১২ বিঘা জমির পটোলগাছ কেটে দিল দুর্বৃত্তরা

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১২:০৯:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৬ বার পঠিত হয়েছে

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা জানান, গাছগুলোতে ফলন আসতে শুরু করছিল। প্রতি সপ্তাহে ৪০-৫০ মণ পটোল তুলে বাজারে বিক্রি করা যেত। কিন্তু সকালে জমির অবস্থা দেখে তাঁরা হতবাক।

তাঁদের দাবি, ঘটনার তদন্ত করে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা এবং ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি বিবেচনা করে তাঁদের সহায়তা করা হোক।

সরেজমিন দেখা যায়, জমিতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে কাটা গাছ। কোথাও গাছের গোড়া কেটে দেওয়া হয়েছে, কোথাও মাটিতে লুটিয়ে আছে পুরো লতা।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আব্দুস সালাম বলেন, ‘অনেক কষ্ট করে জমিতে পটোল চাষ করেছি। সার, ওষুধ, শ্রমিক—সব মিলিয়ে অনেক টাকা খরচ হয়েছে। ফসল বিক্রি করে সংসার চালানোর আশা ছিল। কিন্তু এক রাতেই সব শেষ করে দিয়েছে। এখন আমাদের কী হবে, জানি না।’

আরেক কৃষক ইসরাফিল বলেন, ‘এই ফসলই ছিল আমাদের শেষ সম্বল। গাছগুলো বড় হয়ে উঠেছিল, ফলনও আসছিল। পটোল বাজারে বিক্রি শুরু করেছি। সকালে এসে দেখি সব গাছ কেটে ফেলা হয়েছে।’

এ বিষয়ে বদলগাছী থানার তদন্ত কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘এ বিষয়ে কেউ কোনো অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

নিহত নজরুলের ছেলে সামিউল ইসলাম জানান, তাদের বাড়ি মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার আবুডাঙ্গা গ্রামে। বর্তমানে আশুলিয়া শিমুলতলায় থাকেন। ওই কারখানার সামনে পেঁয়াজ-রসূন বিক্রি করতেন তাঁর বাবা। দুর্ঘটনার পর তিনি খবর পেয়ে স্থানীয় নারী ও শিশু হাসপাতালে গিয়ে তাঁর বাবাকে দেখতে পান। সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে

ঢাকার আশপাশে নতুন বৈধ বালুমহাল চিহ্নিত করে দ্রুত ইজারা দেওয়াসহ ছয় দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ বাল্কহেড মালিক সমিতি। সংগঠনটি বলছে, ভোলার ইলিশার মেঘনা-১,২, ৩ ও ৪ বালুমহাল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পদ্মা, মেঘনা, শীতলক্ষ্যা, ধলেশ্বরী ও ব্রহ্মপুত্র নদীকেন্দ্রিক সহস্রাধিক বাল্কহেডের চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে…

কক্সবাজার শহরে ছুরিকাঘাতে সাইফুল ইসলাম (৩০) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। আজ রোববার বেলা ২টার দিকে শহরের বৈদ্যঘোনা এলাকার জাদিপাহাড়ে এ ঘটনা ঘটেছে। নিহত সাইফুল ইসলাম শহরের পশ্চিম পাহাড়তলী এলাকার মোহাম্মদ হোসাইনের ছেলে।

জনপ্রিয় টার্গেট

বিশ্বকাপের সেই দুঃসহ স্মৃতি এখনো তাড়িয়ে বেড়ায় ব্রাজিলের ফুটবলারকে

১২ বিঘা জমির পটোলগাছ কেটে দিল দুর্বৃত্তরা

প্রকাশ: ১২:০৯:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা জানান, গাছগুলোতে ফলন আসতে শুরু করছিল। প্রতি সপ্তাহে ৪০-৫০ মণ পটোল তুলে বাজারে বিক্রি করা যেত। কিন্তু সকালে জমির অবস্থা দেখে তাঁরা হতবাক।

তাঁদের দাবি, ঘটনার তদন্ত করে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা এবং ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি বিবেচনা করে তাঁদের সহায়তা করা হোক।

সরেজমিন দেখা যায়, জমিতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে কাটা গাছ। কোথাও গাছের গোড়া কেটে দেওয়া হয়েছে, কোথাও মাটিতে লুটিয়ে আছে পুরো লতা।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আব্দুস সালাম বলেন, ‘অনেক কষ্ট করে জমিতে পটোল চাষ করেছি। সার, ওষুধ, শ্রমিক—সব মিলিয়ে অনেক টাকা খরচ হয়েছে। ফসল বিক্রি করে সংসার চালানোর আশা ছিল। কিন্তু এক রাতেই সব শেষ করে দিয়েছে। এখন আমাদের কী হবে, জানি না।’

আরেক কৃষক ইসরাফিল বলেন, ‘এই ফসলই ছিল আমাদের শেষ সম্বল। গাছগুলো বড় হয়ে উঠেছিল, ফলনও আসছিল। পটোল বাজারে বিক্রি শুরু করেছি। সকালে এসে দেখি সব গাছ কেটে ফেলা হয়েছে।’

এ বিষয়ে বদলগাছী থানার তদন্ত কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘এ বিষয়ে কেউ কোনো অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

নিহত নজরুলের ছেলে সামিউল ইসলাম জানান, তাদের বাড়ি মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার আবুডাঙ্গা গ্রামে। বর্তমানে আশুলিয়া শিমুলতলায় থাকেন। ওই কারখানার সামনে পেঁয়াজ-রসূন বিক্রি করতেন তাঁর বাবা। দুর্ঘটনার পর তিনি খবর পেয়ে স্থানীয় নারী ও শিশু হাসপাতালে গিয়ে তাঁর বাবাকে দেখতে পান। সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে

ঢাকার আশপাশে নতুন বৈধ বালুমহাল চিহ্নিত করে দ্রুত ইজারা দেওয়াসহ ছয় দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ বাল্কহেড মালিক সমিতি। সংগঠনটি বলছে, ভোলার ইলিশার মেঘনা-১,২, ৩ ও ৪ বালুমহাল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পদ্মা, মেঘনা, শীতলক্ষ্যা, ধলেশ্বরী ও ব্রহ্মপুত্র নদীকেন্দ্রিক সহস্রাধিক বাল্কহেডের চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে…

কক্সবাজার শহরে ছুরিকাঘাতে সাইফুল ইসলাম (৩০) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। আজ রোববার বেলা ২টার দিকে শহরের বৈদ্যঘোনা এলাকার জাদিপাহাড়ে এ ঘটনা ঘটেছে। নিহত সাইফুল ইসলাম শহরের পশ্চিম পাহাড়তলী এলাকার মোহাম্মদ হোসাইনের ছেলে।