ভূরুঙ্গামারীতে বাজেয়াপ্ত ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ধ্বংস করল কাস্টমস

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৭:০১:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫ বার পঠিত হয়েছে

বাজেয়াপ্ত ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্যের মধ্যে ওষুধ, সার, খাদ্যদ্রব্য, তামাকজাত দ্রব্য, কারেন্ট জাল, শাড়ি, ওড়না, চাদর ও প্রসাধনী সামগ্রী ছিল। এসব পণ্যের ওজন প্রায় ১৫ হাজার ২০০ কেজি। যার আনুমানিক মূল্য ২৩ লাখ টাকা।

রংপুর কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের যুগ্ম কমিশনার মো. ফয়সাল বিন রহমান বলেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের স্থায়ী আদেশ মোতাবেক শুল্ক গুদামে সংরক্ষিত বাজেয়াপ্ত ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ধ্বংস করা হয়েছে। বাজেয়াপ্ত ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্যের আনুমানিক মূল্য ২৩ লাখ টাকা।

কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট রংপুরের কমিশনার মুহাম্মদ রাশেদুল আলমের তত্ত্বাবধানে ধ্বংস কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এ সময় ধ্বংসকরণ কমিটির সদস্যসচিব কুড়িগ্রাম কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগের সহকারী কমিশনার সাঈদুর রহমান মুন্না, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল হক তারেক, নাগেশ্বরী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার গোলাম মোর্শেদ, কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়ন (২২ বিজিবি) সহকারী পরিচালক মতিউর রহমান, সোনাহাট স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) বদিউজ্জামান, কুড়িগ্রাম পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম, কুড়িগ্রাম ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক এনামুল হক, ভূরুঙ্গামারী কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট সার্কেলের রাজস্ব কর্মকর্তা জহির রায়হান সিদ্দিক ও ভূরুঙ্গামারী শুল্ক গুদাম কর্মকর্তা জুনেদ আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

গণ-অভ্যুত্থানের পর স্থানীয়দের আন্দোলনের মুখে যশোরের মনিরামপুরের রাজগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ থেকে বিতাড়িত হন অধ্যক্ষ আব্দুল লতিফ। এরপর দুই বছরের বেশি কেটে গেলেও তিনি কলেজে ফিরতে পারেননি। গতকাল রোববার হঠাৎ কলেজে এসে নিজ চেয়ারে বসেন আব্দুল লতিফ।

বরিশালের মুলাদীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে প্রায় ৭০০ কেজি ওষুধ মেশানো পোয়া মাছ জব্দ করা হয়েছে। পরে জব্দ করা মাছ মাটিচাপা দিয়ে ধ্বংস করা হয়। এ সময় মজিবুর রহমান নামের এক মাছ ব্যবসায়ীকে আটক করেছে প্রশাসন।

সম্প্রতি সেরাল গ্রামে জনগণের মনে আতঙ্ক এবং ভীতি সৃষ্টি করতে সড়কে মিছিলের প্রস্তুতি নেয়। এতে আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাতসহ নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা অংশ নেয়। পরে এ ঘটনায় থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়। সেই মামলায় অজ্ঞাত আসামি হিসেবে আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাতকে…

জনপ্রিয় টার্গেট

রোগী বাড়লেও বাড়েনি সেবা ব্যবস্থাপনা, হাসপাতালে এক শয্যায় ৩ রোগী

ভূরুঙ্গামারীতে বাজেয়াপ্ত ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ধ্বংস করল কাস্টমস

প্রকাশ: ০৭:০১:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাজেয়াপ্ত ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্যের মধ্যে ওষুধ, সার, খাদ্যদ্রব্য, তামাকজাত দ্রব্য, কারেন্ট জাল, শাড়ি, ওড়না, চাদর ও প্রসাধনী সামগ্রী ছিল। এসব পণ্যের ওজন প্রায় ১৫ হাজার ২০০ কেজি। যার আনুমানিক মূল্য ২৩ লাখ টাকা।

রংপুর কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের যুগ্ম কমিশনার মো. ফয়সাল বিন রহমান বলেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের স্থায়ী আদেশ মোতাবেক শুল্ক গুদামে সংরক্ষিত বাজেয়াপ্ত ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ধ্বংস করা হয়েছে। বাজেয়াপ্ত ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্যের আনুমানিক মূল্য ২৩ লাখ টাকা।

কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট রংপুরের কমিশনার মুহাম্মদ রাশেদুল আলমের তত্ত্বাবধানে ধ্বংস কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এ সময় ধ্বংসকরণ কমিটির সদস্যসচিব কুড়িগ্রাম কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগের সহকারী কমিশনার সাঈদুর রহমান মুন্না, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল হক তারেক, নাগেশ্বরী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার গোলাম মোর্শেদ, কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়ন (২২ বিজিবি) সহকারী পরিচালক মতিউর রহমান, সোনাহাট স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) বদিউজ্জামান, কুড়িগ্রাম পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম, কুড়িগ্রাম ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক এনামুল হক, ভূরুঙ্গামারী কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট সার্কেলের রাজস্ব কর্মকর্তা জহির রায়হান সিদ্দিক ও ভূরুঙ্গামারী শুল্ক গুদাম কর্মকর্তা জুনেদ আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

গণ-অভ্যুত্থানের পর স্থানীয়দের আন্দোলনের মুখে যশোরের মনিরামপুরের রাজগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ থেকে বিতাড়িত হন অধ্যক্ষ আব্দুল লতিফ। এরপর দুই বছরের বেশি কেটে গেলেও তিনি কলেজে ফিরতে পারেননি। গতকাল রোববার হঠাৎ কলেজে এসে নিজ চেয়ারে বসেন আব্দুল লতিফ।

বরিশালের মুলাদীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে প্রায় ৭০০ কেজি ওষুধ মেশানো পোয়া মাছ জব্দ করা হয়েছে। পরে জব্দ করা মাছ মাটিচাপা দিয়ে ধ্বংস করা হয়। এ সময় মজিবুর রহমান নামের এক মাছ ব্যবসায়ীকে আটক করেছে প্রশাসন।

সম্প্রতি সেরাল গ্রামে জনগণের মনে আতঙ্ক এবং ভীতি সৃষ্টি করতে সড়কে মিছিলের প্রস্তুতি নেয়। এতে আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাতসহ নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা অংশ নেয়। পরে এ ঘটনায় থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়। সেই মামলায় অজ্ঞাত আসামি হিসেবে আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাতকে…