ঘুম থেকে উঠেই ক্লান্ত অনুভব করার ৭ কারণ

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৫:৩২:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৯ বার পঠিত হয়েছে

গভীর ঘুম থেকে হঠাৎ জেগে উঠলে কিছু সময়ের জন্য শরীর ও মস্তিষ্ক পুরোপুরি সক্রিয় হয় না। একে বলা হয় স্লিপ ইনার্শিয়া। এ সময়ে ঘুমঘুম ভাব, মাথা কিছুটা ভার লাগা, সিদ্ধান্ত নিতে অসুবিধা কিংবা সূক্ষ্ম কাজ করতে অস্বস্তি হতে পারে। সাধারণত ঘুম ভাঙার পর ১৫ থেকে ৩০ মিনিটের মধ্যে মানুষ স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরে আসে। তাই ঘুম থেকে উঠে কিছুটা অলস বা ক্লান্ত লাগা সব সময় অসুস্থতার লক্ষণ নয়।

প্রতিদিন ভিন্ন সময়ে ঘুমানো ও জাগা, দীর্ঘ সময় দিনের বেলা ঘুমানো কিংবা ঘুমানোর আগে দীর্ঘক্ষণ স্মার্টফোন ও কম্পিউটারের স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকা এসব অভ্যাস ঘুমের মান নষ্ট করতে পারে। ঘর অতিরিক্ত গরম, আলো বা শব্দযুক্ত হওয়া এবং অস্বস্তিকর বালিশ বা বিছানাও ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। ফলে বিছানায় দীর্ঘ সময় কাটালেও সকালে সতেজ অনুভূতি নাও আসতে পারে।

রাতে ঘুমানোর ঠিক আগে অতিরিক্ত ঝাল, তেল-চর্বিযুক্ত বা ভারী খাবার খেলে অনেকের হজমের সমস্যা হতে পারে। এতে ঘুম বারবার ভেঙে যেতে পারে। একইভাবে সন্ধ্যার পর অতিরিক্ত চা, কফি, চকলেট বা ক্যাফেইনযুক্ত খাবার ও পানীয় গ্রহণ ঘুম আসতে দেরি করাতে পারে। ঘুমানোর আগে বেশি পরিমাণে পানি পান করলেও রাতে বারবার প্রস্রাবের জন্য ঘুম ভেঙে যেতে পারে। ফলে সকালে শরীর ক্লান্ত লাগতে পারে।

নিয়মিত শরীরচর্চা ভালো ঘুমে সহায়তা করতে পারে। অন্যদিকে দীর্ঘদিন শারীরিকভাবে নিষ্ক্রিয় থাকলে ঘুমের মানে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। ঘুমানোর ঠিক আগে খুব ভারী ব্যায়াম করা উচিত নয়। তাই দিনের অন্য সময়ে নিয়মিত হাঁটা বা ব্যায়াম করার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত।

ভালো ঘুমের অভ্যাস বজায় রাখার পরও যদি প্রতিদিন সকালে ক্লান্ত লাগে, তাহলে ঘুমজনিত কোনো সমস্যা এর পেছনে আছে কি না, সেটিও বিবেচনা করা প্রয়োজন। যেমন—স্লিপ অ্যাপনিয়ায় ঘুমের মধ্যে কিছু সময়ের জন্য শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যেতে পারে। জোরে নাক ডাকা, ঘুমের মধ্যে হাঁসফাঁস বা বাতাসের জন্য জেগে ওঠা, সকালে মুখ শুকিয়ে যাওয়া, মাথাব্যথা এবং পর্যাপ্ত ঘুমের পরও ক্লান্ত লাগা এর সম্ভাব্য লক্ষণ।

শরীরে আয়রনের ঘাটতি থেকে হওয়া রক্তস্বল্পতার কারণে সারা দিন দুর্বল ও অবসন্ন লাগতে পারে। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরও অতিরিক্ত ক্লান্তি অনুভূত হতে পারে। এর সঙ্গে মাথা ঘোরা, দুর্বলতা, শ্বাসকষ্ট, বুকব্যথা কিংবা হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়ার মতো উপসর্গও দেখা দিতে পারে।

দুশ্চিন্তা ও উদ্বেগ শুধু মনের ওপর নয়, ঘুমের ওপরও প্রভাব ফেলে। অতিরিক্ত চিন্তার কারণে ঘুমাতে দেরি হতে পারে বা রাতে ঘুম বারবার ভেঙে যেতে পারে। এর ফলে সকালে ঘুম থেকে উঠেও শরীর ও মন সতেজ লাগে না। মনোযোগে সমস্যা, অস্থিরতা, অতিরিক্ত চিন্তা, হৃৎস্পন্দন বেড়ে যাওয়া বা ঘাম হওয়ার মতো উপসর্গও উদ্বেগের সঙ্গে থাকতে পারে।

সূত্র: মেডিকেল নিউজ টুডে ও অন্যান্য

নিউইয়র্ক শহরের একটি অদ্ভুত বদভ্যাস আছে। সেখানে খাবার নিয়ে হঠাৎ হঠাৎ ক্ষণস্থায়ী উন্মাদনা তৈরি হয়। একসময় ছিল ম্যাগনোলিয়া বেকারির কাপকেক। এরপর এল ক্রোনাট, কিংবা বিশালাকার লেভাইন কুকিজ। মিষ্টি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ার এসব ভাইরাল ট্রেন্ড হয়তো সাময়িক চমক তৈরি করে, কিন্তু কিছুদিন পর ঠিকই তার আবেদন হারিয়ে ফেলে।

ভাদ্রের এই গরমে মাঝেমধ্যে আইসক্রিম খেতে মন চাইতেই পারে। তালের রস বাড়িতে থাকলে তা দিয়ে আইসক্রিম তৈরি করে নিতে পারেন। আপনাদের জন্য তালের আইসক্রিমের রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খান মুক্তা।

প্রতিবছর বিশ্বে লাখ লাখ মানুষ একটি অচেনা কিন্তু মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে প্রাণ হারান। তার নাম সেপসিস। চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতি সত্ত্বেও এটি এখনো বিশ্বজুড়ে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ। এটি শুধু শারীরিক জটিলতা নয়, বরং এটি জীবাণু এবং মানবদেহের প্রতিরক্ষাব্যবস্থার এক চরম সংঘাতের ফল।

জনপ্রিয় টার্গেট

ক্রিকেটে ফের রাজনীতি: পাকিস্তানি মন্ত্রীর হাত থেকে ট্রফি নিল না ভারত

ঘুম থেকে উঠেই ক্লান্ত অনুভব করার ৭ কারণ

প্রকাশ: ০৫:৩২:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গভীর ঘুম থেকে হঠাৎ জেগে উঠলে কিছু সময়ের জন্য শরীর ও মস্তিষ্ক পুরোপুরি সক্রিয় হয় না। একে বলা হয় স্লিপ ইনার্শিয়া। এ সময়ে ঘুমঘুম ভাব, মাথা কিছুটা ভার লাগা, সিদ্ধান্ত নিতে অসুবিধা কিংবা সূক্ষ্ম কাজ করতে অস্বস্তি হতে পারে। সাধারণত ঘুম ভাঙার পর ১৫ থেকে ৩০ মিনিটের মধ্যে মানুষ স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরে আসে। তাই ঘুম থেকে উঠে কিছুটা অলস বা ক্লান্ত লাগা সব সময় অসুস্থতার লক্ষণ নয়।

প্রতিদিন ভিন্ন সময়ে ঘুমানো ও জাগা, দীর্ঘ সময় দিনের বেলা ঘুমানো কিংবা ঘুমানোর আগে দীর্ঘক্ষণ স্মার্টফোন ও কম্পিউটারের স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকা এসব অভ্যাস ঘুমের মান নষ্ট করতে পারে। ঘর অতিরিক্ত গরম, আলো বা শব্দযুক্ত হওয়া এবং অস্বস্তিকর বালিশ বা বিছানাও ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। ফলে বিছানায় দীর্ঘ সময় কাটালেও সকালে সতেজ অনুভূতি নাও আসতে পারে।

রাতে ঘুমানোর ঠিক আগে অতিরিক্ত ঝাল, তেল-চর্বিযুক্ত বা ভারী খাবার খেলে অনেকের হজমের সমস্যা হতে পারে। এতে ঘুম বারবার ভেঙে যেতে পারে। একইভাবে সন্ধ্যার পর অতিরিক্ত চা, কফি, চকলেট বা ক্যাফেইনযুক্ত খাবার ও পানীয় গ্রহণ ঘুম আসতে দেরি করাতে পারে। ঘুমানোর আগে বেশি পরিমাণে পানি পান করলেও রাতে বারবার প্রস্রাবের জন্য ঘুম ভেঙে যেতে পারে। ফলে সকালে শরীর ক্লান্ত লাগতে পারে।

নিয়মিত শরীরচর্চা ভালো ঘুমে সহায়তা করতে পারে। অন্যদিকে দীর্ঘদিন শারীরিকভাবে নিষ্ক্রিয় থাকলে ঘুমের মানে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। ঘুমানোর ঠিক আগে খুব ভারী ব্যায়াম করা উচিত নয়। তাই দিনের অন্য সময়ে নিয়মিত হাঁটা বা ব্যায়াম করার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত।

ভালো ঘুমের অভ্যাস বজায় রাখার পরও যদি প্রতিদিন সকালে ক্লান্ত লাগে, তাহলে ঘুমজনিত কোনো সমস্যা এর পেছনে আছে কি না, সেটিও বিবেচনা করা প্রয়োজন। যেমন—স্লিপ অ্যাপনিয়ায় ঘুমের মধ্যে কিছু সময়ের জন্য শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যেতে পারে। জোরে নাক ডাকা, ঘুমের মধ্যে হাঁসফাঁস বা বাতাসের জন্য জেগে ওঠা, সকালে মুখ শুকিয়ে যাওয়া, মাথাব্যথা এবং পর্যাপ্ত ঘুমের পরও ক্লান্ত লাগা এর সম্ভাব্য লক্ষণ।

শরীরে আয়রনের ঘাটতি থেকে হওয়া রক্তস্বল্পতার কারণে সারা দিন দুর্বল ও অবসন্ন লাগতে পারে। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরও অতিরিক্ত ক্লান্তি অনুভূত হতে পারে। এর সঙ্গে মাথা ঘোরা, দুর্বলতা, শ্বাসকষ্ট, বুকব্যথা কিংবা হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়ার মতো উপসর্গও দেখা দিতে পারে।

দুশ্চিন্তা ও উদ্বেগ শুধু মনের ওপর নয়, ঘুমের ওপরও প্রভাব ফেলে। অতিরিক্ত চিন্তার কারণে ঘুমাতে দেরি হতে পারে বা রাতে ঘুম বারবার ভেঙে যেতে পারে। এর ফলে সকালে ঘুম থেকে উঠেও শরীর ও মন সতেজ লাগে না। মনোযোগে সমস্যা, অস্থিরতা, অতিরিক্ত চিন্তা, হৃৎস্পন্দন বেড়ে যাওয়া বা ঘাম হওয়ার মতো উপসর্গও উদ্বেগের সঙ্গে থাকতে পারে।

সূত্র: মেডিকেল নিউজ টুডে ও অন্যান্য

নিউইয়র্ক শহরের একটি অদ্ভুত বদভ্যাস আছে। সেখানে খাবার নিয়ে হঠাৎ হঠাৎ ক্ষণস্থায়ী উন্মাদনা তৈরি হয়। একসময় ছিল ম্যাগনোলিয়া বেকারির কাপকেক। এরপর এল ক্রোনাট, কিংবা বিশালাকার লেভাইন কুকিজ। মিষ্টি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ার এসব ভাইরাল ট্রেন্ড হয়তো সাময়িক চমক তৈরি করে, কিন্তু কিছুদিন পর ঠিকই তার আবেদন হারিয়ে ফেলে।

ভাদ্রের এই গরমে মাঝেমধ্যে আইসক্রিম খেতে মন চাইতেই পারে। তালের রস বাড়িতে থাকলে তা দিয়ে আইসক্রিম তৈরি করে নিতে পারেন। আপনাদের জন্য তালের আইসক্রিমের রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খান মুক্তা।

প্রতিবছর বিশ্বে লাখ লাখ মানুষ একটি অচেনা কিন্তু মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে প্রাণ হারান। তার নাম সেপসিস। চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতি সত্ত্বেও এটি এখনো বিশ্বজুড়ে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ। এটি শুধু শারীরিক জটিলতা নয়, বরং এটি জীবাণু এবং মানবদেহের প্রতিরক্ষাব্যবস্থার এক চরম সংঘাতের ফল।