সমালোচনা

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৮:২১:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
  • ১২ বার পঠিত হয়েছে

সম্প্রতি সাথীর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে বৈদ্যুতিক তার চুরির ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করতে তিনি তাঁর প্রতিষ্ঠানের ফেসবুক পেজ থেকে লাইভে আসেন। বিএনপিকে ভোট দিয়ে তিনি আজ ভুক্তভোগী বলে লাইভে জানান। লাইভের দুটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে ২৫ অক্টোবর স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা তাঁর প্রতিষ্ঠান ঘেরাও করেন এবং বিচার দাবি করেন। পরে পুলিশ এসে সাথীকে হেফাজতে নেয় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায়।

এই ধারা অনুযায়ী, কোনো পুলিশ অফিসার যদি জানতে পারেন যে, কোনো ব্যক্তি কোনো আমলযোগ্য অপরাধ করার পরিকল্পনা করছেন এবং সেই অপরাধ অন্য কোনো উপায়ে প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়, তবে তিনি ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতের কোনো পরোয়ানা ছাড়াই ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে পুলিশই বাদী হয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেয়।

তবে ওই ফেসবুক লাইভ দুটি পর্যালোচনা করে সরকারবিরোধী কোনো বক্তব্য পাননি বলে জানিয়েছেন ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম। তিনি জানান, সাথীর বক্তব্য বরং বাক্‌স্বাধীনতার মধ্যে পড়ে, অর্থাৎ সংবিধানের ৩৯ (২) (ক) অনুচ্ছেদে যা বলা আছে। তাই আদালতও তাঁকে জামিন দিয়েছেন।

তাহলে কেন সাথীর সঙ্গে এ ধরনের ঘটনা ঘটে গেল? জাহিদুল ইসলাম এর একটি উত্তর দিয়েছেন—গুজবের কারণে। এবং ভিডিও প্রকাশের পর যে মার্কেটে সাথীর প্রতিষ্ঠান, সেখানকার কয়েকজন ব্যবসায়ী তাঁর সঙ্গে কথা বলতে গেলে তিনি তাঁদের সঙ্গে মারমুখী আচরণ করেন। ফলে পুলিশকে ১৫১ ধারাটি অনুসরণ করতে হয়।

ডিলার নিয়োগে অনিয়ম

কৃষকের দোরগোড়ায় ন্যায্যমূল্যে সার পৌঁছে দিতে সরকার নতুন করে ডিলার নিয়োগ দিলেও এ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। বেশির ভাগ সার ডিলার নিয়োগ পেয়েছেন দলীয় পরিচয়ে। এ ছাড়া তালিকায় বিএনপি নেতার বয়স্ক মা, স্ত্রী ও কৃষি কর্মকর্তার বাবাকেও ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যদিও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্

মুক্তিযোদ্ধার লাশ

একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে গার্ড অব অনার প্রদানে এবং তাঁর লাশ দাফনে বাধা দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটল এই দেশে। হ্যাঁ, সেই দেশের কথাই বলা হচ্ছে, যে দেশকে শত্রুমুক্ত করার জন্য এই মুক্তিযোদ্ধা হাতে অস্ত্র তুলে নিয়েছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে যারা দাঁড়িয়েছে, তাদের দল মুক্তিযুদ্ধের সময় সবচেয়ে ঘৃণিত ভূমিকা পালন করেছে। মুক্

ভয়ের বিষয়

একের পর এক মাদ্রাসা থেকে যেসব ভয়াবহ খবর প্রকাশিত হচ্ছে, তাতে শঙ্কিত না হয়ে উপায় নেই। মাদ্রাসায় পড়তে আসা শিশুদের সঙ্গে কী আচরণ করা হয়, তা নিয়ে বহু অভিযোগ রয়েছে। এমনও দেখা গেছে, শিশুরা বাড়ি ফিরে আর মাদ্রাসায় যেতে না চাইলে অভিভাবকেরা শিশুটির কথা না শুনে জোর করে আবার পাঠিয়ে দেন সেখানে।

জনপ্রিয় টার্গেট

হ্যাটট্রিকে ১০০০ গোলের আরও কাছে রোনালদো, দিলেন বার্তাও

সমালোচনা

প্রকাশ: ০৮:২১:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

সম্প্রতি সাথীর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে বৈদ্যুতিক তার চুরির ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করতে তিনি তাঁর প্রতিষ্ঠানের ফেসবুক পেজ থেকে লাইভে আসেন। বিএনপিকে ভোট দিয়ে তিনি আজ ভুক্তভোগী বলে লাইভে জানান। লাইভের দুটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে ২৫ অক্টোবর স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা তাঁর প্রতিষ্ঠান ঘেরাও করেন এবং বিচার দাবি করেন। পরে পুলিশ এসে সাথীকে হেফাজতে নেয় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায়।

এই ধারা অনুযায়ী, কোনো পুলিশ অফিসার যদি জানতে পারেন যে, কোনো ব্যক্তি কোনো আমলযোগ্য অপরাধ করার পরিকল্পনা করছেন এবং সেই অপরাধ অন্য কোনো উপায়ে প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়, তবে তিনি ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতের কোনো পরোয়ানা ছাড়াই ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে পুলিশই বাদী হয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেয়।

তবে ওই ফেসবুক লাইভ দুটি পর্যালোচনা করে সরকারবিরোধী কোনো বক্তব্য পাননি বলে জানিয়েছেন ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম। তিনি জানান, সাথীর বক্তব্য বরং বাক্‌স্বাধীনতার মধ্যে পড়ে, অর্থাৎ সংবিধানের ৩৯ (২) (ক) অনুচ্ছেদে যা বলা আছে। তাই আদালতও তাঁকে জামিন দিয়েছেন।

তাহলে কেন সাথীর সঙ্গে এ ধরনের ঘটনা ঘটে গেল? জাহিদুল ইসলাম এর একটি উত্তর দিয়েছেন—গুজবের কারণে। এবং ভিডিও প্রকাশের পর যে মার্কেটে সাথীর প্রতিষ্ঠান, সেখানকার কয়েকজন ব্যবসায়ী তাঁর সঙ্গে কথা বলতে গেলে তিনি তাঁদের সঙ্গে মারমুখী আচরণ করেন। ফলে পুলিশকে ১৫১ ধারাটি অনুসরণ করতে হয়।

ডিলার নিয়োগে অনিয়ম

কৃষকের দোরগোড়ায় ন্যায্যমূল্যে সার পৌঁছে দিতে সরকার নতুন করে ডিলার নিয়োগ দিলেও এ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। বেশির ভাগ সার ডিলার নিয়োগ পেয়েছেন দলীয় পরিচয়ে। এ ছাড়া তালিকায় বিএনপি নেতার বয়স্ক মা, স্ত্রী ও কৃষি কর্মকর্তার বাবাকেও ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যদিও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্

মুক্তিযোদ্ধার লাশ

একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে গার্ড অব অনার প্রদানে এবং তাঁর লাশ দাফনে বাধা দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটল এই দেশে। হ্যাঁ, সেই দেশের কথাই বলা হচ্ছে, যে দেশকে শত্রুমুক্ত করার জন্য এই মুক্তিযোদ্ধা হাতে অস্ত্র তুলে নিয়েছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে যারা দাঁড়িয়েছে, তাদের দল মুক্তিযুদ্ধের সময় সবচেয়ে ঘৃণিত ভূমিকা পালন করেছে। মুক্

ভয়ের বিষয়

একের পর এক মাদ্রাসা থেকে যেসব ভয়াবহ খবর প্রকাশিত হচ্ছে, তাতে শঙ্কিত না হয়ে উপায় নেই। মাদ্রাসায় পড়তে আসা শিশুদের সঙ্গে কী আচরণ করা হয়, তা নিয়ে বহু অভিযোগ রয়েছে। এমনও দেখা গেছে, শিশুরা বাড়ি ফিরে আর মাদ্রাসায় যেতে না চাইলে অভিভাবকেরা শিশুটির কথা না শুনে জোর করে আবার পাঠিয়ে দেন সেখানে।