বাসের সাইড বক্সে পাওয়া শতাধিক প্যারাকিট টিয়া উড়ে গেল আকাশে

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০২:৫৪:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৭ বার পঠিত হয়েছে

গতকাল বুধবার রাত ১১টার দিকে বগুড়া শহরের ঠনঠনিয়া এলাকায় নওগাঁ থেকে ঢাকাগামী আল বাকারা ট্রাভেলসের একটি বাসে তল্লাশি চালিয়ে পাখিগুলো উদ্ধার করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বগুড়ার পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদের উপস্থিতিতে বন বিভাগের কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় পাখিগুলো অবমুক্ত করা হয়।

বগুড়া জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ইনচার্জ ইকবাল বাহার জানান, কয়েকজন পাখি ব্যবসায়ী বিপুলসংখ্যক প্যারাকিট টিয়া পাচারের উদ্দেশ্যে ঢাকায় নিয়ে যাচ্ছেন—এমন তথ্যের ভিত্তিতে ডিবির একটি দল ঠনঠনিয়া এলাকায় অবস্থান নেয়। পরে নওগাঁ থেকে ঢাকাগামী আল বাকারা ট্রাভেলসের বাসটিতে তল্লাশি চালানো হয়।

তিনি বলেন, বাসের সাইড বক্সের ভেতর ১০টি প্লাস্টিকের খাঁচা পাওয়া যায়। এসব খাঁচায় মোট ১০৩টি প্যারাকিট টিয়া পাখি ছিল। ডিবি পুলিশ পাখিগুলো উদ্ধার করে হেফাজতে নেয়। তবে তল্লাশির খবর পেয়ে পাখিগুলোর সঙ্গে থাকা পাচারকারী বাস থেকে নেমে পালিয়ে যান।

ইকবাল বাহার আরও জানান, উদ্ধার করা পাখিগুলো বৃহস্পতিবার বন বিভাগের কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় অবমুক্ত করা হয়েছে।

ইউএনও দিদারুল আলম বলেন, বালিকা বিদ্যালয়টি সরকারি প্রতিষ্ঠান হওয়ায় অভিযুক্ত শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করার এখতিয়ার উপজেলা প্রশাসনের নেই। তবে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে তাঁকে পাঠদান থেকে অব্যাহতি দিয়ে বিদ্যালয়ে আসতে নিষেধ করা হয়েছে।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহিদ হোসেন বলেন, ‘ভাঙন রোধে শুধু বালুর বস্তা দিয়ে স্থায়ী সমাধান করা যায় না। এর জন্য সঠিক ও টেকসই পরিকল্পনা প্রয়োজন। আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বাস্তব চিত্র দেখে গেলাম। ভাঙন রোধে টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেছেন, মামলাটি একটি বৈষম্যবিরোধী রাজনৈতিক চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলা। মামলার তদন্তকালে তদন্তে আসামি ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত থাকার তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে।

জনপ্রিয় টার্গেট

শিবিরের কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনায় অতিথি জাল সনদে চাকরি হারানো সেই জাহাঙ্গীর

বাসের সাইড বক্সে পাওয়া শতাধিক প্যারাকিট টিয়া উড়ে গেল আকাশে

প্রকাশ: ০২:৫৪:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গতকাল বুধবার রাত ১১টার দিকে বগুড়া শহরের ঠনঠনিয়া এলাকায় নওগাঁ থেকে ঢাকাগামী আল বাকারা ট্রাভেলসের একটি বাসে তল্লাশি চালিয়ে পাখিগুলো উদ্ধার করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বগুড়ার পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদের উপস্থিতিতে বন বিভাগের কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় পাখিগুলো অবমুক্ত করা হয়।

বগুড়া জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ইনচার্জ ইকবাল বাহার জানান, কয়েকজন পাখি ব্যবসায়ী বিপুলসংখ্যক প্যারাকিট টিয়া পাচারের উদ্দেশ্যে ঢাকায় নিয়ে যাচ্ছেন—এমন তথ্যের ভিত্তিতে ডিবির একটি দল ঠনঠনিয়া এলাকায় অবস্থান নেয়। পরে নওগাঁ থেকে ঢাকাগামী আল বাকারা ট্রাভেলসের বাসটিতে তল্লাশি চালানো হয়।

তিনি বলেন, বাসের সাইড বক্সের ভেতর ১০টি প্লাস্টিকের খাঁচা পাওয়া যায়। এসব খাঁচায় মোট ১০৩টি প্যারাকিট টিয়া পাখি ছিল। ডিবি পুলিশ পাখিগুলো উদ্ধার করে হেফাজতে নেয়। তবে তল্লাশির খবর পেয়ে পাখিগুলোর সঙ্গে থাকা পাচারকারী বাস থেকে নেমে পালিয়ে যান।

ইকবাল বাহার আরও জানান, উদ্ধার করা পাখিগুলো বৃহস্পতিবার বন বিভাগের কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় অবমুক্ত করা হয়েছে।

ইউএনও দিদারুল আলম বলেন, বালিকা বিদ্যালয়টি সরকারি প্রতিষ্ঠান হওয়ায় অভিযুক্ত শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করার এখতিয়ার উপজেলা প্রশাসনের নেই। তবে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে তাঁকে পাঠদান থেকে অব্যাহতি দিয়ে বিদ্যালয়ে আসতে নিষেধ করা হয়েছে।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহিদ হোসেন বলেন, ‘ভাঙন রোধে শুধু বালুর বস্তা দিয়ে স্থায়ী সমাধান করা যায় না। এর জন্য সঠিক ও টেকসই পরিকল্পনা প্রয়োজন। আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বাস্তব চিত্র দেখে গেলাম। ভাঙন রোধে টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেছেন, মামলাটি একটি বৈষম্যবিরোধী রাজনৈতিক চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলা। মামলার তদন্তকালে তদন্তে আসামি ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত থাকার তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে।