বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরোনো গবেষণা মাঠ হিসেবে পরিচিত এই জায়গায় সচিবালয় স্থাপনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে কয়েক দিন ধরে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা। তাঁদের দাবি, মাঠটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে ফিরিয়ে দিতে হবে। একই সঙ্গে সেখানে গবেষণা কার্যক্রম ও সবুজায়নের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।
কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী রাফিউর রহমান রুহান বলেন, এই মাঠ শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের নয়, পুরো এলাকার জন্য একটি ফুসফুস। ঐতিহাসিক এই গবেষণার মাঠে সচিবালয় স্থাপন করা হলে পুরো এলাকার জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হবে। মাঠটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি সেখানে সবুজায়ন করা হলে পুরো অঞ্চল রক্ষা পাবে।
মেলার একটি স্টলের কর্মচারী রিফাত রহমান বলেন, ‘মেলা বন্ধের ঘোষণা আসার পর আমরা মালামাল নিয়ে চলে যেতে চাইলেও মেলা কমিটির পক্ষ থেকে আমাদের বাধা দেওয়া হয়েছে।’
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, মেলা স্থগিতের সরকারি সিদ্ধান্তের পর আয়োজক কমিটি এক দিনের মধ্যে স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিল, কিন্তু নির্ধারিত সময়ে স্থাপনা সরানো হয়নি। তাঁদের দাবি, স্থাপনা সরানোর পরিবর্তে আয়োজক কমিটির সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এলাকার ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে দেখা করে সমঝোতার চেষ্টা করছেন।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আরফান আলী বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা তাদের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। বিষয়টি জানতে পেরে আমরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করছি।’

দৈনিক টার্গেট 





















