আজ বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ১০ এপ্রিল থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৯৮৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ৮৮৪ জন মারা গেছে আর হামে মারা গেছে ৯৯ জন।
একই সময়ে ৬৩ জনের শরীরে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে গত ১০ এপ্রিল থেকে এখন পর্যন্ত দেশে ১৯ হাজার ৪৪৭ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।
এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৩৯৮ জন মারা গেছে ঢাকা বিভাগে। এর পরেই রয়েছে সিলেট বিভাগ, সেখানে মারা গেছে ১৫১ জন। এ ছাড়া বরিশালে ৫৬, চট্টগ্রামে ৬৪, খুলনায় ৩৪, ময়মনসিংহে ৭৫, রাজশাহীতে ৯২ ও রংপুর বিভাগে ১৪ জন মারা গেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত পরিসংখ্যানে মৃতদের বয়সভিত্তিক তথ্য পাওয়া যায় না। রোগতত্ত্ববিদেরা বলছেন, হাম সব বয়সী মানুষের হতে পারে, তবে শিশুরাই এতে বেশি আক্রান্ত হয়।
দেশে রোবোটিক সার্জারি চালু হওয়া চিকিৎসার জন্য বিদেশমুখী প্রবণতা কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে। তাঁর মতে, বিদেশে চিকিৎসা নেওয়ার অন্যতম কারণ দেশের চিকিৎসাব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থার ঘাটতি। তাই দেশের চিকিৎসাসেবার সক্ষমতা ও অর্জনগুলো মানুষের সামনে তুলে ধরার প্রয়োজন রয়েছে…
গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার হাসপাতালগুলোতে ১৪২, দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার হাসপাতালগুলোতে ১৩৮ ও ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের বাইরে ২৯৮ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছে। অন্যান্য বিভাগের মধ্যে বরিশালে ১২১, চট্টগ্রামে ১৩৯, খুলনায় ২৪৬, ময়মনসিংহে ৮৭, রাজশাহীতে ১১৪ ও রংপুরে ৩৪ জন
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ১০ এপ্রিল থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৯৭৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ৮৮০ জন মারা গেছে আর হামে মারা গেছে ৯৯ জন।
দৈনিক টার্গেট 























