বিএনপি উদযাপন করছে ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, তিন দিনব্যাপী আলোচনা, দোয়া ও র‌্যালি কর্মসূচি

বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: তিন দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৫:৫৫:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৫
  • ২৬৭ বার পঠিত হয়েছে

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে তিন দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে আয়োজিত এ কর্মসূচি যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে জানা যায়।

দলীয় সূত্র জানায়, আগামী ৩১ আগস্ট ২০২৫ দুপুর ২টা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন রমনাতে এক আলোচনা সভার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। সেখানে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন। এ আলোচনা সভায় দলের প্রতিষ্ঠা প্রক্রিয়া, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ভূমিকা এবং বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরা হবে।

এরপরের দিন- ১ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে, রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত জিয়া উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। কর্মসূচিতে বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেবেন।

তৃতীয় দিনে, ২ সেপ্টেম্বর দুপুর ২টায়, রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে একটি র‌্যালি বের করা হবে। র‌্যালিটি বাংলামোটর পর্যন্ত অগ্রসর হবে। এতে হাজারো নেতাকর্মীর অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সমাপনী কর্মসূচি সম্পন্ন হবে।

দলীয় নেতারা জানান, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই আয়োজন কেবল স্মৃতিচারণ নয়, বরং দেশ ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য নতুন উদ্দীপনা সঞ্চারের লক্ষ্যেই এই কর্মসূচি। তারা আশা করছেন, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও মানুষের ভোটাধিকার  আদায়ে বিএনপির এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

উল্লেখ্য, ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এ দলটি দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। সামরিক শাসনের অবসান,  গণতান্ত্রিক রাজনীতি প্রতিষ্ঠা এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের বিকাশে বিএনপি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে।

দলীয় সূত্র জানায়, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। এ ছাড়া প্রতিটি মহানগর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও  স্থানীয়ভাবে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও শোভাযাত্রার আয়োজন করা হবে।

বিএনপি উদযাপন করছে ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, তিন দিনব্যাপী আলোচনা, দোয়া ও র‌্যালি কর্মসূচি

বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: তিন দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা

প্রকাশ: ০৫:৫৫:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৫

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে তিন দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে আয়োজিত এ কর্মসূচি যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে জানা যায়।

দলীয় সূত্র জানায়, আগামী ৩১ আগস্ট ২০২৫ দুপুর ২টা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন রমনাতে এক আলোচনা সভার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। সেখানে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন। এ আলোচনা সভায় দলের প্রতিষ্ঠা প্রক্রিয়া, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ভূমিকা এবং বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরা হবে।

এরপরের দিন- ১ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে, রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত জিয়া উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। কর্মসূচিতে বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেবেন।

তৃতীয় দিনে, ২ সেপ্টেম্বর দুপুর ২টায়, রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে একটি র‌্যালি বের করা হবে। র‌্যালিটি বাংলামোটর পর্যন্ত অগ্রসর হবে। এতে হাজারো নেতাকর্মীর অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সমাপনী কর্মসূচি সম্পন্ন হবে।

দলীয় নেতারা জানান, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই আয়োজন কেবল স্মৃতিচারণ নয়, বরং দেশ ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য নতুন উদ্দীপনা সঞ্চারের লক্ষ্যেই এই কর্মসূচি। তারা আশা করছেন, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও মানুষের ভোটাধিকার  আদায়ে বিএনপির এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

উল্লেখ্য, ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এ দলটি দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। সামরিক শাসনের অবসান,  গণতান্ত্রিক রাজনীতি প্রতিষ্ঠা এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের বিকাশে বিএনপি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে।

দলীয় সূত্র জানায়, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। এ ছাড়া প্রতিটি মহানগর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও  স্থানীয়ভাবে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও শোভাযাত্রার আয়োজন করা হবে।