আজ রোববার জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। তিনি বলেন, ‘আগামীকালকে (সোমবার) থেকে শুরু করে আমরা ১৮ তারিখ পর্যন্ত পার্লামেন্ট চালাব। এটি আজকে কার্য উপদেষ্টা কমিটিতে সে সিদ্ধান্ত হয়েছে।’
চিফ হুইপ বলেন, ইতিমধ্যে তিনটি অধ্যাদেশ ও একটি বিল সংসদে এসেছে। আরও দুই-একটি বিল আসতে পারে। অধ্যাদেশ ও বিলগুলো সংসদ সদস্যদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। ফলে এগুলো নিয়ে প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য সংসদ সদস্যদের যথেষ্ট সময় রয়েছে।
নূরুল ইসলাম মনি বলেন, ‘বিরোধী দল এবং সরকারি দল আমরা সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, যে অধ্যাদেশগুলো এসেছে, অধ্যাদেশ, বিল ইতিমধ্যেই ডিস্ট্রিবিউট করা হয়েছে এবং সব সংসদ সদস্য বিলগুলো পেয়েছে। তো সুতরাং এ বিষয়ে তাদের প্রস্তুতি নেওয়া কোনো কঠিন ব্যাপার না, সেটা তারা নিতে পারবে।’
প্রয়োজনে আলোচনার জন্য সময় বাড়ানো হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এ জন্য আমাদের টাইম কণ্ডন করার যদি দরকার পড়ে, প্রয়োজন হয়, তাহলে আমরা করব—সে ব্যাপারে আমরা ঐকমত্য পোষণ করেছি।’
অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্ব, ৭১ বিধি এবং জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে বলেও জানান তিনি।
অধ্যাদেশ সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে চিফ হুইপ বলেন, সংসদ অধিবেশন না থাকলে কোনো আইন করার প্রয়োজন হলে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করেন। এটি আইনের মতোই কার্যকর হয়। সংসদ বসার পর প্রথম দিনেই অধ্যাদেশ সংসদে উত্থাপন করতে হয়। ৩০ দিনের মধ্যে সংসদে পাস না হলে অধ্যাদেশের কার্যকারিতা থাকে না বলে জানান তিনি।
তিনটি অধ্যাদেশের বিষয়ে চিফ হুইপ বলেন, ‘অধ্যাদেশগুলো তিন দিন আগেই তাদের কাছে পৌঁছে গেছে, সবার কাছে।’
এগুলো হলো সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত অধ্যাদেশ, মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) সংক্রান্ত অধ্যাদেশ এবং বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ।
অধ্যাদেশগুলো নিয়ে বিরোধী দলের প্রস্তুতির বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে চিফ হুইপ বলেন, এগুলো স্থায়ী কমিটিতে যাবে। সেখানে আলোচনা শেষে এক বা দুই দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়া সম্ভব হবে। প্রয়োজন হলে কিছু শব্দ বা অক্ষরে পরিবর্তন আসতে পারে। বিরোধীদলীয় নেতার দেশের বাইরে যাওয়ার বিষয়টিও অধিবেশন সংক্ষিপ্ত করার ক্ষেত্রে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

দৈনিক টার্গেট 
























