আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কের উপজেলার মানিকপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও স্থানীয় বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
আহতরা শাহিন স্কুল সিরাজগঞ্জ শাখার শিক্ষার্থী ও অভিভাবক। এর মধ্যে রেজাউল করিম (৩৯), জয়নাল আবেদীন (২৬), সিনহা ইসলাম (৭), সোনালী খাতুন (২৫), বর্ষা খাতুন (২০), তাসলিম আহম্মেদ (৩৩), হজরত আলী (৫০), দিঘি খাতুন (১২) রাব্বি হাসান (২৪), আশরাফুল ইসলাম (৪২), বিউটি বেগম (২৬), হাওয়া বেগম (৩০), মনিরুল ইসলাম (৩৩), হাবিবা খাতুন (১২) রেজাউল করিম (৪৫), কাব্য হোসেন (১২) ও মোস্তাফিজুর রহমানের (৪৬) নাম জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী নজরুল ইসলাম নামে একজন বলেন, শাহিন স্কুলের সিরাজগঞ্জ শাখার কয়েকটি বাস রাজশাহী সাফিনা পার্কে বনভোজনের উদ্দেশে যাচ্ছিল। বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কের মানিকপুর এলাকায় পৌঁছালে বাসটির সঙ্গে নাটোর থেকে ঢাকাগামী যাত্রীবাহী একটি বাসের সংঘর্ষ হয়। এতে বনভোজনের বাসের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকসহ ৩০ জন আহত হন।
খবর পেয়ে বনপাড়া ফায়ার সার্ভিস সদস্য, হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও স্থানীয় বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসা শেষে সবাই নিজ নিজ এলাকায় চলে যায়।
বনপাড়া হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আলমগীর হোসের বলেন, দুর্ঘটনাকবলিত বাস দুটি আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
দ্রুতগতির একটি বালুবাহী ডাম্প ট্রাক একটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইককে পেছন থেকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ইজিবাইকচালক আব্দুল মান্নান গুরুতর আহত হন। দুর্ঘটনায় তাঁর একটি পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং অপর পা গুরুতর জখম হয়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তিনি ঘটনাস্থলে গুরুতর অবস্থায় পড়ে থাকেন।
মুমিন মিয়া বলেন, ‘আমার ছেলে বিদ্যালয়ে যাওয়ার সময় সাঁকো থেকে পড়ে গিয়ে হাত ভেঙে গিয়েছিল। কিন্তু আমরা নিরুপায়। এখনো এই পথ দিয়েই যাতায়াত করতে হয়।’
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার কামালেরপাড়া এলাকায় অবৈধভাবে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরির প্রায় ৩০টি চুল্লি ধ্বংস করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) গাইবান্ধা পরিবেশ অধিদপ্তর ও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে অবৈধভাবে স্থাপন করা কয়লা তৈরির চুল্লিগুলো ধ্বংস করে দেওয়া হয়।
দৈনিক টার্গেট 



















