আহত গোলাম আহমেদের বয়স ৩০ বছর। তাঁর বাড়ি শেরপুরের নকলা উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামে। তিনি মৃত শাহাবুদ্দিনের ছেলে। গোলাম আহমেদ শ্রীপুর পৌরসভার কড়ইতলা এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে থাকেন এবং মোটরসাইকেল মেকানিক হিসেবে কাজ করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী মমিনুর ইসলাম বলেন, গোলাম আহমেদ দাঁড়িয়ে ছিলেন। হঠাৎ একটি বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের তার ছিঁড়ে তাঁর পিঠের ওপর পড়ে। এ সময় আশপাশের লোকজন দৌড়ে সরে যান।
মমিনুর ইসলাম বলেন, ‘লোকটি বাঁচাও বাঁচাও করে চিৎকার করছিলেন। কিন্তু কেউ এগিয়ে আসেনি। পরে একজন অটোরিকশাচালক এগিয়ে আসেন। বাঁশ দিয়ে তার সরিয়ে তাঁকে দূরে ঠেলে দেওয়া হয়। এরপর আমরা কয়েকজন মিলে তাঁর শরীর ম্যাসাজ করতে শুরু করি।’
এ সময় পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় আলহেরা হাসপাতালে নিয়ে যান বলে জানান মমিনুর ইসলাম। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
মমিনুর ইসলাম বলেন, গোলাম আহমেদের পিঠের বেশির ভাগ অংশ পুড়ে গেছে। তাঁর অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক।
শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, আহত ব্যক্তিকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর মাওনা জোনাল কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী শান্তনু রায় বলেন, ‘সঞ্চালন লাইনের তার ছিঁড়ে নিচে পড়ায় একজন আহত হয়েছেন। তাঁর চিকিৎসার বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।’

দৈনিক টার্গেট 






















