আজ রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ার আগাম খবর জানায় পরিচালন প্রতিষ্ঠান পেট্রোবাংলা।
কর্তৃপক্ষের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নির্ধারিত সময়ে সামিটের টার্মিনালে এলএনজি থেকে গ্যাসে রূপান্তরের (রিগ্যাসিফিকেশন) কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এতে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক গ্যাস সরবরাহ ৩২ কোটি ঘনফুট কমবে। সাময়িক এ অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ।
দেশে বর্তমানে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট। বিপরীতে সরবরাহ হচ্ছে প্রায় ২৬৫০ মিলিয়ন ঘনফুট। ফলে প্রতিদিন ঘাটতি থাকছে প্রায় ১১৫০ মিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে দুইটি এলএনজি টার্মিনাল থেকে আসছে ৯২০ মিলিয়ন ঘনফুট। সামিটের টার্মিনাল বন্ধ থাকলে এলএনজি সরবরাহ কমে যাওয়ায় বিদ্যুৎ, শিল্প ও আবাসিক খাতে গ্যাস সংকট আরও বাড়তে পারে।
এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরেও সামিটের টার্মিনালে একই ধরনের রক্ষণাবেক্ষণ কাজ করা হয়েছিল। গত ২১ জুলাইও এক্সিলারেট এনার্জির এলএনজি টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের পর দেশে গ্যাস সরবরাহ বিঘ্ন ঘটেছিল। সেই সময় টানা প্রায় দুই মাস গ্যাস স্বল্পতার ভোগান্তিতে পড়েছিল পুরো দেশ। সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি থেকে সেই সংকটের অবসান ঘটে।

দৈনিক টার্গেট 


























