কোনো কঠোর ক্র্যাশ ডায়েট বা না খেয়ে থেকে ফ্যাটি লিভার কমানো যায় না। বরং সঠিক খাদ্য নির্বাচনেই মেলে সমাধান। নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার থেকে মুক্ত থাকতে যা করতে হবে—
আঁশযুক্ত খাবার বাড়ান: লাল চালের ভাত, ওটস, ইসবগুলের ভুসি ও রঙিন শাকসবজিতে থাকা দ্রবণীয় আঁশ রক্তের অতিরিক্ত কোলেস্টেরল ও শর্করা শুষে নেয়। ফলে লিভারে চর্বি জমার সুযোগ কমে।
উপকারী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট: সবুজ চা বা গ্রিন টি, কাঁচা হলুদ, রসুন এবং লেবু বা আমলকীর মতো সাইট্রাস জাতীয় ফল লিভারের বিষাক্ত পদার্থ বের করে দিতে এবং লিভারের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।
উপকারী চর্বি খাওয়া: রান্নায় কেমিক্যালযুক্ত প্রক্রিয়াজাত রিফাইন্ড তেলের বদলে পরিমিত খাঁটি সরিষার তেল এবং খাদ্যতালিকায় সামুদ্রিক মাছ, তিল, তিসি বা বাদাম থেকে পাওয়া ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রাখুন।
পর্যাপ্ত পানি পান: শরীর থেকে ক্ষতিকর উপাদান বের করে দিতে এবং লিভারের স্বাভাবিক বিপাকক্রিয়া সক্রিয় রাখতে দিনে আড়াই থেকে ৩ লিটার পানি পান করুন।
ফ্যাটি লিভার প্রতিরোধে নিয়ম মেনে চলা মোটেও কঠিন কিছু নয়। প্রতিদিনের পাতে সচেতন পুষ্টি নির্বাচন, প্রক্রিয়াজাত খাবার বাদ দেওয়া এবং দিনে অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটার অভ্যাসই পারে আপনার লিভার দীর্ঘ মেয়াদে সুস্থ ও কর্মক্ষম রাখতে।
বয়স ষাট পার হলে পেশির ভর ও হাড়ের শক্তি কমতে শুরু করে এবং মেটাবলিজম বা ক্যালরি ক্ষয়ের গতি ধীর হয়ে যায়। এ বয়সে দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি কমাতে এবং সক্রিয় জীবনযাপন বজায় রাখতে পুষ্টিকর ও সুষম খাদ্যাভ্যাস অপরিহার্য। ৬০ বছরের ঊর্ধ্ব বয়সের মানুষের জন্য সুনির্দিষ্ট কোনো একক ডায়েট নেই।
সাপের কামড়ে মৃত্যুর ঝুঁকি কমাতে নতুন ধরনের অ্যান্টিভেনম বা বিষনাশক ওষুধ তৈরি করেছেন ভারত ও ডেনমার্কের বিজ্ঞানীরা। বিভিন্ন প্রজাতির গোখরা সাপের বিষের বিরুদ্ধে বিস্তৃত সুরক্ষা দিতে সক্ষম এই অ্যান্টিভেনম ককটেল সাপের কামড়ের চিকিৎসায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে বলে মনে করছেন গবেষকেরা।
রাজধানীর মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সরকারি ব্যবস্থাপনায় রক্তসহ বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও বাইরে থেকে পরীক্ষা করিয়ে আনার অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, বাইরে থেকে ফেরিওয়ালার মতো ব্লাড কালেক্ট করে নিয়ে যায়।
দৈনিক টার্গেট 
























