শুক্রবার (৬ নভেম্বর) নিউজিল্যান্ডের সংরক্ষণ বিভাগ (ডিওসি) জানায়, নর্থ আইল্যান্ডের দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তের এনগাউই উপকূলে তিমিগুলো আটকা পড়ে। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার কিছু পর ঘটনাটি কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়। এরপর সংরক্ষণ বিভাগের কর্মী, মাওরি আদিবাসী সম্প্রদায়ের কিছু মানুষ এবং স্বেচ্ছাসেবকেরা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন।
ডিওসি-এর ওয়াইরারাপা অঞ্চলের ভারপ্রাপ্ত অপারেশনস ম্যানেজার আরিয়ানা হাওইরা বলেন, আটকে পড়া কোনো তিমিই বেঁচে আছে বলে মনে হচ্ছে না।
উদ্ধারকর্মীরা জীবিত কয়েকটি তিমিকে আবার গভীর পানিতে ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে দুর্গম অবস্থান, প্রবল ঢেউ এবং জোয়ার-ভাটার মধ্যবর্তী এলাকার ধারালো পাথরের কারণে অভিযান ব্যাহত হয়।
উদ্ধারকাজে অংশ নেওয়া সংগঠন প্রজেক্ট জোনাহ জানায়, কয়েক কিলোমিটার উপকূলজুড়ে আনুমানিক ৪০ থেকে ৫০টি তিমি আটকা পড়েছিল। উদ্ধারের আগেই অনেক তিমির মৃত্যু হয়। জীবিত অবস্থায় পাওয়া তিমিগুলোও ধীরে ধীরে মারা যায়।
ডিওসি জানিয়েছে, তিমিগুলোর মরদেহ সমাহিত করার বিষয়ে মাওরি সম্প্রদায়ের সঙ্গে কাজ করা হচ্ছে। মাওরিদের কাছে তিমি পবিত্র সম্পদ বা ‘তাওঙ্গা’ হিসেবে বিবেচিত।
নিউজিল্যান্ডে এভাবে গণ হারে তিমি ও ডলফিনের আটকে পড়ার ঘটনা নতুন নয়। ১৮৪০ সাল থেকে দেশটিতে এ ধরনের পাঁচ হাজারের বেশি ঘটনা নথিভুক্ত রয়েছে।
পাইলট তিমি মূলত ডলফিন পরিবারের সদস্য। এরা দৈর্ঘ্যে সাত মিটার এবং ওজনে তিন টন পর্যন্ত হতে পারে। প্রজাতিটি প্রায় সময়ই দল বেঁধে এভাবে আটকে পড়ার জন্য পরিচিত হলেও এর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো বিজ্ঞানীদের কাছে স্পষ্ট নয়।

দৈনিক টার্গেট 
























