অনলাইনে বইয়ের গল্পে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছেন নিশাত

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৯:০৮:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৬ বার পঠিত হয়েছে

ছোটবেলা থেকে সুন্দর করে কথা বলার অভ্যাস ছিল নিশাতের। বাবার কাছ থেকে সে অভ্যাস রপ্ত করেন তিনি। এরপর স্কুল-কলেজে বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার মাধ্যমে কথা গুছিয়ে বলার দক্ষতা আরও বাড়ে।

তবে বই পেলেই রিভিউ করেন না নিশাত। কোনো বই তাঁর কাছে ভালো মনে হলে তবেই সেটি নিয়ে রিভিউ করেন। মাঝে মাঝে বিভিন্ন প্রকাশনী থেকে বইয়ের প্রমোশনাল অফারও পান। এসব কাজ করে যে আয় হয়, তাতে অন্তত একজন শিক্ষার্থী হিসেবে তাঁর হাতখরচের টাকা উঠে যায়।

সব ধরনের বই নিয়েই আলোচনা করেন নিশাত। তবে বইয়ের সাজেশন বা বই রেকমেন্ডেশনধর্মী পোস্টে বেশি লাইক ও ফলো আসে। কখনো কখনো এসব পোস্টের ভিউ লাখের ঘরও ছাড়িয়ে যায়। ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে প্রথম বইয়ের রিভিউ করেন তিনি। প্রথম থেকেই সাড়া পান ভালো। অসংখ্য মানুষ তাঁর রিভিউ পছন্দ করেন এবং আরও রিভিউ দেখতে চান। এরপর আর নিশাতকে পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি।

বই নিয়ে কাজ করতে গিয়ে ভালো-মন্দ; দুই ধরনের অভিজ্ঞতাই হয়েছে নিশাতের। ইতিমধ্যে তিনি বই বিষয়ে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান আয়োজিত সেমিনারে আলোচক হিসেবে অংশ নিয়েছেন।

বইয়ের বাইরেও গাছ লাগাতে পছন্দ করেন নিশাত। তিনি ভেষজ ও ঔষধি গাছ, ফলের গাছসহ বিভিন্ন ধরনের গাছ লাগিয়েছেন। ভবিষ্যতেও পরিবেশের জন্য কিছু করার স্বপ্ন রয়েছে তাঁর।

বইয়ের গল্প বলতে বলতে মানুষের মধ্যে বই পড়ার আগ্রহ তৈরি করাই নিশাতের মূল লক্ষ্য। একটি বইয়ের গল্প হয়তো একজন মানুষকে আরেকটি বইয়ের কাছে নিয়ে যাবে—নিশাতের কাজের সার্থকতা সেখানেই।

সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাসাকা প্রদেশ। সূর্য ডোবার সময় পাহাড়ের ওপর দুর্গের মতো তৈরি সামরিক স্থাপনার পাশ দিয়ে ছুটছেন কয়েকজন তরুণী। কারও হাতে কালাশনিকভ অর্থাৎ একে-৪৭ রাইফেল। তবে শত্রুর দিকে অস্ত্র তাক করতে নয়, সূর্যাস্তের হালকা নীল ও সবুজ আলোয় ছবি তুলতেই তাঁদের এই ব্যস্ততা।

আমার বিয়ে হয়েছে চার মাস আগে। সম্প্রতি জানতে পেরেছি, স্বামীর আগে একবার বিয়ে করেছিল। সেই বিয়ের কথা আমাকে আগে জানানো হয়নি। এমনকি শ্বশুরবাড়ির সবাই বিষয়টি জানলেও তারা আমার পরিবারকে কিছু জানায়নি আগের বিয়ে সম্পর্কে। ফলে আমি এটাও জানি না যে আগের বিয়ে তালাক হয়েছে কি না। আইনি ব্যবস্থা নিতে চাইলে আমাকে কী কী ক

টিকটকের ফিড স্ক্রল করতে করতে চোখ থমকে গেল একটা ভিডিওতে। স্ক্রিনে তখন এক জেন-জি তরুণী বেশ মজা করে আচার খাচ্ছেন। হ্যাশট্যাগ #পিকল-এর ভিউ তখন বিলিয়ন ছাড়ানোর পথে। একই সঙ্গে বিলিয়ন দর্শকের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে আচার তৈরির প্রতিষ্ঠান ‘গুড গার্ল স্ন্যাকস’-এর নাম।

জনপ্রিয় টার্গেট

অনলাইনে বইয়ের গল্পে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছেন নিশাত

প্রকাশ: ০৯:০৮:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ছোটবেলা থেকে সুন্দর করে কথা বলার অভ্যাস ছিল নিশাতের। বাবার কাছ থেকে সে অভ্যাস রপ্ত করেন তিনি। এরপর স্কুল-কলেজে বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার মাধ্যমে কথা গুছিয়ে বলার দক্ষতা আরও বাড়ে।

তবে বই পেলেই রিভিউ করেন না নিশাত। কোনো বই তাঁর কাছে ভালো মনে হলে তবেই সেটি নিয়ে রিভিউ করেন। মাঝে মাঝে বিভিন্ন প্রকাশনী থেকে বইয়ের প্রমোশনাল অফারও পান। এসব কাজ করে যে আয় হয়, তাতে অন্তত একজন শিক্ষার্থী হিসেবে তাঁর হাতখরচের টাকা উঠে যায়।

সব ধরনের বই নিয়েই আলোচনা করেন নিশাত। তবে বইয়ের সাজেশন বা বই রেকমেন্ডেশনধর্মী পোস্টে বেশি লাইক ও ফলো আসে। কখনো কখনো এসব পোস্টের ভিউ লাখের ঘরও ছাড়িয়ে যায়। ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে প্রথম বইয়ের রিভিউ করেন তিনি। প্রথম থেকেই সাড়া পান ভালো। অসংখ্য মানুষ তাঁর রিভিউ পছন্দ করেন এবং আরও রিভিউ দেখতে চান। এরপর আর নিশাতকে পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি।

বই নিয়ে কাজ করতে গিয়ে ভালো-মন্দ; দুই ধরনের অভিজ্ঞতাই হয়েছে নিশাতের। ইতিমধ্যে তিনি বই বিষয়ে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান আয়োজিত সেমিনারে আলোচক হিসেবে অংশ নিয়েছেন।

বইয়ের বাইরেও গাছ লাগাতে পছন্দ করেন নিশাত। তিনি ভেষজ ও ঔষধি গাছ, ফলের গাছসহ বিভিন্ন ধরনের গাছ লাগিয়েছেন। ভবিষ্যতেও পরিবেশের জন্য কিছু করার স্বপ্ন রয়েছে তাঁর।

বইয়ের গল্প বলতে বলতে মানুষের মধ্যে বই পড়ার আগ্রহ তৈরি করাই নিশাতের মূল লক্ষ্য। একটি বইয়ের গল্প হয়তো একজন মানুষকে আরেকটি বইয়ের কাছে নিয়ে যাবে—নিশাতের কাজের সার্থকতা সেখানেই।

সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাসাকা প্রদেশ। সূর্য ডোবার সময় পাহাড়ের ওপর দুর্গের মতো তৈরি সামরিক স্থাপনার পাশ দিয়ে ছুটছেন কয়েকজন তরুণী। কারও হাতে কালাশনিকভ অর্থাৎ একে-৪৭ রাইফেল। তবে শত্রুর দিকে অস্ত্র তাক করতে নয়, সূর্যাস্তের হালকা নীল ও সবুজ আলোয় ছবি তুলতেই তাঁদের এই ব্যস্ততা।

আমার বিয়ে হয়েছে চার মাস আগে। সম্প্রতি জানতে পেরেছি, স্বামীর আগে একবার বিয়ে করেছিল। সেই বিয়ের কথা আমাকে আগে জানানো হয়নি। এমনকি শ্বশুরবাড়ির সবাই বিষয়টি জানলেও তারা আমার পরিবারকে কিছু জানায়নি আগের বিয়ে সম্পর্কে। ফলে আমি এটাও জানি না যে আগের বিয়ে তালাক হয়েছে কি না। আইনি ব্যবস্থা নিতে চাইলে আমাকে কী কী ক

টিকটকের ফিড স্ক্রল করতে করতে চোখ থমকে গেল একটা ভিডিওতে। স্ক্রিনে তখন এক জেন-জি তরুণী বেশ মজা করে আচার খাচ্ছেন। হ্যাশট্যাগ #পিকল-এর ভিউ তখন বিলিয়ন ছাড়ানোর পথে। একই সঙ্গে বিলিয়ন দর্শকের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে আচার তৈরির প্রতিষ্ঠান ‘গুড গার্ল স্ন্যাকস’-এর নাম।