০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আগামী বছরের শুরুর দিকেই পদ্মা ব্যারেজ উদ্বোধন: পানিসম্পদমন্ত্রী

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৪:০৪:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১০০ বার পঠিত হয়েছে

আজ শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার হাবাসপুরে প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের একটি মাস্টারমাইন্ড প্রকল্প পদ্মা ব্যারেজ। এই ব্যারেজ দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চলের ৭ কোটি মানুষের স্বপ্ন ছিল। সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বিপ্লবের জন্য এই মেগা প্রকল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে এ অঞ্চলে অর্থনৈতিক ও কৃষি বিপ্লব ঘটবে। বাড়বে বিদ্যুৎ ও মাছের উৎপাদন। এটি একটি আধুনিক প্রকল্প। এর সঙ্গে আরও নানা সুযোগ-সুবিধা যুক্ত হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, ২০০৪ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময়ে পদ্মা ব্যারেজের কারিগরি সমীক্ষা করা হয়েছিল। দীর্ঘদিন পর ২০২৬ সালে প্রকল্পটি অনুমোদন পেয়েছে। ২০২৭ সালের প্রথম তিন মাসের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই প্রকল্প কাজের উদ্বোধন করবেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, রাজবাড়ী-২ আসনের এমপি হারুন-অর-রশিদ হারুন, রাজবাড়ী জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন ও এসপি মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ, বিপিএম-সেবাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে চলতি বছরের ১৩ মে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় পদ্মা ব্যারেজ (প্রথম পর্যায়) নির্মাণ প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্পটির সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা।

গত ২৭ জুলাই থেকে হজের নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন হওয়ার পর বাংলাদেশের চূড়ান্ত হজযাত্রীর সংখ্যা সৌদি কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. মঈনুল হাসান ১৯৮৯ সালের ১ জুলাই নৌবাহিনীতে যোগ দেন এবং ১৯৯২ সালের ১ জানুয়ারি নৌবাহিনীর এক্সিকিউটিভ শাখায় কমিশন লাভ করেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি দেশ-বিদেশে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণ ও উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করেন।

চিফ হুইপ বলেন, দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় সরকার। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বন্ধুত্ব থাকবে, তবে সেই বন্ধুত্ব কোনোভাবেই দেশের স্বার্থের পরিপন্থী হতে দেওয়া হবে না।

জনপ্রিয় টার্গেট

আগামী বছরের শুরুর দিকেই পদ্মা ব্যারেজ উদ্বোধন: পানিসম্পদমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৪:০৪:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আজ শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার হাবাসপুরে প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের একটি মাস্টারমাইন্ড প্রকল্প পদ্মা ব্যারেজ। এই ব্যারেজ দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চলের ৭ কোটি মানুষের স্বপ্ন ছিল। সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বিপ্লবের জন্য এই মেগা প্রকল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে এ অঞ্চলে অর্থনৈতিক ও কৃষি বিপ্লব ঘটবে। বাড়বে বিদ্যুৎ ও মাছের উৎপাদন। এটি একটি আধুনিক প্রকল্প। এর সঙ্গে আরও নানা সুযোগ-সুবিধা যুক্ত হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, ২০০৪ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময়ে পদ্মা ব্যারেজের কারিগরি সমীক্ষা করা হয়েছিল। দীর্ঘদিন পর ২০২৬ সালে প্রকল্পটি অনুমোদন পেয়েছে। ২০২৭ সালের প্রথম তিন মাসের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই প্রকল্প কাজের উদ্বোধন করবেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, রাজবাড়ী-২ আসনের এমপি হারুন-অর-রশিদ হারুন, রাজবাড়ী জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন ও এসপি মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ, বিপিএম-সেবাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে চলতি বছরের ১৩ মে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় পদ্মা ব্যারেজ (প্রথম পর্যায়) নির্মাণ প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্পটির সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা।

গত ২৭ জুলাই থেকে হজের নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন হওয়ার পর বাংলাদেশের চূড়ান্ত হজযাত্রীর সংখ্যা সৌদি কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. মঈনুল হাসান ১৯৮৯ সালের ১ জুলাই নৌবাহিনীতে যোগ দেন এবং ১৯৯২ সালের ১ জানুয়ারি নৌবাহিনীর এক্সিকিউটিভ শাখায় কমিশন লাভ করেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি দেশ-বিদেশে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণ ও উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করেন।

চিফ হুইপ বলেন, দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় সরকার। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বন্ধুত্ব থাকবে, তবে সেই বন্ধুত্ব কোনোভাবেই দেশের স্বার্থের পরিপন্থী হতে দেওয়া হবে না।