আধিপত্য নিয়ে সংঘর্ষ: মাগুরায় ৩০ বাড়িতে ভাঙচুর-লুটপাট, গুরুতর আহত ৫

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৬:৩৩:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩০ বার পঠিত হয়েছে

গতকাল শুক্রবার রাতে উপজেলার আমতৈল-নোহাটা গ্রামে এ সংঘর্ষ হয়। আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং মাগুরা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আমতৈল গ্রামের বিএনপি নেতা লিটন মিয়া এবং নোহাটা গ্রামের ইউপি সদস্য সোহেল বিশ্বাস বাবুর সমর্থকদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে শুক্রবার রাতে উভয় পক্ষের সমর্থকেরা দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। মুহূর্তের মধ্যে সংঘর্ষ পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।

এ সময় ইউপি সদস্য সোহেল বিশ্বাস বাবুর সমর্থক মিলন, ইলিয়াস, চাঁদ আলী, আনিস, তৌহিদুর রহমান, আজম বিশ্বাস, আলাম, সোহেল, আমির আলী, আদারে, আলম শেখ, আক্তার, তারিকুল, এনামুল, তারিকুল, শরিফুল, নবিয়াল, রাব্বি বিশ্বাস এবং লিটন মিয়ার সমর্থক জামাল, ওহিদুল, সুমা, উজ্জ্বল, আতিয়ার, মসিয়াল, মকিদ ও ঝন্টুসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৩০টি বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।

সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন সোহেল বিশ্বাস বাবুর পক্ষের আজম (৫০), ইখলাস (৪৫), ওবাইদুল মোল্লা (৩৫), সোহান শিকদার (৩৩) ও নান্নু শেখ (৩২)।

সোহেল বিশ্বাস বাবু বলেন, পরিকল্পিতভাবে বিএনপি নেতা লিটন মিয়া ও তাঁর সমর্থকেরা দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে নোহাটা গ্রামের মানুষের ওপর হামলা চালায়। তাঁরা আমাদের প্রায় ১৫-২০ জন সমর্থকের বাড়িঘরে ব্যাপক ভাঙচুর ও মালামাল লুটপাট করেছেন।

এ বিষয়ে জানতে লিটন মিয়ার মুঠোফোনে কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি।

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওলি মিয়া জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ভাঙচুর ও লুটপাটের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

হবিগঞ্জে প্রায় ১ কোটি ৬ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় চোরাচালানের পণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এর মধ্যে রয়েছে ভারতীয় শাড়ি, কসমেটিকস, মদ ও গাঁজা। আজ শনিবার বিকেলে হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৫ বিজিবি) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ভাদুরিয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ওসমান গনি বাবুরের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ১১ সেপ্টেম্বর থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাঁর প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলের সব পর্যায়ের পদ স্থগিত থাকবে।

জনপ্রিয় টার্গেট

বগুড়ার শেরপুর: হাজারো মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে চক্র

আধিপত্য নিয়ে সংঘর্ষ: মাগুরায় ৩০ বাড়িতে ভাঙচুর-লুটপাট, গুরুতর আহত ৫

প্রকাশ: ০৬:৩৩:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গতকাল শুক্রবার রাতে উপজেলার আমতৈল-নোহাটা গ্রামে এ সংঘর্ষ হয়। আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং মাগুরা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আমতৈল গ্রামের বিএনপি নেতা লিটন মিয়া এবং নোহাটা গ্রামের ইউপি সদস্য সোহেল বিশ্বাস বাবুর সমর্থকদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে শুক্রবার রাতে উভয় পক্ষের সমর্থকেরা দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। মুহূর্তের মধ্যে সংঘর্ষ পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।

এ সময় ইউপি সদস্য সোহেল বিশ্বাস বাবুর সমর্থক মিলন, ইলিয়াস, চাঁদ আলী, আনিস, তৌহিদুর রহমান, আজম বিশ্বাস, আলাম, সোহেল, আমির আলী, আদারে, আলম শেখ, আক্তার, তারিকুল, এনামুল, তারিকুল, শরিফুল, নবিয়াল, রাব্বি বিশ্বাস এবং লিটন মিয়ার সমর্থক জামাল, ওহিদুল, সুমা, উজ্জ্বল, আতিয়ার, মসিয়াল, মকিদ ও ঝন্টুসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৩০টি বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।

সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন সোহেল বিশ্বাস বাবুর পক্ষের আজম (৫০), ইখলাস (৪৫), ওবাইদুল মোল্লা (৩৫), সোহান শিকদার (৩৩) ও নান্নু শেখ (৩২)।

সোহেল বিশ্বাস বাবু বলেন, পরিকল্পিতভাবে বিএনপি নেতা লিটন মিয়া ও তাঁর সমর্থকেরা দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে নোহাটা গ্রামের মানুষের ওপর হামলা চালায়। তাঁরা আমাদের প্রায় ১৫-২০ জন সমর্থকের বাড়িঘরে ব্যাপক ভাঙচুর ও মালামাল লুটপাট করেছেন।

এ বিষয়ে জানতে লিটন মিয়ার মুঠোফোনে কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি।

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওলি মিয়া জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ভাঙচুর ও লুটপাটের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

হবিগঞ্জে প্রায় ১ কোটি ৬ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় চোরাচালানের পণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এর মধ্যে রয়েছে ভারতীয় শাড়ি, কসমেটিকস, মদ ও গাঁজা। আজ শনিবার বিকেলে হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৫ বিজিবি) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ভাদুরিয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ওসমান গনি বাবুরের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ১১ সেপ্টেম্বর থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাঁর প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলের সব পর্যায়ের পদ স্থগিত থাকবে।