বায়তুল মাল ইস্যুতে রাশেদ খানের সমালোচনা

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১২:৪৭:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬
  • ৮০ বার পঠিত হয়েছে

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে ইসলামি তহবিল সংগ্রহের পদ্ধতি নিয়ে বিতর্ক উসকেদিয়েছেন বিএনপির নেতা রাশেদ খান। সোমবার (৪ মে) সকালে নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি জামায়াতে ইসলামীর ‘বায়তুল মাল’ কার্যক্রমের কিছু দিক নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং এ বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরির আহ্বান জানান।

রাশেদ খানের ভাষ্যমতে, ধর্মীয় অনুভূতি বা ইসলামি মূল্যবোধকে সামনে রেখে যদি মানুষের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করা হয়, তবে সেই প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও নৈতিক হওয়া জরুরি। অন্যথায় তা বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে এবং সাধারণ মানুষের বিশ্বাসের অপব্যবহার হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

স্ট্যাটাসে তিনি একটি উদাহরণ টেনে বলেন, সংসারিক প্রয়োজন যেমন পরিবারের সদস্যের চিকিৎসা এবং সংগঠনের জন্য অনুদান দেওয়ারমধ্যে অগ্রাধিকার নিয়ে যে ধরনের বক্তব্য প্রচারিত হচ্ছে, তা মানুষের মধ্যে ভুল বার্তা দিতে পারে। এ ধরনের তুলনাকে তিনি অযৌক্তিক বলেও মন্তব্য করেন।

এ প্রসঙ্গে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওর কথাও উল্লেখ করেন তিনি, যেখানে একজন জামায়াত নেতার বক্তব্য ঘিরে সমালোচনা তৈরি হয়েছে। রাশেদ খান দাবি করেন, ধর্মীয় রেফারেন্স ব্যবহার করে অর্থ সংগ্রহের ক্ষেত্রে সতর্কতা না থাকলে তা ইসলামের ভাবমূর্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, কোনো রাজনৈতিক দল ইসলামি আদর্শ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করতে চাইলেসেটি তাদের অধিকার। তবে সেই পথে স্বচ্ছতা ও সততা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইসলামের নামে কোনো ধরনের কপটতা বা বিভ্রান্তিকর উপস্থাপন গ্রহণযোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

স্ট্যাটাসের শেষাংশে তিনি সকলকে এ বিষয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানান এবং ধর্মীয় মূল্যবোধের সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এই বক্তব্য সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং বিভিন্ন মহলে এ নিয়ে মতভেদ দেখা যাচ্ছে।

বায়তুল মাল ইস্যুতে রাশেদ খানের সমালোচনা

প্রকাশ: ১২:৪৭:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে ইসলামি তহবিল সংগ্রহের পদ্ধতি নিয়ে বিতর্ক উসকেদিয়েছেন বিএনপির নেতা রাশেদ খান। সোমবার (৪ মে) সকালে নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি জামায়াতে ইসলামীর ‘বায়তুল মাল’ কার্যক্রমের কিছু দিক নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং এ বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরির আহ্বান জানান।

রাশেদ খানের ভাষ্যমতে, ধর্মীয় অনুভূতি বা ইসলামি মূল্যবোধকে সামনে রেখে যদি মানুষের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করা হয়, তবে সেই প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও নৈতিক হওয়া জরুরি। অন্যথায় তা বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে এবং সাধারণ মানুষের বিশ্বাসের অপব্যবহার হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

স্ট্যাটাসে তিনি একটি উদাহরণ টেনে বলেন, সংসারিক প্রয়োজন যেমন পরিবারের সদস্যের চিকিৎসা এবং সংগঠনের জন্য অনুদান দেওয়ারমধ্যে অগ্রাধিকার নিয়ে যে ধরনের বক্তব্য প্রচারিত হচ্ছে, তা মানুষের মধ্যে ভুল বার্তা দিতে পারে। এ ধরনের তুলনাকে তিনি অযৌক্তিক বলেও মন্তব্য করেন।

এ প্রসঙ্গে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওর কথাও উল্লেখ করেন তিনি, যেখানে একজন জামায়াত নেতার বক্তব্য ঘিরে সমালোচনা তৈরি হয়েছে। রাশেদ খান দাবি করেন, ধর্মীয় রেফারেন্স ব্যবহার করে অর্থ সংগ্রহের ক্ষেত্রে সতর্কতা না থাকলে তা ইসলামের ভাবমূর্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, কোনো রাজনৈতিক দল ইসলামি আদর্শ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করতে চাইলেসেটি তাদের অধিকার। তবে সেই পথে স্বচ্ছতা ও সততা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইসলামের নামে কোনো ধরনের কপটতা বা বিভ্রান্তিকর উপস্থাপন গ্রহণযোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

স্ট্যাটাসের শেষাংশে তিনি সকলকে এ বিষয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানান এবং ধর্মীয় মূল্যবোধের সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এই বক্তব্য সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং বিভিন্ন মহলে এ নিয়ে মতভেদ দেখা যাচ্ছে।