ঢাবি শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু, শিক্ষক-সহপাঠী জিজ্ঞাসাবাদে

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৪:১৮:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৪৮ বার পঠিত হয়েছে

মুনিরা মাহজাবিন মিমো

ঢাকায় এক মর্মান্তিক ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্সের ছাত্রী মুনিরা মাহজাবিন মিমো নিজ বাসায় মারা গেছেন-প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

মিমো থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগ-এর শিক্ষার্থী ছিলেন এবং রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় পরিবারের সঙ্গে বসবাস করতেন। তার মৃত্যুর পর ঘটনাস্থল থেকে একটি লিখিত নোট উদ্ধার করা হয়েছে, যা তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ওই নোটে একজন শিক্ষককে অর্থ দেওয়ার প্রসঙ্গ এবং আরও দুজনের নাম উল্লেখ ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ঘটনার পরপরই পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল-এর মর্গে পাঠায়। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক অনুসন্ধানে কিছু তথ্য ও আলামত পাওয়ার ভিত্তিতে বিভাগের একজন শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মিমোর এক ঘনিষ্ঠ সহপাঠীকেও জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনা হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এ বিষয়ে বিভাগের চেয়ারম্যান কাজী তামান্না হক সিগমা জানান, ঘটনাটি জানার পর শিক্ষকরা মিমোর বাসায় যান এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়। সেখানে কিছু যোগাযোগের সূত্র পাওয়া গেছে, যা তদন্তে নতুন দিক নির্দেশ করছে। সেই সূত্র ধরেই সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়া হয়েছে।

পুরো ঘটনাটি ঘিরে শিক্ষাঙ্গনে উদ্বেগ ও শোকের আবহ তৈরি হয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত কিছু বলা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ঢাবি শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু, শিক্ষক-সহপাঠী জিজ্ঞাসাবাদে

প্রকাশ: ০৪:১৮:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকায় এক মর্মান্তিক ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্সের ছাত্রী মুনিরা মাহজাবিন মিমো নিজ বাসায় মারা গেছেন-প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

মিমো থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগ-এর শিক্ষার্থী ছিলেন এবং রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় পরিবারের সঙ্গে বসবাস করতেন। তার মৃত্যুর পর ঘটনাস্থল থেকে একটি লিখিত নোট উদ্ধার করা হয়েছে, যা তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ওই নোটে একজন শিক্ষককে অর্থ দেওয়ার প্রসঙ্গ এবং আরও দুজনের নাম উল্লেখ ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ঘটনার পরপরই পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল-এর মর্গে পাঠায়। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক অনুসন্ধানে কিছু তথ্য ও আলামত পাওয়ার ভিত্তিতে বিভাগের একজন শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মিমোর এক ঘনিষ্ঠ সহপাঠীকেও জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনা হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এ বিষয়ে বিভাগের চেয়ারম্যান কাজী তামান্না হক সিগমা জানান, ঘটনাটি জানার পর শিক্ষকরা মিমোর বাসায় যান এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়। সেখানে কিছু যোগাযোগের সূত্র পাওয়া গেছে, যা তদন্তে নতুন দিক নির্দেশ করছে। সেই সূত্র ধরেই সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়া হয়েছে।

পুরো ঘটনাটি ঘিরে শিক্ষাঙ্গনে উদ্বেগ ও শোকের আবহ তৈরি হয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত কিছু বলা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।