চুয়াডাঙ্গায় মাদক মামলায় একজনের যাবজ্জীবন

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০২:২৯:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬
  • ১২ বার পঠিত হয়েছে

জালাল মালিথা চুয়াডাঙ্গা সদরের কানাপুকুর পাড়ের বাসিন্দা।

আজ বুধবার চুয়াডাঙ্গার স্পেশাল কোর্ট অব সেশনস ও ফ্যামিলি অ্যাপিলেট কোর্টের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শিমুল কুমার বিশ্বাস এ রায় ঘোষণা দেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২১ সালের ১৩ অক্টোবর চুয়াডাঙ্গা সদর থানার একাডেমি মোড় থেকে আলমডাঙ্গাগামী সড়কের কানাপুকুর পাড় এলাকায় মতিন মেডিকেল সেন্টারের পশ্চিম পাশে অভিযান চালায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি দল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

এ সময় জালাল মালিথাকে আটক করা হয়। তাঁর কাছে থাকা ব্যাগ থেকে পলিথিনে মোড়ানো ১০১ পিস বুপ্রেনরফিন ইনজেকশন উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বাদী হয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন। পরে তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়।

আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট শামিম রেজা ডালিম বলেন, ‘মাদক মামলায় আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাঁকে আরও এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।’

ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ, আটক শিক্ষককে পুলিশে সোপর্দ

ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ, আটক শিক্ষককে পুলিশে সোপর্দ

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা। এর আগে ক্ষুব্ধ লোকজন তাঁকে বিদ্যালয়ের একটি শ্রেণিকক্ষে আটকে বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে দেন। পরে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে থান

চুয়াডাঙ্গায় শিক্ষকদের নতুন বেতন নির্ধারণের নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগ

চুয়াডাঙ্গায় শিক্ষকদের নতুন বেতন নির্ধারণের নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগ

চুয়াডাঙ্গায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নতুন বেতন নির্ধারণ বা পে ফিক্সেশনের কথা বলে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। হিসাবরক্ষণ অফিসের কাজ ও ডেটা এন্ট্রির খরচ দেখিয়ে শিক্ষকপ্রতি ১০০ থেকে ৩০০ টাকা আদায়ের জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন একাধিক শিক্ষক।

জনপ্রিয় টার্গেট

পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির দাবি জোরালো হচ্ছে ইরানে, নীতিগত অবস্থান পরিবর্তনে চাপ

চুয়াডাঙ্গায় মাদক মামলায় একজনের যাবজ্জীবন

প্রকাশ: ০২:২৯:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

জালাল মালিথা চুয়াডাঙ্গা সদরের কানাপুকুর পাড়ের বাসিন্দা।

আজ বুধবার চুয়াডাঙ্গার স্পেশাল কোর্ট অব সেশনস ও ফ্যামিলি অ্যাপিলেট কোর্টের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শিমুল কুমার বিশ্বাস এ রায় ঘোষণা দেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২১ সালের ১৩ অক্টোবর চুয়াডাঙ্গা সদর থানার একাডেমি মোড় থেকে আলমডাঙ্গাগামী সড়কের কানাপুকুর পাড় এলাকায় মতিন মেডিকেল সেন্টারের পশ্চিম পাশে অভিযান চালায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি দল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

এ সময় জালাল মালিথাকে আটক করা হয়। তাঁর কাছে থাকা ব্যাগ থেকে পলিথিনে মোড়ানো ১০১ পিস বুপ্রেনরফিন ইনজেকশন উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বাদী হয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন। পরে তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়।

আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট শামিম রেজা ডালিম বলেন, ‘মাদক মামলায় আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাঁকে আরও এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।’

ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ, আটক শিক্ষককে পুলিশে সোপর্দ

ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ, আটক শিক্ষককে পুলিশে সোপর্দ

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা। এর আগে ক্ষুব্ধ লোকজন তাঁকে বিদ্যালয়ের একটি শ্রেণিকক্ষে আটকে বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে দেন। পরে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে থান

চুয়াডাঙ্গায় শিক্ষকদের নতুন বেতন নির্ধারণের নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগ

চুয়াডাঙ্গায় শিক্ষকদের নতুন বেতন নির্ধারণের নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগ

চুয়াডাঙ্গায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নতুন বেতন নির্ধারণ বা পে ফিক্সেশনের কথা বলে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। হিসাবরক্ষণ অফিসের কাজ ও ডেটা এন্ট্রির খরচ দেখিয়ে শিক্ষকপ্রতি ১০০ থেকে ৩০০ টাকা আদায়ের জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন একাধিক শিক্ষক।