাপতিত্ব করেন আহ্বায়ক আরিফ খান।
এ ছাড়া বক্তব্য দেন খন্দকার মিলন হক, মো. শরিফ মাহমুদ, মো. ওমর ফারুক, মো. বদিউজ্জামান শিপন, রাশিদুল আমিন মনির, আল-আমিন মাসুম, দেওয়ান মামুন, মো. রহমতউল ইসলাম, খায়রুল সাদমান অংকন। সঞ্চালনা করেন আশিক মালেক বিপুল।
বক্তারা বলেন, ভিক্টোরিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের পাসপোর্ট, ভিসা, নথিপত্রসহ বিভিন্ন কনস্যুলার সেবা গ্রহণের জন্য দূরবর্তী স্থানে যেতে হয়। ফলে মেলবোর্নে বাংলাদেশ কনস্যুলেট প্রতিষ্ঠা হলে হাজার হাজার বাংলাদেশি সহজে ও দ্রুত সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। এ সময় কনস্যুলেট প্রতিষ্ঠার দাবির প্রতি ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।
বক্তারা বিএনপির ৪৮ বছরের গৌরবময় রাজনৈতিক পথচলা, বাংলাদেশের গণতন্ত্র, মানুষের অধিকার, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের আদর্শ তুলে ধরেন।
সারজিস আরও বলেন, ‘এরপরও যদি আপনাদের মধ্যে দুর্নীতি দেখতে পাই, ঘুষের টাকার বিনিময়ে কাজ দেখতে পাই, তাহলে বাংলাদেশে যদি আবারও কখনো এই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়, তাহলে এ দেশের মানুষ আপনাদের বিরুদ্ধেও নামবে। ওই দিন আর কেউ অফিসে অফিস করতে পারবেন না।’
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যুদ্ধ অব্যাহত থাকলে দেশের জ্বালানিসংকট পুরোপুরি নিরসন করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তবে সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
আসিফ মাহমুদ বলেন, যদি এই অনুসন্ধান করতেই হয়, তাহলে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করতে হবে, আমার বিরুদ্ধে নয়। আমি একেবারে ডকুমেন্ট দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছি, যে নির্দিষ্ট ঘটনার কথা বলা হয়েছে, সেটি বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার তিন মাস পরের ঘটনা।
দৈনিক টার্গেট 

























