ছিনতাই করা সোনা উদ্ধার, পুলিশ কনস্টেবল জাকির গ্রেপ্তার

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০১:৫৯:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৮ বার পঠিত হয়েছে

গতকাল শনিবার রাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় মামলাটি করেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী নিঝুম। কনস্টেবল জাকির মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। পাশাপাশি আরও দুজনের নাম আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া আরও একজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার পর রাতেই এজাহারভুক্ত আসামি ও বাদীর দুলাভাই মোহাম্মদ আলীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর বাড়ি থেকেই রাতে সাড়ে ২০ ভরি সোনা উদ্ধার করেছে পুলিশ। জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) এ এন এম ওয়াসিম ফিরোজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, প্রাথমিক তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে পুলিশ কনস্টেবল জাকির হোসেনসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুরেই তাঁদের আদালতে তোলা হবে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা প্রয়োজন বোধ করলে আসামিদের রিমান্ডের আবেদন করবেন বলেও জানান তিনি।

কনস্টেবল জাকির চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর পুলিশ ফাঁড়ির অফিসার্স মেসে কর্মরত ছিলেন। তাঁর বাড়ি রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার শ্যামপুর গ্রামে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরে মরা পাগলা নদীর কালীনগর ব্রিজের পাশে গত ৮ আগস্ট বেলা ৩টার দিকে সোনা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে।

গলিত অবস্থায় থাকা ওই ৪০ ভরি সোনা রাজশাহী থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের এক ব্যবসায়ীর কাছে পাঠিয়েছিলেন ব্যবসায়ী নিঝুম। রাজশাহী থেকে সোনাগুলো চাঁপাইনবাবগঞ্জ নিয়ে যান নিঝুমেরই দুলাভাই মোহাম্মদ আলী। তাঁর বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জের চকআলমপুরে। পুলিশ কনস্টেবল জাকির হোসেন এই মোহাম্মদ আলীর ছেলে মো. নয়নের বন্ধু। মোহাম্মদ আলী সোনার চালানটি চাঁপাইনবাবগঞ্জের ওই ব্যবসায়ীর হাতে তুলে দেওয়ার দুই মিনিটের মধ্যে সেখানে হাজির হন কনস্টেবল জাকিরসহ দুজন। পরে পুলিশ পরিচয়ে তাঁরা ওই সোনা নিয়ে চলে যান। এরপর এক মাসের ছুটি নিয়ে গ্রামের বাড়ি চলে যান কনস্টেবল জাকির হোসেন। ছুটি শেষে কয়েকদিন আগে তিনি কর্মস্থলে যোগ দেন। পরে তাঁকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়। মামলার পর পুলিশ লাইনস থেকেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তার মোহাম্মদ আলী পুলিশকে ২০ ভরি সোনা দেওয়ার সময় জানিয়েছেন- বাকি ২০ ভরি স্বর্ণ আছে পুলিশ কনস্টেবল জাকির হোসেনের কাছে। তিনিই সোনার চালানটি নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি জাকিরকে জানিয়েছিলেন। সোনা হস্তান্তরের পর জাকির অভিযানের নামে ওই সোনা ছিনিয়ে নেন। পরবর্তী সময়ে ৪০ ভরি সোনা তাঁরা ভাগাভাগি করে নিয়েছিলেন বলেও জানিয়েছেন। তবে কনস্টেবল জাকির এখনো পর্যন্ত ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেননি। বের করে দেননি তাঁর হেফাজতে থাকা বাকি ২০ ভরি সোনা।

যদিও ঘটনার দিন সিসি ক্যামেরার ফুটেজে জাকির হোসেনসহ দুজনকে তাঁর অ্যাপাচি মোটরসাইকেল নিয়ে কালীনগর ব্রিজের দিকে যেতে দেখা যায়। ঘটনার দিন, আগের দিন ও পরদিন মোহাম্মদ আলী ও তাঁর ছেলে নয়নের সঙ্গে অসংখ্যবার মোবাইলে কথা হয়েছে জাকিরের। এরমধ্যে ঘটনার দুই দিন আগে ৬ আগস্ট জাকির তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর থেকে নয়নের মোবাইল নম্বরে ১০ বার কথা বলেছেন। আগের দিন ৭ আগস্ট একই নম্বরে জাকির কথা বলেছেন ২৫ বার। সেদিন মোহাম্মদ আলীর নম্বরেও কথা বলেছেন ৭ বার। ঘটনার দিন ৮ আগস্ট জাকির ও নয়নের মোবাইলে কথা হয়েছে ১০ বার। একই দিন নয়নের বাবা মোহাম্মদ আলীর সঙ্গে জাকিরের কথা হয়েছে ১১ বার। তবে স্বর্ণ ছিনতাইয়ের পরদিন নয়ন কিংবা তার বাবা মোহাম্মদ আলীর সঙ্গে জাকিরের কোনো কথা হয়নি।

সোনা ছিনতাইয়ের ঘটনাটি জানাজানি হলে কনস্টেবল জাকিরকে প্রত্যাহারের পাশাপাশি জেলা পুলিশের সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইয়াসির আরাফাতকে অনুসন্ধানেরও দায়িত্ব দেওয়া হয়। তাঁকে ১০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়। এরমধ্যেই ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মামলা করলে জাকিরসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধার করা হয় ছিনতাই হওয়া সোনার অর্ধেক। বাকি অর্ধেক সোনা উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) এ এন এম ওয়াসিম ফিরোজ রোববার সকালে জানিয়েছেন, জাকির হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করতে চিঠিও প্রস্তুত হয়েছে। পুলিশ সুপার আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় আছেন। তিনি ফেরার পর সাময়িক বরখাস্তের আদেশে স্বাক্ষর করবেন। তিনি জানান, মোহাম্মদ আলী সোনা বের করে দিলেও কনস্টেবল জাকির এখনো দেননি। এই সোনা উদ্ধারের চেষ্টা করছে পুলিশ।

খাইরুল ইসলাম রোমান বলেন, ‘ফরিদপুরে ফ্যাসিবাদ কায়েমের জন্য মঞ্জুর এলাহিকে সিভিল সার্জন করা হয়েছে। এটা আমরা মেনে নেব না। কোনো অবস্থাতেই তাঁকে ফরিদপুরে আসতে দেওয়া হবে না। মঞ্জুর এলাহির নিয়োগের আদেশ বাতিল করা না হলে ফরিদপুরে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।’

বাগেরহাটের মোল্লাহাটে শাপলা তুলতে বিলে নেমে পানিতে ডুবে লামিয়া আক্তার (৮) ও জান্নাতি আক্তার (১১) নামের দুই চাচাতো বোনের মৃত্যু হয়েছে। আজ রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার দারিয়াতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় মাদকের টাকার জন্য মাকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বড় ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে গেন্দু মিয়া (৩০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তাঁর বড় ভাই হৃদয় মিয়াকে আটক করেছে পুলিশ…

জনপ্রিয় টার্গেট

এক মোটরসাইকেলে ৪ কিশোর, ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধের

ছিনতাই করা সোনা উদ্ধার, পুলিশ কনস্টেবল জাকির গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ০১:৫৯:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গতকাল শনিবার রাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় মামলাটি করেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী নিঝুম। কনস্টেবল জাকির মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। পাশাপাশি আরও দুজনের নাম আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া আরও একজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার পর রাতেই এজাহারভুক্ত আসামি ও বাদীর দুলাভাই মোহাম্মদ আলীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর বাড়ি থেকেই রাতে সাড়ে ২০ ভরি সোনা উদ্ধার করেছে পুলিশ। জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) এ এন এম ওয়াসিম ফিরোজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, প্রাথমিক তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে পুলিশ কনস্টেবল জাকির হোসেনসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুরেই তাঁদের আদালতে তোলা হবে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা প্রয়োজন বোধ করলে আসামিদের রিমান্ডের আবেদন করবেন বলেও জানান তিনি।

কনস্টেবল জাকির চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর পুলিশ ফাঁড়ির অফিসার্স মেসে কর্মরত ছিলেন। তাঁর বাড়ি রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার শ্যামপুর গ্রামে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরে মরা পাগলা নদীর কালীনগর ব্রিজের পাশে গত ৮ আগস্ট বেলা ৩টার দিকে সোনা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে।

গলিত অবস্থায় থাকা ওই ৪০ ভরি সোনা রাজশাহী থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের এক ব্যবসায়ীর কাছে পাঠিয়েছিলেন ব্যবসায়ী নিঝুম। রাজশাহী থেকে সোনাগুলো চাঁপাইনবাবগঞ্জ নিয়ে যান নিঝুমেরই দুলাভাই মোহাম্মদ আলী। তাঁর বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জের চকআলমপুরে। পুলিশ কনস্টেবল জাকির হোসেন এই মোহাম্মদ আলীর ছেলে মো. নয়নের বন্ধু। মোহাম্মদ আলী সোনার চালানটি চাঁপাইনবাবগঞ্জের ওই ব্যবসায়ীর হাতে তুলে দেওয়ার দুই মিনিটের মধ্যে সেখানে হাজির হন কনস্টেবল জাকিরসহ দুজন। পরে পুলিশ পরিচয়ে তাঁরা ওই সোনা নিয়ে চলে যান। এরপর এক মাসের ছুটি নিয়ে গ্রামের বাড়ি চলে যান কনস্টেবল জাকির হোসেন। ছুটি শেষে কয়েকদিন আগে তিনি কর্মস্থলে যোগ দেন। পরে তাঁকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়। মামলার পর পুলিশ লাইনস থেকেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তার মোহাম্মদ আলী পুলিশকে ২০ ভরি সোনা দেওয়ার সময় জানিয়েছেন- বাকি ২০ ভরি স্বর্ণ আছে পুলিশ কনস্টেবল জাকির হোসেনের কাছে। তিনিই সোনার চালানটি নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি জাকিরকে জানিয়েছিলেন। সোনা হস্তান্তরের পর জাকির অভিযানের নামে ওই সোনা ছিনিয়ে নেন। পরবর্তী সময়ে ৪০ ভরি সোনা তাঁরা ভাগাভাগি করে নিয়েছিলেন বলেও জানিয়েছেন। তবে কনস্টেবল জাকির এখনো পর্যন্ত ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেননি। বের করে দেননি তাঁর হেফাজতে থাকা বাকি ২০ ভরি সোনা।

যদিও ঘটনার দিন সিসি ক্যামেরার ফুটেজে জাকির হোসেনসহ দুজনকে তাঁর অ্যাপাচি মোটরসাইকেল নিয়ে কালীনগর ব্রিজের দিকে যেতে দেখা যায়। ঘটনার দিন, আগের দিন ও পরদিন মোহাম্মদ আলী ও তাঁর ছেলে নয়নের সঙ্গে অসংখ্যবার মোবাইলে কথা হয়েছে জাকিরের। এরমধ্যে ঘটনার দুই দিন আগে ৬ আগস্ট জাকির তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর থেকে নয়নের মোবাইল নম্বরে ১০ বার কথা বলেছেন। আগের দিন ৭ আগস্ট একই নম্বরে জাকির কথা বলেছেন ২৫ বার। সেদিন মোহাম্মদ আলীর নম্বরেও কথা বলেছেন ৭ বার। ঘটনার দিন ৮ আগস্ট জাকির ও নয়নের মোবাইলে কথা হয়েছে ১০ বার। একই দিন নয়নের বাবা মোহাম্মদ আলীর সঙ্গে জাকিরের কথা হয়েছে ১১ বার। তবে স্বর্ণ ছিনতাইয়ের পরদিন নয়ন কিংবা তার বাবা মোহাম্মদ আলীর সঙ্গে জাকিরের কোনো কথা হয়নি।

সোনা ছিনতাইয়ের ঘটনাটি জানাজানি হলে কনস্টেবল জাকিরকে প্রত্যাহারের পাশাপাশি জেলা পুলিশের সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইয়াসির আরাফাতকে অনুসন্ধানেরও দায়িত্ব দেওয়া হয়। তাঁকে ১০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়। এরমধ্যেই ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মামলা করলে জাকিরসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধার করা হয় ছিনতাই হওয়া সোনার অর্ধেক। বাকি অর্ধেক সোনা উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) এ এন এম ওয়াসিম ফিরোজ রোববার সকালে জানিয়েছেন, জাকির হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করতে চিঠিও প্রস্তুত হয়েছে। পুলিশ সুপার আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় আছেন। তিনি ফেরার পর সাময়িক বরখাস্তের আদেশে স্বাক্ষর করবেন। তিনি জানান, মোহাম্মদ আলী সোনা বের করে দিলেও কনস্টেবল জাকির এখনো দেননি। এই সোনা উদ্ধারের চেষ্টা করছে পুলিশ।

খাইরুল ইসলাম রোমান বলেন, ‘ফরিদপুরে ফ্যাসিবাদ কায়েমের জন্য মঞ্জুর এলাহিকে সিভিল সার্জন করা হয়েছে। এটা আমরা মেনে নেব না। কোনো অবস্থাতেই তাঁকে ফরিদপুরে আসতে দেওয়া হবে না। মঞ্জুর এলাহির নিয়োগের আদেশ বাতিল করা না হলে ফরিদপুরে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।’

বাগেরহাটের মোল্লাহাটে শাপলা তুলতে বিলে নেমে পানিতে ডুবে লামিয়া আক্তার (৮) ও জান্নাতি আক্তার (১১) নামের দুই চাচাতো বোনের মৃত্যু হয়েছে। আজ রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার দারিয়াতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় মাদকের টাকার জন্য মাকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বড় ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে গেন্দু মিয়া (৩০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তাঁর বড় ভাই হৃদয় মিয়াকে আটক করেছে পুলিশ…