কুষ্টিয়ায় বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণে আহত ৬

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১১:০৬:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫০ বার পঠিত হয়েছে

আজ শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের হোসেনাবাদ বাজারে এ সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় প্রাগপুর-ভেড়ামারা সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

আহতরা হলেন হোসেনাবাদ এলাকার মণ্ডল গ্রুপের প্রধান ওয়াসিম মণ্ডল, তুষার মণ্ডল ও বেল্লাল হোসেন এবং সরদার গ্রুপের প্রধান লিটন সরদার, কামাল সরদার ও সুমন সরদার। তাঁদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, হোসেনাবাদ এলাকায় মণ্ডল ও সরদার গ্রুপের মধ্যে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। কয়েক দফা সালিস বৈঠকেও বিরোধের মীমাংসা হয়নি। আজ সন্ধ্যায় হোসেনাবাদ বাজারে উভয় পক্ষের ৫০-৬০ জন লোক দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে পরপর চারটি ককটেল বিস্ফোরণ ও কয়েক রাউন্ড গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এতে আহত ছয়জনকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করেন।

এদিকে সংঘর্ষের সময় প্রাগপুর-ভেড়ামারা সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। তবে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি শামীম মোল্লা বলেন, ‘সংঘর্ষে জড়িতরা আমাদের দলেরই লোকজন। তাঁদের মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। সবশেষ গত বৃহস্পতিবারও আমি দুই পক্ষকে নিয়ে বসেছিলাম। তবে সালিস বৈঠকে পুরোপুরি সমাধান হয়নি। আজ তাঁরা সংঘর্ষে জড়িয়েছেন এবং কয়েকজন আহত হয়েছেন।’

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, ‘হোসেনাবাদ বাজারে দুই পক্ষের সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। সংঘর্ষে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। বাজার এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও বর্তমানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।’

ভোলার তেঁতুলিয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু তোলায় খননযন্ত্র (ড্রেজার), বালু বহনে ব্যবহৃত বাল্কহেড, নৌকাসহ আটজনকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড। গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতে ভোলা সদর উপজেলার ভেলুমিয়া ইউনিয়নের চর হোসেনসংলগ্ন এলাকায় নদী থেকে তাঁদের আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাঁদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন।

মানুষের আয় বাড়েনি, কিন্তু ব্যয় বেড়েছে। সরকারে আসার আগে তারা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তার কিছুই বাস্তবায়িত হয়নি। নির্বাচন-পরবর্তী ছয় মাসে সরকার কয়েকটি কার্ড ছাড়া জনগণকে কিছুই দিতে পারেনি।

আসলাম খানের চাচাতো ভাই মো. মিরাজ খান বলেন, তাঁদের বাসা শনিরআখড়া এলাকায়। জিয়া সরণি রোডে আসলাম খানের ক্রোকারিজের দোকান রয়েছে।

জনপ্রিয় টার্গেট

কুষ্টিয়ায় বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণে আহত ৬

প্রকাশ: ১১:০৬:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আজ শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের হোসেনাবাদ বাজারে এ সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় প্রাগপুর-ভেড়ামারা সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

আহতরা হলেন হোসেনাবাদ এলাকার মণ্ডল গ্রুপের প্রধান ওয়াসিম মণ্ডল, তুষার মণ্ডল ও বেল্লাল হোসেন এবং সরদার গ্রুপের প্রধান লিটন সরদার, কামাল সরদার ও সুমন সরদার। তাঁদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, হোসেনাবাদ এলাকায় মণ্ডল ও সরদার গ্রুপের মধ্যে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। কয়েক দফা সালিস বৈঠকেও বিরোধের মীমাংসা হয়নি। আজ সন্ধ্যায় হোসেনাবাদ বাজারে উভয় পক্ষের ৫০-৬০ জন লোক দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে পরপর চারটি ককটেল বিস্ফোরণ ও কয়েক রাউন্ড গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এতে আহত ছয়জনকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করেন।

এদিকে সংঘর্ষের সময় প্রাগপুর-ভেড়ামারা সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। তবে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি শামীম মোল্লা বলেন, ‘সংঘর্ষে জড়িতরা আমাদের দলেরই লোকজন। তাঁদের মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। সবশেষ গত বৃহস্পতিবারও আমি দুই পক্ষকে নিয়ে বসেছিলাম। তবে সালিস বৈঠকে পুরোপুরি সমাধান হয়নি। আজ তাঁরা সংঘর্ষে জড়িয়েছেন এবং কয়েকজন আহত হয়েছেন।’

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, ‘হোসেনাবাদ বাজারে দুই পক্ষের সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। সংঘর্ষে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। বাজার এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও বর্তমানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।’

ভোলার তেঁতুলিয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু তোলায় খননযন্ত্র (ড্রেজার), বালু বহনে ব্যবহৃত বাল্কহেড, নৌকাসহ আটজনকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড। গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতে ভোলা সদর উপজেলার ভেলুমিয়া ইউনিয়নের চর হোসেনসংলগ্ন এলাকায় নদী থেকে তাঁদের আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাঁদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন।

মানুষের আয় বাড়েনি, কিন্তু ব্যয় বেড়েছে। সরকারে আসার আগে তারা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তার কিছুই বাস্তবায়িত হয়নি। নির্বাচন-পরবর্তী ছয় মাসে সরকার কয়েকটি কার্ড ছাড়া জনগণকে কিছুই দিতে পারেনি।

আসলাম খানের চাচাতো ভাই মো. মিরাজ খান বলেন, তাঁদের বাসা শনিরআখড়া এলাকায়। জিয়া সরণি রোডে আসলাম খানের ক্রোকারিজের দোকান রয়েছে।