পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের প্রাথমিক ধারণা, তিনি নিজের গলায় ধারালো বটি দিয়ে আঘাত করে আত্মহত্যা করেছেন।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, টুলু মিয়ার স্ত্রী জীবিকার প্রয়োজনে প্রায় ৪০ দিন আগে সৌদি আরব যান। তাঁর দুই মেয়ে জেমি ও জুথি বিবাহিত হওয়ায় তিনি বাড়িতে একাই বসবাস করতেন।
তবে গত কয়েক দিন ধরে তীব্র পেটের ব্যথায় অসুস্থ থাকায় ছোট মেয়ে জুথি আক্তার বাবার সেবা-শুশ্রূষার জন্য বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। গতকাল তাঁকে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয় এবং বাড়িতেই স্যালাইন দেওয়া হয়েছিল।
নিহতের মেয়ে জুথি আক্তার জানান, আজ সকাল ৮টার দিকে তাঁর বাবা পানি পান করতে চান। তিনি পানি নিয়ে ঘরে গিয়ে দেখেন, বাবা বিছানায় বসে আছেন। পাশে পড়ে ছিল রক্তমাখা বটি। এ সময় তাঁর বাবা নিজেই গলা কেটেছেন বলে জানান। পরে জুথি তাঁকে গ্লাসে করে পানি পান করান। কিছুক্ষণের মধ্যেই টুলু মিয়ার মৃত্যু হয়।
শাজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিক ইকবাল জানান, সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
ওসি আরও বলেন, ‘ঘটনার প্রকৃত কারণ ও পারিপার্শ্বিক বিষয় অনুসন্ধানের জন্য নিহতের মেয়েকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়েছে। আলামত ও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সাময়িকভাবে এটিকে আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।’

দৈনিক টার্গেট 























