সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন আজ শেষ

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১১:৩৬:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
  • ৯৮ বার পঠিত হয়েছে

Oplus_131072

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময়সীমা আজ শেষ হচ্ছে। নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার আগে রাজনৈতিক দলগুলো তাদের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত ও জমা দেওয়ার শেষ প্রস্তুতি নিচ্ছে। পুরো প্রক্রিয়ায় মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা দলীয় জোটভিত্তিক সমঝোতার মাধ্যমেই নির্ধারিত হচ্ছে বলে জানা গেছে।

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেলের মধ্যেই মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার কার্যক্রম শেষ হবে। সংরক্ষিত নারী আসনের এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক তৎপরতা দেখা গেছে।

ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, এবার সংরক্ষিত ৫০টি আসন রাজনৈতিক জোটগুলোর মধ্যে আনুপাতিক হারে বণ্টন করা হয়েছে। এর মধ্যে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ৩৬টি, জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় জোট ১৩টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য একটি আসন বরাদ্দ রয়েছে।

মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় ইতোমধ্যে বড় অগ্রগতি হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তাদের বরাদ্দকৃত ৩৬ জন নারী প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করেছে। একইভাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও তার সহযোগী দলগুলো ১৩ জন প্রার্থীর তালিকা প্রস্তুত করেছে।

ইসির তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত মোট ৪৬৪ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। এর মধ্যে পাঁচজন নারী প্রার্থী ইতোমধ্যে তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হলেন সানজিদা ইসলাম তুলি, নিলুফার চৌধুরী মনি, মাহবুবা রহমান, আনা মিনজ এবং নিপুন রায় চৌধুরী। আজকের মধ্যে বাকি প্রার্থীরাও তাদের ফরম জমা দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

নির্বাচন কমিশনের সময়সূচি অনুযায়ী, জমা পড়া মনোনয়নপত্র ২২ ও ২৩ এপ্রিল যাচাই-বাছাই করা হবে। এরপর বাছাই সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ থাকবে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত। সেই আপিল নিষ্পত্তি করা হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল।

প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ২৯ এপ্রিল। এরপর ৩০ এপ্রিল চূড়ান্ত প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। ভোট গ্রহণের প্রয়োজন হলে তা অনুষ্ঠিত হবে ১২ মে।

ইসি কর্মকর্তারা মনে করছেন, সংরক্ষিত নারী আসনে সাধারণত দলীয় সমঝোতার ভিত্তিতে প্রার্থী নির্ধারণ হওয়ায় বড় ধরনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় না। ফলে প্রত্যাহারের সময় শেষে অনেক ক্ষেত্রে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ফল ঘোষণা হতে পারে। তবে কোনো আসনে একাধিক প্রার্থী বহাল থাকলে সেখানে সংসদ সদস্যদের ভোটের মাধ্যমে চূড়ান্ত বিজয়ী নির্ধারণ করা হবে।

জনপ্রিয় টার্গেট

আজকের নামাজের সময়সূচি: ০২ অক্টোবর ২০২৬

সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন আজ শেষ

প্রকাশ: ১১:৩৬:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময়সীমা আজ শেষ হচ্ছে। নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার আগে রাজনৈতিক দলগুলো তাদের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত ও জমা দেওয়ার শেষ প্রস্তুতি নিচ্ছে। পুরো প্রক্রিয়ায় মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা দলীয় জোটভিত্তিক সমঝোতার মাধ্যমেই নির্ধারিত হচ্ছে বলে জানা গেছে।

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেলের মধ্যেই মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার কার্যক্রম শেষ হবে। সংরক্ষিত নারী আসনের এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক তৎপরতা দেখা গেছে।

ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, এবার সংরক্ষিত ৫০টি আসন রাজনৈতিক জোটগুলোর মধ্যে আনুপাতিক হারে বণ্টন করা হয়েছে। এর মধ্যে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ৩৬টি, জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় জোট ১৩টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য একটি আসন বরাদ্দ রয়েছে।

মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় ইতোমধ্যে বড় অগ্রগতি হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তাদের বরাদ্দকৃত ৩৬ জন নারী প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করেছে। একইভাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও তার সহযোগী দলগুলো ১৩ জন প্রার্থীর তালিকা প্রস্তুত করেছে।

ইসির তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত মোট ৪৬৪ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। এর মধ্যে পাঁচজন নারী প্রার্থী ইতোমধ্যে তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হলেন সানজিদা ইসলাম তুলি, নিলুফার চৌধুরী মনি, মাহবুবা রহমান, আনা মিনজ এবং নিপুন রায় চৌধুরী। আজকের মধ্যে বাকি প্রার্থীরাও তাদের ফরম জমা দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

নির্বাচন কমিশনের সময়সূচি অনুযায়ী, জমা পড়া মনোনয়নপত্র ২২ ও ২৩ এপ্রিল যাচাই-বাছাই করা হবে। এরপর বাছাই সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ থাকবে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত। সেই আপিল নিষ্পত্তি করা হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল।

প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ২৯ এপ্রিল। এরপর ৩০ এপ্রিল চূড়ান্ত প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। ভোট গ্রহণের প্রয়োজন হলে তা অনুষ্ঠিত হবে ১২ মে।

ইসি কর্মকর্তারা মনে করছেন, সংরক্ষিত নারী আসনে সাধারণত দলীয় সমঝোতার ভিত্তিতে প্রার্থী নির্ধারণ হওয়ায় বড় ধরনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় না। ফলে প্রত্যাহারের সময় শেষে অনেক ক্ষেত্রে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ফল ঘোষণা হতে পারে। তবে কোনো আসনে একাধিক প্রার্থী বহাল থাকলে সেখানে সংসদ সদস্যদের ভোটের মাধ্যমে চূড়ান্ত বিজয়ী নির্ধারণ করা হবে।