গতকাল রোববার গভীর রাতে উপজেলার পাকুড়িয়া ইউনিয়নের জোতকাদিরপুর গ্রামের ইয়ারুলের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
গণপিটুনিতে নিহত শিমুল হোসেন (২৮) জোতকাদিরপুর গ্রামের মোস্তফার ছেলে। আহত সমজান আলী (৫০) একই গ্রামের নবি উদ্দিনের ছেলে। বর্তমানে তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল গভীর রাতে শিমুল ও সমজান মিলে ইয়ারুলের গোয়ালঘর থেকে গরু-ছাগল চুরির চেষ্টা করছিলেন। বিষয়টি টের পেয়ে ইয়ারুল বসতঘর থেকে বের হয়ে চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন এবং দুজনকে আটক করেন। এ সময় গণপিটুনিতে দুজন গুরুতর আহত হলে রাত পৌনে ২টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিমুলকে মৃত ঘোষণা করেন।
আজ সোমবার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আহত সমজানের অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়।
বাড়ির মালিক ইয়ারুল জানান, তাঁর গোয়ালঘরে আনুমানিক এক লাখ টাকা মূল্যের একটি গরু এবং প্রায় আড়াই লাখ টাকা মূল্যের সাতটি ছাগল ছিল। চুরির চেষ্টাকালে বিষয়টি টের পেয়ে তিনি চিৎকার করলে স্থানীয়রা ছুটে এসে দুজনকে আটক করেন।
থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুপ্রভাত মণ্ডল জানান, নিহত শিমুলের মরদেহ পুলিশের হেফাজতে নিয়ে ময়নাতদন্তের জন্য রামেক হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হয়েছে। বাড়ির মালিক ইয়ারুলের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রাণ বাঁচাতে ছেলের কারখানায় আশ্রয় নিয়েছিলেন পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আলতাব হোসেন। তবে শেষরক্ষা হয়নি। কারখানার দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকে ধারালো অস্ত্র, এসএস পাইপ ও রড দিয়ে নৃশংসভাবে পিটিয়ে জখম করা হয় এসআই আলতাব ও তাঁর ছেলেকে। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রাণ হারান ওই পুলিশ কর্মকর্তা।
ঢাকার সাভারের আমিনবাজারে পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) উপপরিদর্শক আলতাব হোসেনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় আরও আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গতকাল রোববার রাতে সাভার ও রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৪০ জনকে মিরপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময়ে বিভিন্ন থানায় ৬১টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
দৈনিক টার্গেট 





















