মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়ানোর ঘোষণা মোদির

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০১:১৬:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩ বার পঠিত হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে লক্ষ্য করে ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ নামে ‘ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরান ও এর সহায়তাকারীদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক সরকারি অর্থনৈতিক অভিযান’ শুরু করার মাত্র সাত দিন পর মোদির এই মন্তব্য বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মোদি বলেন, ‘বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইরানের সঙ্গে ভারতের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব আরও শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছি।’

ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠকটি ছিল গত ছয় মাস আগে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের পর দুই নেতার প্রথম সাক্ষাৎ। মোদির পোস্টে বলা হয়, ‘আগামী দিনে আমরা আমাদের বাণিজ্যিক পণ্যের পরিধি বাড়াতে এবং তা বহুমুখী করতে চাই।’ তিনি আরও বলেন, ‘অঞ্চলের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আমাদের আলোচনা হয়েছে। দীর্ঘস্থায়ী শান্তি নিশ্চিত করতে যে কোনো ধরনের প্রচেষ্টাকে ভারত সমর্থন করে যাবে।’

ঐতিহাসিকভাবে ইরানের সঙ্গে ভারতের বড় ধরনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের ইরানবিষয়ক নিষেধাজ্ঞার কারণে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ২০১৮-১৯ অর্থবছরের ১৭ দশমিক ০৩ বিলিয়ন ডলার থেকে কমে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ১ দশমিক ৬৩ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে।

জবাবে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী মূলত এমন নতুন সম্ভাবনা খুঁজে দেখার কথা বলেছেন, যেগুলো ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যের বিদ্যমান সীমাবদ্ধতার মধ্যেও বাস্তবায়ন করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে অর্থায়ন, বিমা, পরিবহন ও লজিস্টিক ব্যবস্থার বিষয়গুলো বিবেচনায় নিতে হবে।

বর্তমানে ভারত ও ইরানের মধ্যে বাণিজ্য বেসরকারি পক্ষগুলোর মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এসব পক্ষকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও আর্থিক ব্যবস্থার নানা বিধিনিষেধ ও বাস্তবতা মোকাবিলা করেই বাণিজ্য করতে হয়। ইরানের পক্ষ থেকে পরিবহন ও সামুদ্রিক বিষয়ে সহযোগিতার প্রসঙ্গে চাবাহার বন্দরের বিষয়টি উত্থাপন করা হলে বিক্রম মিশ্রি বলেন, এই কৌশলগত বন্দরের সঙ্গে ভারতের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে। তিনি বলেন, ভারত বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে, যাতে ‘একটি টেকসই পথ খুঁজে বের করা যায়’, বিশেষ করে অঞ্চলটিতে চাবাহার বন্দরের ভূমিকার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে।

চাবাহার বন্দরের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া নিষেধাজ্ঞা থেকে ছাড়ের মেয়াদ চলতি বছরের ২৬ এপ্রিল শেষ হয়ে যায়। এর ফলে ভারতকে ওই বন্দর পরিচালনার দায়িত্ব থেকে সরে আসতে হয়। চাবাহার বন্দরে ভারত উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিনিয়োগ করেছে।

ভারতে অবস্থিত ইরানি দূতাবাস পেজেশকিয়ানের বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলেছে, ‘রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক, সাংস্কৃতিক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট অন্যান্য ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর ব্যাপক সক্ষমতা ইরান ও ভারতের রয়েছে। দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা শক্তিশালী করার পাশাপাশি নিষেধাজ্ঞার প্রভাব মোকাবিলা করতে পারলে আমরা দুই দেশের সম্পর্ককে আরও উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারব।’

দূতাবাসের ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের প্রেসিডেন্ট মোদিকে আরও অনুরোধ করেছেন, বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে ভারতের “বিস্তৃত যোগাযোগ” কাজে লাগিয়ে তাদের যুদ্ধ ও রক্তপাতের পথ থেকে সরে এসে সংলাপ ও সমঝোতার পথে ফিরে যেতে সহায়তা করার জন্য।

মোদি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গেও দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন। চলতি বছরে এটি ছিল দুই নেতার প্রথম সরাসরি সাক্ষাৎ। বিক্রম মিশ্রি জানান, বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বাড়তে থাকা বাণিজ্য ঘাটতির বিষয়টি উঠে আসে। বিশেষ করে ভারত রাশিয়া থেকে বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল বা ক্রুড অয়েল কেনা শুরু করার পর এই বাণিজ্য ঘাটতি বেড়েছে। তিনি বলেন, উভয় পক্ষই বিষয়টি স্বীকার করেছে।

তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন ক্ষেত্রে রাশিয়ায় ভারতের রপ্তানি বাড়ানোর দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য আলোচনা চলছে।’

মিশ্রি আরও বলেন, গত বছর প্রেসিডেন্ট পুতিন বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে এলে প্রধানমন্ত্রী মোদি তার কাছে একটি নথি তুলে দিয়েছিলেন। ওই নথিতে রাশিয়ায় ভারতীয় পণ্যের বাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে যেসব সমস্যা এখনো রয়েছে, সেগুলো বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছিল। এর মধ্যে কিছু অশুল্ক বাধার বিষয়ও ছিল। তিনি বলেন, ‘আমাদের রুশ বন্ধুদের সহযোগিতায় ওই ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে এবং মাংস রপ্তানি, সামুদ্রিক পণ্য রপ্তানি ও কিছু দুগ্ধজাত পণ্যসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে বাজারে প্রবেশের সুযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়েছে।’

রাশিয়ার বিমান হামলায় ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ও এর আশপাশের এলাকায় আজ মঙ্গলবার ৯ জন নিহত এবং প্রায় ডজন খানেকের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে। কিয়েভে রুশ হামলার এটি টানা ষষ্ঠ দিন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

ইরানকে কঠোরভাবে আঘাতের হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, ইরান একটি ‘ব্যর্থ’ ও ‘মৃত’ দেশ। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, ওয়াশিংটনের সহায়তায় প্রতি রাতে প্রায় ৩০টি জাহাজ হরমুজ প্রণালী পার হচ্ছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

মার্কিন সেনাবাহিনীর সচিব ড্যানিয়েল ড্রিসকল পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের সঙ্গে কয়েক মাস ধরে চলা টানাপোড়েনের পর তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়ানোর ঘোষণা মোদির

প্রকাশ: ০১:১৬:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে লক্ষ্য করে ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ নামে ‘ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরান ও এর সহায়তাকারীদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক সরকারি অর্থনৈতিক অভিযান’ শুরু করার মাত্র সাত দিন পর মোদির এই মন্তব্য বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মোদি বলেন, ‘বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইরানের সঙ্গে ভারতের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব আরও শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছি।’

ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠকটি ছিল গত ছয় মাস আগে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের পর দুই নেতার প্রথম সাক্ষাৎ। মোদির পোস্টে বলা হয়, ‘আগামী দিনে আমরা আমাদের বাণিজ্যিক পণ্যের পরিধি বাড়াতে এবং তা বহুমুখী করতে চাই।’ তিনি আরও বলেন, ‘অঞ্চলের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আমাদের আলোচনা হয়েছে। দীর্ঘস্থায়ী শান্তি নিশ্চিত করতে যে কোনো ধরনের প্রচেষ্টাকে ভারত সমর্থন করে যাবে।’

ঐতিহাসিকভাবে ইরানের সঙ্গে ভারতের বড় ধরনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের ইরানবিষয়ক নিষেধাজ্ঞার কারণে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ২০১৮-১৯ অর্থবছরের ১৭ দশমিক ০৩ বিলিয়ন ডলার থেকে কমে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ১ দশমিক ৬৩ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে।

জবাবে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী মূলত এমন নতুন সম্ভাবনা খুঁজে দেখার কথা বলেছেন, যেগুলো ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যের বিদ্যমান সীমাবদ্ধতার মধ্যেও বাস্তবায়ন করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে অর্থায়ন, বিমা, পরিবহন ও লজিস্টিক ব্যবস্থার বিষয়গুলো বিবেচনায় নিতে হবে।

বর্তমানে ভারত ও ইরানের মধ্যে বাণিজ্য বেসরকারি পক্ষগুলোর মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এসব পক্ষকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও আর্থিক ব্যবস্থার নানা বিধিনিষেধ ও বাস্তবতা মোকাবিলা করেই বাণিজ্য করতে হয়। ইরানের পক্ষ থেকে পরিবহন ও সামুদ্রিক বিষয়ে সহযোগিতার প্রসঙ্গে চাবাহার বন্দরের বিষয়টি উত্থাপন করা হলে বিক্রম মিশ্রি বলেন, এই কৌশলগত বন্দরের সঙ্গে ভারতের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে। তিনি বলেন, ভারত বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে, যাতে ‘একটি টেকসই পথ খুঁজে বের করা যায়’, বিশেষ করে অঞ্চলটিতে চাবাহার বন্দরের ভূমিকার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে।

চাবাহার বন্দরের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া নিষেধাজ্ঞা থেকে ছাড়ের মেয়াদ চলতি বছরের ২৬ এপ্রিল শেষ হয়ে যায়। এর ফলে ভারতকে ওই বন্দর পরিচালনার দায়িত্ব থেকে সরে আসতে হয়। চাবাহার বন্দরে ভারত উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিনিয়োগ করেছে।

ভারতে অবস্থিত ইরানি দূতাবাস পেজেশকিয়ানের বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলেছে, ‘রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক, সাংস্কৃতিক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট অন্যান্য ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর ব্যাপক সক্ষমতা ইরান ও ভারতের রয়েছে। দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা শক্তিশালী করার পাশাপাশি নিষেধাজ্ঞার প্রভাব মোকাবিলা করতে পারলে আমরা দুই দেশের সম্পর্ককে আরও উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারব।’

দূতাবাসের ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের প্রেসিডেন্ট মোদিকে আরও অনুরোধ করেছেন, বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে ভারতের “বিস্তৃত যোগাযোগ” কাজে লাগিয়ে তাদের যুদ্ধ ও রক্তপাতের পথ থেকে সরে এসে সংলাপ ও সমঝোতার পথে ফিরে যেতে সহায়তা করার জন্য।

মোদি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গেও দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন। চলতি বছরে এটি ছিল দুই নেতার প্রথম সরাসরি সাক্ষাৎ। বিক্রম মিশ্রি জানান, বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বাড়তে থাকা বাণিজ্য ঘাটতির বিষয়টি উঠে আসে। বিশেষ করে ভারত রাশিয়া থেকে বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল বা ক্রুড অয়েল কেনা শুরু করার পর এই বাণিজ্য ঘাটতি বেড়েছে। তিনি বলেন, উভয় পক্ষই বিষয়টি স্বীকার করেছে।

তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন ক্ষেত্রে রাশিয়ায় ভারতের রপ্তানি বাড়ানোর দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য আলোচনা চলছে।’

মিশ্রি আরও বলেন, গত বছর প্রেসিডেন্ট পুতিন বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে এলে প্রধানমন্ত্রী মোদি তার কাছে একটি নথি তুলে দিয়েছিলেন। ওই নথিতে রাশিয়ায় ভারতীয় পণ্যের বাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে যেসব সমস্যা এখনো রয়েছে, সেগুলো বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছিল। এর মধ্যে কিছু অশুল্ক বাধার বিষয়ও ছিল। তিনি বলেন, ‘আমাদের রুশ বন্ধুদের সহযোগিতায় ওই ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে এবং মাংস রপ্তানি, সামুদ্রিক পণ্য রপ্তানি ও কিছু দুগ্ধজাত পণ্যসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে বাজারে প্রবেশের সুযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়েছে।’

রাশিয়ার বিমান হামলায় ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ও এর আশপাশের এলাকায় আজ মঙ্গলবার ৯ জন নিহত এবং প্রায় ডজন খানেকের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে। কিয়েভে রুশ হামলার এটি টানা ষষ্ঠ দিন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

ইরানকে কঠোরভাবে আঘাতের হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, ইরান একটি ‘ব্যর্থ’ ও ‘মৃত’ দেশ। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, ওয়াশিংটনের সহায়তায় প্রতি রাতে প্রায় ৩০টি জাহাজ হরমুজ প্রণালী পার হচ্ছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

মার্কিন সেনাবাহিনীর সচিব ড্যানিয়েল ড্রিসকল পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের সঙ্গে কয়েক মাস ধরে চলা টানাপোড়েনের পর তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।