শিক্ষার্থীর মৃত্যু: শিক্ষক সুদীপ চক্রবর্তীকে কারাগারে রাখার আবেদন

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০১:১২:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ১২৮ বার পঠিত হয়েছে
ঢাকায় এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘিরে শিক্ষাঙ্গনে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

মুনিরা মাহজাবিন মিমো নামের ওই শিক্ষার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রী ছিলেন। তিনি রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় পরিবারের সঙ্গে বসবাস করতেন। রবিবার সকালে নিজ কক্ষ থেকে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় শিক্ষার্থীর বাবা অভিযোগ এনে একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তী-এর বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা দায়ের করেন। মামলার পরপরই পুলিশ তাকে আটক করে এবং পরবর্তীতে গ্রেপ্তার দেখায়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, বাড্ডা থানার এসআই কাজী ইকবাল হোসেন সোমবার আদালতে আবেদন করেন, তদন্ত চলাকালীন সময় আসামিকে কারাগারে আটক রাখা প্রয়োজন। তিনি জানান, তদন্তের অগ্রগতির স্বার্থে ভবিষ্যতে রিমান্ডেও নেওয়া হতে পারে।

পুলিশের আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে উত্তর বাড্ডা এলাকায় অভিযান চালিয়ে রবিবার বিকেলে সুদীপ চক্রবর্তীকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও অনুসন্ধানে মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কিছু তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে, যা তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছে পুলিশ। সেখানে আর্থিক লেনদেন ও ব্যক্তিগত সম্পর্কের ইঙ্গিতপূর্ণ কিছু কথা লেখা ছিল।

এদিকে, ঘটনাটি তদন্তাধীন থাকায় বিস্তারিত তথ্য এখনই প্রকাশ করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। আদালতে আবেদনের পর শুনানির মাধ্যমে আসামির পরবর্তী অবস্থান নির্ধারণ করা হবে।

এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় মহলসহ সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে এবং দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠছে।

শিক্ষার্থীর মৃত্যু: শিক্ষক সুদীপ চক্রবর্তীকে কারাগারে রাখার আবেদন

প্রকাশ: ০১:১২:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
ঢাকায় এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘিরে শিক্ষাঙ্গনে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

মুনিরা মাহজাবিন মিমো নামের ওই শিক্ষার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রী ছিলেন। তিনি রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় পরিবারের সঙ্গে বসবাস করতেন। রবিবার সকালে নিজ কক্ষ থেকে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় শিক্ষার্থীর বাবা অভিযোগ এনে একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তী-এর বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা দায়ের করেন। মামলার পরপরই পুলিশ তাকে আটক করে এবং পরবর্তীতে গ্রেপ্তার দেখায়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, বাড্ডা থানার এসআই কাজী ইকবাল হোসেন সোমবার আদালতে আবেদন করেন, তদন্ত চলাকালীন সময় আসামিকে কারাগারে আটক রাখা প্রয়োজন। তিনি জানান, তদন্তের অগ্রগতির স্বার্থে ভবিষ্যতে রিমান্ডেও নেওয়া হতে পারে।

পুলিশের আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে উত্তর বাড্ডা এলাকায় অভিযান চালিয়ে রবিবার বিকেলে সুদীপ চক্রবর্তীকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও অনুসন্ধানে মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কিছু তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে, যা তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছে পুলিশ। সেখানে আর্থিক লেনদেন ও ব্যক্তিগত সম্পর্কের ইঙ্গিতপূর্ণ কিছু কথা লেখা ছিল।

এদিকে, ঘটনাটি তদন্তাধীন থাকায় বিস্তারিত তথ্য এখনই প্রকাশ করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। আদালতে আবেদনের পর শুনানির মাধ্যমে আসামির পরবর্তী অবস্থান নির্ধারণ করা হবে।

এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় মহলসহ সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে এবং দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠছে।