গ্রামের বড় গাছগুলোতে অবস্থান নেওয়ার পাশাপাশি কখনো মানুষের বাড়ির ছাদ, প্রাচীর কিংবা দোকানের আশপাশেও দেখা যাচ্ছে হনুমানগুলোকে। স্থানীয়দের কেউ কেউ বিস্কুট, পাউরুটি ও অন্যান্য খাবার দিলে সেগুলো নিয়ে খাচ্ছে তারা। ক্ষুধার তাড়নায় মানুষের কাছাকাছি এসেও খাবার খেতে দেখা যাচ্ছে বলে জানান স্থানীয়রা।
স্থানীয়রা জানান, মেহেরপুর ও গাংনী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রায়ই মুখপোড়া হনুমানের আনাগোনা দেখা যায়। কোনো বড় গাছ পেলে সেখানে অবস্থান নেয় তারা। ক্ষুধার্ত হলে বাড়ির ছাদ, প্রাচীর কিংবা দোকানের আশপাশে ঘোরাঘুরি করে। মাঠে খাবার না পেলে গ্রামের ভেতরে ঢুকে পড়ে। এ সময় স্থানীয়রাও আগ্রহ নিয়ে তাদের খাবার দেন।
ঝোড়াঘাট গ্রামের রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বাজারের একটি গাছের ওপর মুখপোড়া হনুমান দেখতে পাই। পরে দোকান থেকে বিস্কুট ও পাউরুটি এনে দিলে সেগুলো হাত থেকে নিয়ে খায়। সাধারণত মুখপোড়া হনুমানগুলো ভারত থেকে আসে বলে শুনেছি। মাঠে যখন খাবার থাকে না, তখন খাবারের খোঁজে লোকালয়ে ঢুকে পড়ে। বর্তমানে মাঠে তেমন খাবার নেই। তাই খাবারের সন্ধানে হনুমানগুলো গ্রামে ঢুকেছে। অধিকাংশ মুখপোড়া হনুমান দলছুট হয়ে বিভিন্ন দিকে ঘুরে বেড়ায়। তবে তাদের জন্য সরকারি কোনো খাবার সরবরাহ করতে দেখিনি।’
মো. সপন আলী বলেন, ‘মাঠে খাবার না থাকায় হনুমানগুলো এলাকায় ঢুকে পড়েছে। দোকানের আশপাশে এলে লোকজন বিভিন্ন খাবার দেয়। অনেক সময় হাতে খাবার নিয়ে আবার গাছের কোনো ডাল বা প্রাচীরের ওপর চলে যায়। পৃথিবীতে ক্ষুধার যন্ত্রণা বড় যন্ত্রণা—তা মানুষ হোক বা পশু।’
মো. মতিয়ার রহমান বলেন, ‘আমাদের গ্রামে প্রতিবছর মুখপোড়া হনুমান আসে। অনেক সময় দেখা যায়, বেশ কিছু হনুমান করমদী গ্রামের জলিলের বাগানে অবস্থান করছে। বাগানে একটি বড় বটগাছ ও দুটি বড় তেঁতুলগাছ রয়েছে। সাধারণত এদিকে হনুমান এলে এসব গাছেই অবস্থান করে। ক্ষুধা লাগলে তখন গ্রামের ভেতরে ঢুকে পড়ে।’
তিনি আরও বলেন, ‘হনুমানগুলো বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়ায়। তাদের নির্দিষ্ট কোনো স্থান নেই। এ কারণেই তিন বছর ধরে তাদের জন্য খাদ্যের কোনো বরাদ্দ নেই। যদি তাদের জন্য নির্দিষ্ট স্থান থাকত এবং সেখানে তারা নিয়মিত অবস্থান করত, তাহলে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে তাদের খাবারের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া যেত।’
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়া এলাকায় মিনিট্রাকের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে চাঁদপুরের দুই যুবক নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মহাসড়কের ঠাকুরদীঘি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগীর সঙ্গে পূর্বপরিচয়ের সূত্র ধরে রাফিদ শিকদার বিভিন্ন সময় যোগাযোগ ও কথাবার্তা বলতেন। একপর্যায়ে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে ভুক্তভোগীর ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও ধারণ করে রাখেন তিনি।
নিহতের স্বজনেরা জানান, শামিমের ভায়রার জানাজা ও দাফনে অংশ নিতে সোমবার বিকেলে বারপুর গ্রামে যান তিনি। রাতে শ্বশুরবাড়িতে অবস্থান করেন। ভোররাত ৩টার দিকে গ্রামের সড়কে হাঁটাহাঁটি করার সময় তাঁকে চোর সন্দেহে নিশিন্দারা ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য এ বি এম শাফিসহ কয়েকজন আটক করেন।
দৈনিক টার্গেট 


















