আ জ ম নাছিরের বিরুদ্ধে ১৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মামলা

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৩:৫৯:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫ বার পঠিত হয়েছে

আজ সোমবার দুদকের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, ক্ষমতার অপব্যবহার, আয়কর ফাঁকি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে আ জ ম নাছির উদ্দীনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করা হয়। অনুসন্ধানে ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত তাঁর জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ১৩ কোটি ৯৯ লাখ ৪১ হাজার ৫৭০ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়।

অনুসন্ধানে পাওয়া নথিপত্র অনুযায়ী, ওই সময় পর্যন্ত আ জ ম নাছিরের নামে ২ কোটি ৩০ লাখ ১৮ হাজার ৯১০ টাকার স্থাবর এবং ২৬ কোটি ৩৮ লাখ ১ হাজার ২৮৫ টাকার অস্থাবর সম্পদ ছিল। একই সময়ে তাঁর ৬ কোটি ১৮ লাখ ৯৭ হাজার ৮ টাকার দায়-দেনার তথ্য পাওয়া যায়।

দায় বাদ দেওয়ার পর আ জ ম নাছিরের নিট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ২২ কোটি ৪৯ লাখ ২৩ হাজার ১৮৭ টাকা। এর সঙ্গে পারিবারিক ও অন্যান্য খাতে ১৮ কোটি ১২ লাখ ৫৫ হাজার ৬৪৮ টাকা ব্যয় যোগ করে অনুসন্ধানে তাঁর মোট অর্জিত সম্পদের মূল্য ৪০ কোটি ৬১ লাখ ৭৮ হাজার ৮৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, একই সময়ে আ জ ম নাছিরের গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া গেছে ২৬ কোটি ৬২ লাখ ৩৭ হাজার ২৬৫ টাকা। সেই হিসাবে তাঁর জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ১৩ কোটি ৯৯ লাখ ৪১ হাজার ৫৭০ টাকা।

দুদকের অভিযোগে বলা হয়েছে, আ জ ম নাছির উদ্দীন দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অসাধু উপায়ে অর্জিত এসব সম্পদ জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণভাবে অর্জন ও ভোগদখলে রেখেছেন।

এ ঘটনায় অনুমোদিত মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

আইনের কাঠামোর বাইরে কোনো পদক্ষেপ বা ‘ক্রসফায়ার’-এর সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি আরও বলেন, সন্ত্রাস দমনের জন্য ক্রসফায়ারের কোনো প্রয়োজন নেই এবং প্রচলিত আইনই এর জন্য যথেষ্ট।

চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি মিরপুর সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত ডিএসসিএসসি-২০২৬ কোর্সে অংশ নিতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে তিনি প্রস্থান করেন। কোর্স চলাকালে গত ৭ জুন অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয়।

ভুয়া পরোয়ানার মাধ্যমে গ্রেপ্তার ও হয়রানি বন্ধে পুলিশকে সেন্ট্রাল ডেটা ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম থেকে পরোয়ানার সত্যতা যাচাই করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে পুলিশের আইজিকে এই মর্মে সার্কুলার ইস্যু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলম…

জনপ্রিয় টার্গেট

চট্টগ্রাম কাস্টমসে সপ্তাহের ৭ দিনই ২৪ ঘণ্টা চলবে শুল্কায়ন

আ জ ম নাছিরের বিরুদ্ধে ১৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মামলা

প্রকাশ: ০৩:৫৯:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আজ সোমবার দুদকের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, ক্ষমতার অপব্যবহার, আয়কর ফাঁকি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে আ জ ম নাছির উদ্দীনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করা হয়। অনুসন্ধানে ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত তাঁর জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ১৩ কোটি ৯৯ লাখ ৪১ হাজার ৫৭০ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়।

অনুসন্ধানে পাওয়া নথিপত্র অনুযায়ী, ওই সময় পর্যন্ত আ জ ম নাছিরের নামে ২ কোটি ৩০ লাখ ১৮ হাজার ৯১০ টাকার স্থাবর এবং ২৬ কোটি ৩৮ লাখ ১ হাজার ২৮৫ টাকার অস্থাবর সম্পদ ছিল। একই সময়ে তাঁর ৬ কোটি ১৮ লাখ ৯৭ হাজার ৮ টাকার দায়-দেনার তথ্য পাওয়া যায়।

দায় বাদ দেওয়ার পর আ জ ম নাছিরের নিট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ২২ কোটি ৪৯ লাখ ২৩ হাজার ১৮৭ টাকা। এর সঙ্গে পারিবারিক ও অন্যান্য খাতে ১৮ কোটি ১২ লাখ ৫৫ হাজার ৬৪৮ টাকা ব্যয় যোগ করে অনুসন্ধানে তাঁর মোট অর্জিত সম্পদের মূল্য ৪০ কোটি ৬১ লাখ ৭৮ হাজার ৮৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, একই সময়ে আ জ ম নাছিরের গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া গেছে ২৬ কোটি ৬২ লাখ ৩৭ হাজার ২৬৫ টাকা। সেই হিসাবে তাঁর জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ১৩ কোটি ৯৯ লাখ ৪১ হাজার ৫৭০ টাকা।

দুদকের অভিযোগে বলা হয়েছে, আ জ ম নাছির উদ্দীন দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অসাধু উপায়ে অর্জিত এসব সম্পদ জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণভাবে অর্জন ও ভোগদখলে রেখেছেন।

এ ঘটনায় অনুমোদিত মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

আইনের কাঠামোর বাইরে কোনো পদক্ষেপ বা ‘ক্রসফায়ার’-এর সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি আরও বলেন, সন্ত্রাস দমনের জন্য ক্রসফায়ারের কোনো প্রয়োজন নেই এবং প্রচলিত আইনই এর জন্য যথেষ্ট।

চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি মিরপুর সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত ডিএসসিএসসি-২০২৬ কোর্সে অংশ নিতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে তিনি প্রস্থান করেন। কোর্স চলাকালে গত ৭ জুন অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয়।

ভুয়া পরোয়ানার মাধ্যমে গ্রেপ্তার ও হয়রানি বন্ধে পুলিশকে সেন্ট্রাল ডেটা ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম থেকে পরোয়ানার সত্যতা যাচাই করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে পুলিশের আইজিকে এই মর্মে সার্কুলার ইস্যু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলম…